শিবাজি

‘আজ কে শিবাজি নরেন্দ্র মোদি’, বিজেপি নেতার লেখা বই নিয়ে তুমুল বিতর্ক মহারাষ্ট্রে

'যার হাতে এই বই থাকবে তার হাল খারাপ হবে', হুমকি শিব সেনার।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৩, ২০২০, ২০:৫৯

options
link
‘আজ কে শিবাজি নরেন্দ্র মোদি’, বিজেপি নেতার লেখা বই নিয়ে তুমুল বিতর্ক মহারাষ্ট্রে

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিপুল জনাদেশ নিয়ে গত বছরের জুলাই মাসে দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করেছিলেন নরেন্দ্র মোদি। কিন্তু, তার এক-দু’মাস পর থেকেই বারবার তুমুল বিতর্কে জড়াতে হয়েছে তাঁর নেতৃত্বাধীন সরকারকে। কাশ্মীর থেকে ৩৭০ প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত কিংবা সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের মতো বিষয়ে ক্রমাগত বিরোধীদের আক্রমণও সহ্য করতে হচ্ছে। এবার তাতে নতুন সংযোজন হল একটি বই। যেখানে আজকের শিবাজি বলে উল্লেখ করে মোদিজির ভূয়সী প্রশংসা করেছেন এক বিজেপি নেতা। আর তারপরই গর্জে উঠেছে কয়েকমাস আগেও জোট শরিক থাকা শিব সেনা। প্রতিবাদে সরব হয়েছেন শিবাজীর বংশধর এবং মহারাষ্ট্রের বিজেপির সাংসদ সম্ভাজি রাজেও। আর একধাপ এগিয়ে বইটির লেখকের বিরুদ্ধে নাগপুর পুলিশের কাছে FIR দায়ের করেছেন মহারাষ্ট্রের কংগ্রেস মুখপাত্র অতুল লোধে।

Advertisement

সম্প্রতি দিল্লির একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠানের মঞ্চ থেকে ‘আজ কে শিবাজি নরেন্দ্র মোদি’ নামে ওই বইটি প্রকাশ করা হয়। এরপরই সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে সবাইকে বইটি পড়ার আবেদন জানান লেখক জয় ভগবান গোয়েল। এরপরই বিতর্ক শুরু হয়। নেটিজেনদের পাশাপাশি এর বিরুদ্ধে সরব হয়ে ওঠে শিব সেনা, NCP ও কংগ্রেস-সহ বিরোধী দলগুলি। অবিলম্বে বইটি নিষিদ্ধ করার দাবি তোলা হয়। শুধু তাই নয়, এই বইটি কারও হাতে দেখতে পেলে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও হুমকি দেয় শিব সেনা। বিজেপিতে থাকা শিবাজির বংশধররা এই বিষয়ে কী ব্যবস্থা নিচ্ছেন সেই প্রশ্নও তোলেন।

Advertisement

[আরও পড়ুন: মোদির পথেই যোগী! নাগরিকত্বের জন্য ৩২ হাজার শরণার্থীকে চিহ্নিত করল উত্তরপ্রদেশ ]

 

Advertisement

এপ্রসঙ্গে শিব সেনার মুখপাত্র ও রাজ্যসভা সাংসদ সঞ্জয় রাউত বলেন, ‘মহারাষ্ট্র ও এখানকার মানুষের সম্পর্কে বাজে মন্তব্যের জন্য দিল্লির মহারাষ্ট্র ভবনে আক্রান্ত হয়েছিলেন গোয়েল। তাতেও ওনার হুঁশ ফেরেনি। আমরা কোনওভাবেই শিবাজি মহারাজের কোনও অসম্মান মেনে নিতে পারব না। তাঁর সঙ্গে নরেন্দ্র মোদিকে এক আসনে বসিয়ে খুব ভুল কাজ করেছেন গোয়েল। তাঁর লেখা ওই বই যদি কারও হাতে দেখা যায়। তাহলে তার হাল খুব ভয়াবহ হবে।’

[আরও পড়ুন: রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যেই সংবিধান মেনে চলার বার্তা, খোলা চিঠি শর্মিলা ঠাকুর-সহ বুদ্ধিজীবীদের ]

 

এদিকে বিষয়টি জানতে পারার পরে বিজেপি সভাপতি অমিত শাহকে বইটি নিষিদ্ধ করার অনুরোধ করেছেন শিবাজির বংশধর সম্ভাজি রাজে। তাঁর কথায়, দেশের প্রচুর মানুষের মতো আমিও নরেন্দ্র মোদিকে খুব শ্রদ্ধা করি। কিন্তু শিবাজি মহারাজের সঙ্গে কারও কোনও তুলনা হয় না। তাই এই বইটি নিষিদ্ধ করার অনুরোধ জানিয়েছে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.