কর্পোরেট সংস্থার কাছ থেকে ৭০৫ কোটি টাকা অনুদান পেয়েছে বিজেপি!

এমনটাই উঠে এসেছে এক নজরদারি সংস্থার সমীক্ষায়।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৮, ২০১৭, ০৭:৪৮

options
link
কর্পোরেট সংস্থার কাছ থেকে ৭০৫ কোটি টাকা অনুদান পেয়েছে বিজেপি!

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: অনুদানের নিরিখে সমস্ত রাজনৈতিক দলকে ছাপিয়ে গেল ভারতীয় জনতা পার্টি। চার বছরে বিজেপির ভাঁড়ারে জমা পড়েছে প্রায় ৭০৫ কোটি টাকার অনুদান। এবং তার সিংহভাগ এসেছে কর্পোরেট সংস্থাগুলির কাছ থেকে। এমনটাই জানিয়েছে ‘অ্যাসোসিয়েশন ফর ডেমোক্রেটিক রিফর্ম’ (এডিআর)-এর একটি নয়া রিপোর্ট।

Advertisement

[অশান্ত পরিস্থিতিতে সেনার মনোবল বাড়াতে লাদাখ যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি]

Advertisement

২০১৪ সালে ‘মোদি ম্যাজিকে’ ভর করে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে দিল্লির মসনদে আসে বিজেপি। রিপোর্ট বলছে, তারপর ক্রমশই ফুলে ফেঁপে উঠছে গেরুয়া শিবিরের ভাঁড়ার। সঙ্গতি রেখে বেড়েছে অনুদান পাওয়ার পরিমাণও। সদস্য সংখ্যার বিচারে ভারতের বৃহত্তম দল বিজেপি, দাবি দলীয় শীর্ষ নেতা-কর্মীদের। আদানি, আম্বানি-সহ দেশের প্রভাবশালী শিল্পপতিদের সঙ্গে ‘খাতির’ রয়েছে বিজেপির, অভিযোগ বিরোধী দলগুলির। রিপোর্টেও দেখা যাচ্ছে, ওই কর্পোরেটদের কাছ থেকেই বিশাল অঙ্কের আর্থিক অনুদান এসেছে গেরুয়া শিবিরে।

Advertisement

কর্পোরেটদের হয়ে কাজ করে বিজেপি,  এমনটাই অভিযোগ জানিয়ে এসেছেন কংগ্রেস সহ-সভাপতি রাহুল গান্ধী। এবার সেই অভিযোগই আরও জোরাল হয়েছে এডিআর-এর রিপোর্টে। ২০১২ থেকে ২০১৫-১৬ আর্থিক বছর পর্যন্ত একটি সমীক্ষা চালায় সংস্থাটি। সমীক্ষার পর দেখা গিয়েছে, ওই সময় মোট পাঁচটি জাতীয় স্তরের রাজনৈতিক দলের মধ্যে সবচেয়ে বেশি, প্রায় ৭০৫ কোটি টাকার অনুদান পেয়েছে বিজেপি। প্রায় ২ হাজার ৯৮৭ জন ব্যবসায়ী আর্থিক অনুদান দিয়েছেন মোদির দলকে। অনুদান পাওয়ার হিসাবে দ্বিতীয় স্থানেই রয়েছে বিজেপির বিরুদ্ধে অভিযোগকারী কংগ্রেস। সোনিয়া গান্ধীর দলের ভাঁড়ারে এসেছে প্রায় ১৯৮ কোটি টাকার অনুদান। ওই টাকা এসেছে ১৬৭ জন ব্যবসায়ীর কাছ থেকে। তালিকায় সবার নিচে রয়েছে সিপিআই ও সিপিএম।

[ভ্যান নিয়ে নিরীহ পথচারীদের পিষে হত্যা আইএসের, বার্সেলোনায় মৃত্যুমিছিল]

প্রসঙ্গত, রাজনৈতিক দলগুলিকে অনুদান সম্পূর্ণ করমুক্ত। অভিযোগ, কিছু অসাধু ব্যবসায়ী রাজনৈতিক দলে অনুদান দিয়ে কালো টাকা সাদা করে নিচ্ছেন। তাই নোটবাতিলের পর রাজনৈতিকদলগুলিতে নগদ অনুদানের পরিমাণ বেড়ে যায়। উল্লেখ্য, এই প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা আনতে এবছরের সাধারণ বাজেটে বেশ কয়েকটি বড় ঘোষণা করেছিলেন অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি। তিনি জানিয়েছিলেন ২ হাজার টাকার বেশি নগদ অনুদান নিতে পারবে না কোনও রাজনৈতিক দল। আগে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত নগদ অনুদান নিতে পারত দলগুলি। এছাড়াও বাধ্যতামূলকভাবে প্রত্যেক দলকে আয়কর রিটার্ন জমা করতে হবে বলেও জানিয়েছিলেন অর্থমন্ত্রী। তবে যাই হোক না কেন, সেই প্রয়াস কতটা সফল হবে তা সময়ই বলবে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.