PM Modi

‘ব্রহ্মস রাতের ঘুম কেড়েছিল পাকিস্তানের’, শরিফের মন্তব্যের পরই আক্রমণ মোদির

'অপারেশন সিঁদুর এখনও শেষ হয়নি', বলছেন মোদি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৩০, ২০২৫, ২০:৪৯

options
link
‘ব্রহ্মস রাতের ঘুম কেড়েছিল পাকিস্তানের’, শরিফের মন্তব্যের পরই আক্রমণ মোদির
ফাইল ছবি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ব্রহ্মস ক্ষেপণাস্ত্র কেড়ে নিয়েছিলেন পাকিস্তানের রাতের ঘুম। কানপুরে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এভাবেই আক্রমণ করলেন ইসলামাবাদকে। সেই সঙ্গেই তিনি জানালেন, পরিস্থিতি এমন দাঁড়িয়েছিল শত্রুপক্ষ হাতজোড় করে অপারেশন সিঁদুর থামাতে বলেছিল।

Advertisement

এদিন মোদিকে বলতে শোনা যায়, ”আমরা ওদের ভূখণ্ডে থাকা শিবিরগুলিতে ঢুকে পড়ে ধ্বংস করে দিয়েছিলাম। আমাদের সেনা এমন বিক্রমের পরিচয় দিয়েছিল যে পাক সেনা হাতজোড় করে যুদ্ধ থামানোর আর্জি জানিয়েছিলেন। আমি শত্রুপক্ষকে বলত চাই, যারা অপারেশন সিঁদুর থামানোর আর্জি জানিয়েছিলেন, বোকা হয়ে লাভ নেই। অপারেশন সিঁদুর এখনও শেষ হয়নি।” সেই সঙ্গেই মোদি বলেন, ব্রহ্মস মিসাইল পাকিস্তানিদের রাতের ঘুম কেড়ে নিয়েছিল।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

মোদির ‘ব্রহ্মস-খোঁচা’র নেপথ্যে রয়েছে পাক প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সাম্প্রতিক মন্তব্য। তিনি বলেছিলেন, ”৯ ও ১০ মে-র মাঝের রাতে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম ভারতের আগ্রাসনের জবাব দেব। আমাদের সশস্ত্র সেনা ভোর সাড়ে চারটেয় ফজর প্রার্থনার শেষে ওদের শিক্ষা দেবে বলে পরিকল্পনা করে। কিন্তু তার আগেই ভারত ব্রহ্মস নিয়ে হামলা চালায়। পাকিস্তানের বহু প্রদেশেই আক্রমণ করে। যার মধ্যে ছিল রাওয়ালপিন্ডি বিমান বন্দরও।” এবার সেই প্রসঙ্গেই খোঁচা দিলেন মোদি।

সূত্রানুযায়ী, ভারতের প্রত্যাঘাতে সিঁটিয়ে গিয়েছিল পাকিস্তান। অপারেশন সিঁদুরের পরই সংঘর্ষবিরতির জন্য দিল্লিকে ফোন করে ইসলামাবাদ। কিন্তু পাকিস্তানের এই প্রস্তাব যথেষ্ট সন্দেহজনক ছিল। কারণ, ততক্ষণে পাক সেনা নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর গোলাবর্ষণ শুরু করে দিয়েছিল। যদিও এরপর সংঘর্ষবিরতিতে সম্মত হয় দুই দেশ।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.