প্রতি তিন-চার বছর অন্তরই কি বদলানো হবে নোট?

নোট জাল রুখতেই নয়া পন্থার কথা ভাবছে কেন্দ্র।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২৩, ২০১৯, ১৩:৪৪

options
link
প্রতি তিন-চার বছর অন্তরই কি বদলানো হবে নোট?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ফের একবার নোট নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্র। এবার থেকে প্রতি তিন-চার বছর অন্তর বদলানো হবে নতুন ২০০০ এবং ৫০০ টাকার নোটের বৈশিষ্ট্যগুলি। নোট যাতে সহজে জাল না করা যায়, সেদিকে নজর দিতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই বিষয়ে আলোচনা করতেই গত বৃহস্পতিবার একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে বসেছিল কেন্দ্রীয় অর্থ ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব রাজীব মেহর্ষিও। বৈঠকের পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের এক আধিকারিক জানান, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে প্রতি ৩-৪ বছর অন্তর নোট জাল হওয়া রুখতে সেখানকার মুদ্রার বিভিন্ন বৈশিষ্ট্যে পরিবর্তন আনা হয়। তাই ভারতেও একই পন্থা শুরু করার কথা ভাবা হচ্ছে।

Advertisement

[সাপে কাটা রোগীকে বাঁচাতে নজিরবিহীন পদক্ষেপ ভারতীয় অধ্যাপকের]

নোট বাতিলের আগে পর্যন্ত ১০০০ টাকার নোটের ক্ষেত্রে কখনও কোনও পরিবর্তন করা হয়নি। শুধু তাই নয, ১৯৮৭ সালে বাজারে আসা ৫০০ টাকার নোটেরও গত এক দশকের ভিতর কোনও পরিবর্তন হয়নি। ফলে বাজারে যথেচ্ছভাবে জাল নোট ছড়িয়ে পড়ে। কিন্তু নোট বাতিলের পর প্রাথমিকভাবে অবস্থা কিছুটা সামাল দেওয়া গেলেও, পরবর্তীকালে দেখা যায় বাজারে আসা নতুন ৫০০ এবং ২০০০ টাকার নোটও জাল করে ফেলা হচ্ছে। ধরা পড়া জাল নোট পরীক্ষা করে দেখা যায়, আসল নোটের ১৭টি বৈশিষ্ট্যের মধ্যে ১১টিই একেবারে নিখুঁত রয়েছে জাল নোটে। ফলে নোট আসল না নকল একবার দেখে সেটা বোঝা কখনই সম্ভব নয়।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[প্রাইম মেম্বারশিপ না নিলে বন্ধ হবে Jio-র পরিষেবা?]

দেখা যাচ্ছে, জাল নোটে অশোক স্তম্ভ থেকে শুরু করে ওয়াটার মার্ক, দেবনগরী অক্ষরে লেখা নোটের অঙ্কের পরিমাণও হুবহু নকল করা হয়েছে। তবে কাগজের মানের ক্ষেত্রে কিছুটা পরিবর্তন অবশ্য লক্ষ্য করা যায়। আধিকারিকদের মতে, প্রতি তিন-চার বছরে নোটের বৈশিষ্ট্যের পরিবর্তন করা হলে জাল নোট তৈরি অনেকাংশে রোখা সম্ভব হবে।এদিকে, সামনে এসেছে আরও একটি ভয়ানক তথ্য। যে সমস্ত নকল নোট পাচারকারী পুলিশের জালে ধরা পড়েছে তাঁদেরই একজন জানিয়েছে, নকল নোটগুলি তৈরি হয়েছে পাকিস্তানে। এরপরেই বাংলাদেশ হয়ে ভারতে প্রবেশ করেছে সেটি। এই বিষয়টির ওপর নজর রাখছে কেন্দ্র।

Advertisement

[খাদ্যে বিষক্রিয়ার জেরে অসুস্থ প্রায় ৪০০ জন সিআরপিএফ জওয়ান]

কালো টাকা উদ্ধারের জন্য গত বছর ৮ নভেম্বর ৫০০ এবং ১০০০ টাকার নোট বাতিলের কথা ঘোষণা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। পাশাপাশি বাজারে ছেয়ে থাকা নকল নোট নষ্ট করাও ছিল তাঁর লক্ষ্য। ফলে পুরনো ৫০০ এবং ১০০০ টাকার নোটের বদলে বাজারে আসে নতুন ২০০০ এবং ৫০০ টাকার নোট। কিন্তু দেখা যায়, সেই নোটও যথেচ্ছভাবে জাল করা হচ্ছে। নোট বাতিলের পরবর্তী সময়ে এরকম প্রচুর জাল নোট উদ্ধার হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই কারণেই নোটের বৈশিষ্ট্য বদলের সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে কেন্দ্র। তবে অনেকেই আশঙ্কা করছেন, তাহলে প্রতি তিন-চার বছর অন্তরই কী বাতিল হবে নোট? যদিও এব্যাপারে এখনও পর্যন্ত কোনও সদুত্তর মেলেনি।

[ভুয়ো খবরে এপ্রিল ফুলের শিকার এবার প্রাক্তন পাক মন্ত্রীও]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন