সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: গাধার দুধ পান করলেন যোগগুরু রামদেব। সেই সঙ্গে এই দুধ কতটা উপকারী সরব হলেন তা নিয়েও। অতীতে গাধার দুধের উপকারিতা নিয়ে নানা কথা শোনা যেত। কিন্তু আধুনিক সময়ে গাধার দুধের সেই অর্থে তেমন চাহিদা নেই। এই পরিস্থিতিতে গাধার দুধ দুইয়ে সেই দুধ পান করে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করলেন রামদেব।
একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে সোশাল মিডিয়ায়। সেখানে রামদেবকে বলতে শোনা গিয়েছে, ”আমি এই প্রথম জীবনে গাধার দুধ দোয়ালাম। উট, গরু, ভেড়া ও ছাগলের দুধ দুইয়েছি আগে। কিন্তু এই দুধ সুপার টনিক। এবং প্রসাধনী হিসেবেও তা ব্যবহৃত হয়।” পরে গাধার দুধ খেয়ে উচ্ছ্বসিত হয়ে রামদেব বলেন, ”খুবই সুস্বাদু।” তার পর ফের উট, গরু, ভেড়া ও ছাগলের দুধের সঙ্গে ফের তুলনা করে যোগগুরু দাবি করেন, গাধার দুধ সবদিক থেকেই ব্যতিক্রমী। সেই সঙ্গেই তিনি সকলকে মনে করিয়ে দেন, রানি ক্লিওপেট্রা একসময় গাধার দুধ দিয়ে স্নান করতেন অনন্তযৌবনা হবেন বলে।
गधी का दूध पीते स्वामी रामदेव
बाबा रामदेव ने निकाला खुद गधी का दूध
सोशल मीडिया पर वीडियो वायरल #Ramdev #viralvideo pic.twitter.com/xdC0DnrliOAdvertisement— bhUpi Panwar (@askbhupi) December 2, 2024
এরই পাশাপাশি রামদেবের দাবি, যাঁদের দুধে অ্যালার্জি আছে তাঁরাও গাধার দুধ খেতে পারবেন। দামেও এই দুধ নাকি গরুর দুধের থেকে অনেক বেশি মূল্যবান। ৫ হাজার থেকে ৭ হাজার টাকা প্রতি লিটার দামে বিকোয়।
গাধার দুধের একটা জনপ্রিয়তা ছিল প্রাচীন পৃথিবীতে। গ্রিক চিকিৎসকরা মনে করতেন বিষপ্রয়োগ বা যকৃতের অসুখ, সবাই ভালো করে দিতে পারে গাধার দুধ। কিন্তু আজকের দিনে কী গুরুত্ব গাধার দুধের? এক মার্কিন সংস্থার দাবি, এই দুধ অনেকটাই শিশুকে স্তন্যপানের উপকারিতা দেয়। ফলে কোনও শিশুর গরুর দুধে অ্যালার্জি থাকলে এটা পান করতেই পারে। তাছাড়া চিকিৎসা ক্ষেত্রেও গাধার দুধের গুরুত্ব ক্রমেই বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে রামদেবের মুখে শোনা গেল গাধার দুধের প্রশস্তি।
সর্বশেষ খবর
-
পরিচারিকাকে চড়, চুলের মুঠি ধরে মার প্রৌঢ়ার! ভাইরাল ভিডিও ঘিরে শোরগোল
-
কাঁপছে মাটি, তাসের ঘর একের পর এক বিলাসবহুল বাড়ি! শিউরে ওঠা কলম্বিয়ার ধ্বংসলীলার ভিডিও
-
১২ আগস্ট সূর্যগ্রহণ! রান্নাঘর থেকে ঠাকুরঘর, কোন কাজ এড়িয়ে চলবেন, জানুন কী কী করা উচিত
-
বিশ্বকাপ খেলাতে আমেরিকায় ঢুকতে দেননি ট্রাম্প, এবার ইতিহাস গড়লেন সেই রেফারি
-
কেটে বসানো বা স্ট্যাম্প নয়! স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে ফুলিয়ায় তাঁতের বুননে তৈরি জাতীয় পতাকা