সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সকালে ফোনে কথা, আর তার পরই বাবার সঙ্গে দেখা করতে তরিঘড়ি লখনউয়ে মুলায়মের বাড়িতে হাজির অখিলেশ যাদব৷ বিধানসভা নির্বাচনের ঠিক আগে আগেই যাদবকুলে যে কোন্দল দেখা দিয়েছে তার প্রভাব ভোটে পড়তে পারে৷ সম্ভবত, এই আঁচ পেয়েছেন বাবা-ছেলে দুজনেই৷ আর তাই যুদ্ধবিরতি সূত্র খোঁজার চেষ্টাতেই এই বৈঠক বলে মনে করা হচ্ছে৷ যদিও আসলে, বাবা-ছেলের দ্বন্দ্ব মেটাতে উদ্যোগী হয়েছেন সমাদবাদী পার্টির অন্যতম নেতা আজম খান৷ তিনিই মঙ্গলবার সকালে মুলায়ম-অখিলেশের মধ্য ফোনে কথা বলার ব্যবস্থা করে দেন৷
ইতিমধ্যেই দলীয় কর্মী-সমর্থকদের সমর্থন পেয়ে কিছুটা বিতর্কিত ভাবেই মুলায়মের জায়গায় দলীয় সভাপতির ব্যাটন হাতে নিয়েছেন ছেলে অখিলেশ৷ যদিও যে সভায় অখিলেশকে দলীয় সভাপতি ঘোষণা করা হয়েছে, সে সভাকেই অবৈধ বলে দাবি করেছেন মুলায়ম৷ যদিও কিছুদিন আগেই ছেলে অখিলেশ ও তাঁর ঘনিষ্ঠ রাম গোপালকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরও ফের আজম খানের মধ্যস্থতায় তাঁদের দলে ফিরেয়ে নেওয়া হয় ৷
যদিও এত দ্বন্দ্বের মধ্যেও দলীয় প্রতীক হিসাবে সাইকেলকেই বজায় রাখতে উদ্যোগী বাবা-ছেলে দুজনেই৷ গতকালই সাইকেল সপার প্রতীক রাখতে দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছিলেন মুলায়ম৷ এদিকে আজ মঙ্গলবার একই দাবি নিয়েই নির্বাচন কমিশনের ফের দ্বারস্থ হয়েছেন অখিলেশ ও রাম গোপালও৷ দলীয় প্রতীকের প্রশ্নে তাঁরাও মুলায়মের সঙ্গে সহমত৷ প্রতীক বদল হলে ভোটে প্রভাব পড়তে পারে৷ তাই ক্ষমতা দখল নিয়ে যাদবকুলে দ্বন্দ্ব যতই থাক, আসন্ন নির্বাচন ভাল ফল করার বিষয়ে বাবা-ছেলে দুজনেই সমানভাবে আগ্রহী৷
এদিকে দীর্ঘ কয়েকবছর ধরে দলের বাইরে থাকার পর ফের দলে ফিরেছেন অমর সিংও৷ খুব স্বাভাবিক ভাবেই তাই ভোটের আগে তাই অমর সিংও নিজের হারানো জমি ফিরে পেতে চাইবেন এটাই স্বাভাবিক৷ সেটাও সমাজবাদী পার্টিতে নতুন করে কোনও দ্বন্দ্ব তৈরি করবে কিনা এখন সেটাও দেখার।
সর্বশেষ খবর
-
ঢাকা হত সিসিটিভি, শৌচাগারে লুকনো টাকা! রাম মন্দিরে ‘চুরি’র নীল নকশায় তাজ্জব তদন্তকারীরা
-
‘দ্বিতীয়বার আসতে হলে ভালো হবে না’, মাফিয়ারাজ রুখতে পুলিশকে কড়া হুঁশিয়ারি মন্ত্রী শঙ্করের
-
মেঘ-বৃষ্টির পাহাড়ে রোমাঞ্চের হাতছানি, টিকিট কাটার আগে এই ভুল করলেই বিপদ!
-
জমি জেহাদ থেকে ধর্মান্তকরণে নতুন আইন, ‘হিন্দু হোমল্যান্ড’ রক্ষায় ঘোষণা শুভেন্দুর
-
পেটে লাথি মেরে দেব! সিএবি নির্বাচনে তৃণমূল নেতার ‘হুমকি’, এবার ‘দুর্নীতি’র অভিযোগ আরেক জেলার