সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: অপারেশন সিঁদুরের পর বিএসএফকে দরাজ সার্টিফিকেট দিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। বিএসএফের প্রতিষ্ঠা দিবসের মঞ্চে দাঁড়িয়ে শাহ বললেন, কঠিন সময়ে দেশের সুরক্ষায় অবিচল থেকেছে সীমান্তরক্ষা বাহিনী। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বললেন, বছরের পর বছর সীমান্তে ঢালের মতো দাঁড়িয়ে থেকে বিএসএফ প্রমাণ করেছে যে তারা বিশ্বের সেরা সীমা সুরক্ষা বল।
শাহ বলেন, “যখন ঠিক হল আধাসেনার উপর সীমান্ত সুরক্ষার দায়িত্ব যাবে, তখন সবচেয়ে কঠিন দুই সীমান্তরক্ষার দায়িত্ব গিয়েছিল বিএসএফের উপর। একটা পাকিস্তান, অপরটা বাংলাদেশ। আর এই কঠিন দুই সীমান্ত নিজেদের যোগ্যতায় দারুনভাবে রক্ষা করেছে বিএসএফ।” শাহের বক্তব্য, শুধু সীমা সুরক্ষা নয়, দেশের অন্দরের বিভিন্নরকম বিপর্যয়, প্রাকৃতিক দুর্যোগ সামলাতেও ঝাঁপিয়ে পড়ে সীমান্তরক্ষা বাহিনী। তাতেই বিএসএফের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণিত হয়। শাহের এই মন্তব্য বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। সাম্প্রতিক অতীতে বাংলাদেশ সীমান্তে অনুপ্রবেশ এবং পাচার রুখতে বিএসএফের ‘ব্যর্থতা’ এবং ‘বেনিয়ম’ নিয়ে বিস্তর অভিযোগ তুলেছে রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস। শাহ এদিন বিএসএফের মঞ্চ থেকে সেই অভিযোগই যেন ফুঁৎকারে উড়িয়ে দিলেন।
শুক্রবার অপারেশন সিঁদুরেরও ভূয়সী প্রশংসা করেন শাহ। তাঁর দাবি, কেন্দ্রের বিজেপি সরকারই পাকিস্তানকে যোগ্য জবাব দিতে পারে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “২০১৪ সালের আগে ভারত যোগ্য জবাব দিত না। কিন্তু ২০১৪ সালের পর নরেন্দ্র মোদি ক্ষমতায় এসে পরিস্থিতি বদলায়। মোদির ইচ্ছাশক্তির জোরেই আজ যোগ্য জবাব দেওয়া শুরু করেছে ভারত।” স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য, “২০১৪ সালের পর উরিতে আমাদের সেনাকে নিশানা করে আক্রমণ করা হয়েছিল, আমরা ওদের মাটিতে ঢুকে সার্জিক্যাল স্ট্রাইক করে এসেছি। পুলওয়ামা হামলার পর আমরা বালাকোট এয়ারস্ট্রাইক করেছি। এবার অপারেশন সিঁদুর আমরা পাকিস্তানে ঢুকে জঙ্গি গুঁড়িয়ে দিয়েছি।”
সর্বশেষ খবর
-
মেসি-ম্যাচে বঞ্চিত দর্শকদের শুভেন্দুর উপহার, উরুগুয়ে ম্যাচে ২২ হাজার টিকিট মিলবে বিনামূল্যে
-
ভারতের লড়াইকে ‘বাহবা’ দিলেন ব্রাজিল কোচ, হেরে খালিদ দুষলেন মনঃসংযোগের অভাবকে
-
‘গাজা যুদ্ধ শেষ হোক চাননি নেতানিয়াহু, বন্দি মুক্তিতেও আগ্রহ ছিল না’, বিস্ফোরক প্রাক্তন সেনাকর্তা
-
জলে গেল রাহুলের সেঞ্চুরি, ‘নিয়মরক্ষা’র ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে হার ভারতের
-
Exclusive: ভাঙা তো দূর, নন্দীগ্রামে সামান্য চোটও পাননি মমতা! প্রকাশ্যে ২১-এর রিপোর্ট