Bihar seat sharing

বিহারের মহাজোটে আসন জট, কম আসনে লড়বে কংগ্রেস, শরিকদের সন্তুষ্ট করতে হিমশিম তেজস্বী

বিহারে এবার বেশি আসনে লড়তে পারে বামেরা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৯, ২০২৫, ১৮:০২

options
link
বিহারের মহাজোটে আসন জট, কম আসনে লড়বে কংগ্রেস, শরিকদের সন্তুষ্ট করতে হিমশিম তেজস্বী

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিহারে আসনরফা নিয়ে মুষলপর্ব আরজেডি নেতৃত্বাধীন মহাজোটে। কংগ্রেস, সিপিআইএমএল (লিবারেশন), সিপিআই, সিপিএম, মুকেশ সাহানির ভিআইপি পার্টি এবং পশুপতি পারসের দাবি মেটাতে গিয়ে নাজেহাল দশা তেজস্বী যাদবের। শোনা যাচ্ছে, শরিকদের জায়গা দিতে গিয়ে কংগ্রেসকে অনেকটাই আত্মত্যাগ করতে হচ্ছে। ‘ত্যাগ’ করতে হবে আরজেডিকেও।

Advertisement

বিহারে ২০২০ বিধানসভা নির্বাচনে আরজেডি এবং বামেদের সঙ্গে জোটে লড়েছিল কংগ্রেস। সেবার আরজেডি এবং বামেরা ভালো ফল করলেও কংগ্রেসের স্ট্রাইক রেট তুলনায় অনেকটাই কম ছিল। ৭০ আসনে হাত শিবির জেতে মাত্র ১৭টি। যা নিয়ে পরে শরিকদের মধ্যে অসন্তোষও তৈরি হয়। বস্তুত ২০২৪ লোকসভাতেও বিহারে বিশেষ সুবিধা করতে পারেনি হাত শিবির। যার জেরে এবার তেজস্বী যাদবের নেতৃত্বাধীন আরজেডি কংগ্রেসকে বেশি আসন ছাড়তে নারাজ। আরজেডির তরফ থেকে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে ২৪৩ আসনের মধ্যে কংগ্রেসকে বড়জোর ৪৫-৫৫ আসন ছাড়া হতে পারে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

আরজেডির ভাবগতিক বুঝে গত কয়েকমাসে বিহারে শক্তি বাড়ানোর চেষ্টা করছে কংগ্রেস। সেরাজ্যের রাজ্য সভাপতি পদে বদল আনা হয়েছে। লালুপ্রসাদ যাদবের ঘনিষ্ঠ অখিলেশ সিংকে সরিয়ে আনা হয়েছে রাজেশ কুমারকে। প্রদেশ পর্যবেক্ষক পদে আগেই এসেছেন রাহুল গান্ধীর ঘনিষ্ঠ কৃষ্ণা আলুভারু। এমনকী দিল্লি থেকে কানহাইয়াকে বিহারে পাঠিয়ে প্রচারের মুখ করা হয়েছে। কানহাইয়াও রাজ্যে পদযাত্রা শুরু করে দিয়েছেন। কংগ্রেস নেতারা মাঝে মাঝে হুঙ্কারও দিচ্ছিলেন, জোটে যোগ্য সম্মান না পেলে একাই লড়ার জন্য প্রস্তুত কংগ্রেস। কিন্তু শেষমেশ শোনা যাচ্ছে জোটের সূত্র মেনে ৪৫-৫৫ আসনেই সন্তুষ্ট থাকতে পারে হাত শিবির।

Advertisement

শোনা যাচ্ছে, ২৪৩ আসলের মধ্যে অন্তত ১৪০টিতে লড়তে চায় আরজেডি। কংগ্রেসকে ছাড়া হবে ৪৫-৫৫টি আসন। বামেদের সব মিলিয়ে গোটা তিরিশেক আসন দেওয়া হতে পারে। এর মধ্যে সিপিআইএমএল (লিবারেশন) একাই গোটা ২০ আসন পেতে পারে। মুকেশ সাহানির ভিআইপি পার্টিকে দেওয়া হতে পারে ১০ আসন। সদ্য বিজেপি থেকে আসা পশুপতি পরসকে ছাড়া হতে পারে ৬টি আসন। সমস্যা হল, বামেদের দাবি অন্তত ৫০ আসন। মুকেশ সাহানিরও দাবি অন্তত ৩০ আসন। বিহারে আসন দাবি করেছে ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চাও। কংগ্রেস বেশি আসন দাবি না করলেও তারা নিজেদের পছন্দ মতো আসন চাইছে। যার ফলে সবদিক সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে আরজেডি।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন