‘মুখ্যমন্ত্রীর সামনে গেলে সাবান দিয়ে স্নান করে, পাউডার লাগিয়ে যাবে!’

দলিতদের এমনই নির্দেশ দিলেন যোগীর রাজ্যের সরকারি আমলারা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৬, ২০১৭, ০৫:৪৮

options
link
‘মুখ্যমন্ত্রীর সামনে গেলে সাবান দিয়ে স্নান করে, পাউডার লাগিয়ে যাবে!’

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ‘মুখ্যমন্ত্রীর সামনে গেলে স্নান করে, পাউডার লাগিয়ে যাবে!’ দলিত বস্তিবাসীদের এমনই নিদান দিলেন সরকারি আধাকারিকরা। যোগীর রাজ্যে গোরক্ষার নামে একের পর এক হাঙ্গামার পর এবার জন্তু-জানোয়ারদের মতো ব্যবহার করা হচ্ছে দলিতদের সঙ্গে। কিছুদিন আগে সাহারানপুরে এক ঠাকুর সম্প্রদায়ের ব্যক্তিকে খুন করার অভিযোগে ঠাকুর ও দলিত সম্প্রদায়ের মধ্যে বাধে সংঘর্ষ। ক্রমে তা দাঙ্গার আকার নেয়। দলিতদের নির্মমভাবে মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ। এখনও পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়নি। তার মধ্যেই এবার নয়া বিতর্কে জড়ালেন যোগীর আমলারা। উত্তরপ্রদেশের কুশীনগরের মেইনপুরকোটের এক দলিত বস্তিতে গিয়ে বাসিন্দাদের এমনই নির্দেশ দিয়েছেন সরকারি আধিকারিকরা। শুধু তাই নয়, মুখ্যমন্ত্রীর সামনে দরবার করতে যাওয়ার আগে আধিকারিকরা ওই বস্তিতে সাবান, শ্যাম্পু, পাউডার এবং আতর বিলি করেছে। এবং বস্তিবাসীদের তাঁরা সাফ জানিয়েছেন, মুখ্যমন্ত্রী যখন পরিদর্শনে আসবেন তখন এগুলি ব্যবহার করে পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন হয়ে থাকতে। পাপ কখনও ঢাকা থাকে না। তাই এই ঘটনা চাউর হতেই তৈরি হয়েছে বিতর্ক।

Advertisement

[নিরীহদের হত্যাকারীদের সঙ্গে কীসের আলোচনা, আইয়ারকে কটাক্ষ অনুপমের]

বৃহস্পতিবার কুশীনগরের ওই গ্রাম পরিদর্শনে আসেন মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। তবে এই ২৫ মিনিটের পরিদর্শনের জন্য অনেকদিন আগে থেকেই আদাজল খেয়ে উন্নয়নের কাজে লেগে পড়েছিলেন আমলারা। এই ২৫ মিনিটে যাতে মুখ্যমন্ত্রীর নজরে কোনও অনুন্নয়ন, ভুল-ত্রুটি না পড়ে তার জন্যই যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে উন্নয়ন থেকে কয়েক যোজন দূরে থাকা এই গ্রামে কাজ করছিলেন আধিকারিকরা। কী কাজ? নর্দমা পরিস্কার থেকে শুরু করে দলিতদের বাড়ি-ঘর পরিচ্ছন্ন রাখা, শৌচাগার বানিয়ে দেওয়া। কোথাও রাস্তা-ঘাট পাকা করে দেওয়া, এসবই হয়েছে যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে। গ্রামের এক প্রবীণ বাসিন্দা জানিয়েছেন, সাহেবরা এলেন আর সাবান, শ্যাম্পু, পাউডার, পারফিউম বিলি করলেন। বললেন যে, এগুলি লাগিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর সামনে যেতে। তবে এই খবর জানাজানি হতেই প্রশ্ন উঠেছে, কেন আধিকারিকরা এমনটা করতে গেলেন খামোকা? তাঁদের কি মুখ্যমন্ত্রীর দপ্তর থেকে এমন নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল? আর যদি এমনটা না হয় তাহলে কি মুখ্যমন্ত্রীর চোখে ধুলো দেওয়ার চেষ্টা করছেন তাঁরা, জোরাল হচ্ছে প্রশ্ন।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[‘যতদিন কাশ্মীর অশান্ত, ততদিন বিচ্ছিন্নতাবাদীদের সঙ্গে কোনও কথা নয়’]

Advertisement

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.