Sabarimala Gold Case

সময় ফুরলেও চার্জশিট দেয়নি পুলিশ, শবরীমালা মন্দিরের সোনা চুরি মামলায় জামিন মূল অভিযুক্তকে

কী অভিযোগ শিল্পপতির বিরুদ্ধে?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২১, ২০২৬, ১৮:৫৪

options
link
সময় ফুরলেও চার্জশিট দেয়নি পুলিশ, শবরীমালা মন্দিরের সোনা চুরি মামলায় জামিন মূল অভিযুক্তকে
শবরীমালা মন্দির, মূল অভিযুক্ত উন্নিকৃষ্ণন পট্টি। ফাইল চিত্র।

শবরীমালায় আয়াপ্পা মন্দিরে সোনা চুরি মামলায় (Sabarimala Gold Case) দেবস্বম বোর্ডের প্রাক্তন সদস্য কেপি শংকর দাসের আবদার খারিজ করেছিল সুপ্রিম কোর্ট। যদিও মন্দিরের দরজা থেকে সোনা ‘উধাও’ কাণ্ডে মূল অভিযুক্ত উন্নিকৃষ্ণন পট্টিকে জামিন দিল কেরলের একটি আদালত। ৯০ দিনের সময়সীমা শেষ হওয়া পরেও ওই মামলায় চার্জশিট দাখিল করতে পারেনি বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট)। সেই কারণেই উন্নিকৃষ্ণনের জামিন মঞ্জুর করা হয়েছে।

Advertisement

শবরীমালা মন্দিরের দরজার সোনায় মোড়া তামার পাত ও অন্যান্য ধাতব সামগ্রী মেরামত ও ইলেক্ট্রোপ্লেটিংয়ের জন্য বাইরে পাঠানো হয়েছিল। অভিযোগ, মন্দিরের জিনিস ফেরত এলে দেখা যায় তাতে সোনার পরিমাণ অনেকটাই কমে গিয়েছে। মেরামতির নাম করে মন্দিরের সোনা চুরি গিয়েছে বলেই মনে করা হচ্ছিল। এই ঘটনায় সিট গঠন করে কেরল পুলিশ। তদন্তের পর সিট অভিযোগ আনে, প্রধান অভিযুক্ত উন্নিকৃষ্ণন পট্টিই মন্দিরের সোনা সরান। অভিযুক্ত শিল্পপতি এবার জামিন পেলেন। তবে এখনই জেলমুক্তি হচ্ছে না উন্নিকৃষ্ণনের।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

শবরীমালায় আয়াপ্পা মন্দিরে থেকে সোনা চুরির অভিযোগ ওঠে ২০১৯ সালে।

কেরল হাই কোর্টে জমা দেওয়া তদন্তকারীদের রিপোর্টে মূল অভিযুক্ত হিসাবে উন্নিকৃষ্ণনের নাম ছিল। তাঁর আয়ের কোন উৎস মেলেনি বলে জানিয়েছে তদন্ত কামিটি। অথচ তিনি মন্দির কর্তৃপক্ষকে সোনা দান করতেন। ২০২৫-’২৬ অর্থবর্ষে কামাক্ষী এন্টারপ্রাইজ নামে একটি সংস্থার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে মোটা অঙ্কের টাকা ঢুকেছিল উন্নিকৃষ্ণনের অ্যাকাউন্টে। এই লেনদেন নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। এখনও পর্যন্ত টিডিবি-র দুই প্রাক্তন প্রশাসনিক কর্তা-সহ মোট ১২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে সিট।

Advertisement

শবরীমালায় আয়াপ্পা মন্দিরে থেকে সোনা চুরির অভিযোগ ওঠে ২০১৯ সালে। গর্ভগৃহের দরজা এবং দ্বারপালকের মূর্তি থেকে সোনা উধাও হয়ে যাওয়ার অভিযোগ ওঠে। ২০১৯ সালে বিগ্রহের ওজন ছিল ৪২ কেজি ৮০০ গ্রাম। কিন্তু পরে দেখা যায়, বিগ্রহের ওজন হয়ে গিয়েছে ৩৮ কেজি ২৫৮ গ্রাম! মেরামতির কাজ করতে গিয়ে দরজার ওজনও কমে যায়। বিষয়টি নজরে আসতেই হুলস্থুল পড়ে যায়। শুরু হয় তদন্ত।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.