Narottam Mishra

প্রাক্তন মন্ত্রী টিকিট না পাওয়ায় ক্ষোভ, মধ্যপ্রদেশে পুলিশের সঙ্গে সংঘাত বিজেপি কর্মীদের

আগামী ৩০ জুলাই মধ্যপ্রদেশের দাতিয়া কেন্দ্রের উপনির্বাচন। সে রাজ্যের প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তথা ওই কেন্দ্রের প্রাক্তন বিধায়ক নরোত্তম মিশ্র দাতিয়া থেকে টিকিট চেয়েছিলেন।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১১, ২০২৬, ১৩:৪২

options
link
প্রাক্তন মন্ত্রী টিকিট না পাওয়ায় ক্ষোভ, মধ্যপ্রদেশে পুলিশের সঙ্গে সংঘাত বিজেপি কর্মীদের
মধ্যপ্রদেশে তাণ্ডব বিজেপি কর্মীদের। ছবি: সোশাল মিডিয়া।

বিজেপির অন্দরের কলহ প্রকাশ্যে! রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন কর্মীরা। জাতীয় সড়ক অবরোধ, এমনকী পুলিশের গায়েও হাত। গত ১২ বছরে বিজেপির গোষ্ঠীকোন্দল এভাবে রাস্তায় নেমে আসার দৃশ্য দেখা যায়নি। কিন্তু এবার এই কাণ্ডটাই ঘটল মধ্যপ্রদেশে। প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নরোত্তম মিশ্র উপনির্বাচনে টিকিট না পাওয়ায় সে রাজ্যে রীতিমতো তাণ্ডব চালাচ্ছেন বিজেপি কর্মীরা।

Advertisement

আসলে আগামী ৩০ জুলাই মধ্যপ্রদেশের দাতিয়া কেন্দ্রের উপনির্বাচন। সে রাজ্যের প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তথা ওই কেন্দ্রের প্রাক্তন বিধায়ক নরোত্তম মিশ্র দাতিয়া থেকে টিকিট চেয়েছিলেন। নরোত্তম দীর্ঘদিন দাতিয়ার বিধায়ক ছিলেন। এখনও রাজ্য বিজেপির প্রথম সারির নেতা। কিন্তু ২০২৩ বিধানসভা নির্বাচনে ওই কেন্দ্রে পরাস্ত হন। কংগ্রেসের টিকিটে বিধায়ক হন রাজেন্দ্রকুমার ভারতী। কিন্তু ব্যাঙ্ক জালিয়াতি সংক্রান্ত একটি মামলায় তিন বছর জেলের সাজা হওয়ায় তাঁর পদ খারিজ হয়েছে। ওই কেন্দ্রে উপনির্বাচনে ফের টিকিট প্রার্থী ছিলেন নরোত্তম।

Advertisement

কিন্তু বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্ব তাঁকে টিকিট না দিয়ে যুবনেতা আশুতোষ তিওয়ারিকে প্রার্থী করেছে। তাতেই ক্ষুব্ধ নরোত্তম অনুগামীরা। রীতিমতো রাস্তায় নেমে তাণ্ডব করেছেন রাজ্যের প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর অনুগামীরা। শুক্রবার প্রায় ১২ ঘণ্টা ৪৪ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ করেন কয়েক হাজার নরোত্তম সমর্থক। ভাঙচুর করা হয় বিজেপি দপ্তরে। এমনকী পুলিশের সঙ্গে বিজেপি সমর্থকদের খণ্ডযুদ্ধও চলে। পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট পাথরও ছোড়া হয়েছে। যার জেরে বেশ কয়েকজন বিজেপি কর্মী আহত হয়েছেন।

Advertisement

মনে করা হচ্ছে মুখ্যমন্ত্রী মোহন যাদবের সঙ্গে বিবাদের জেরেই টিকিট পাননি নরোত্তম। যার খেসারত দিতে হয়েছে আমজনতাকে। নরেন্দ্র মোদি ও অমিত শাহর জমানায় এভাবে বিজেপির গোষ্ঠীকোন্দল কোথাও প্রকাশ্যে এসেছে বলে মনে করতে পারছেন না কেউই। স্বাভাবিকভাবেই দলের নিচুতলার উপর কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের রাশ কমছে কিনা প্রশ্ন উঠছে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.