প্রণব সরকার, আগরতলা: ত্রিপুরার দুটি আসনের উপনির্বাচনে কার্যত ধরাশায়ী বামেরা। বিরাট ব্যবধানে জয়লাভ করল বিজেপি। এমনকী আগেরবার যে বক্সনগর আসনে সিপিএম জিতেছিল, সেখানে বাম প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। হাতছাড়া হয়েছে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকারের প্রাক্তন কেন্দ্র ধনপুরও।
বক্সনগরে ৩০ হাজার ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন বিজেপির প্রার্থী তোফাজ্জল হোসেন। অন্যদিকে, ধনপুর কেন্দ্র ১৮ হাজার ভোটে জয়ী হয়েছেন বিজেপি প্রার্থী বিন্দু দেবনাথ। দু’টি আসনের মধ্যে বক্সনগর কেন্দ্র ছিল সিপিএমের দখলে। এই কেন্দ্রে সিপিএম প্রার্থীর মৃত্যুর পর উপনির্বাচন হয়। অন্যদিকে ধনপুরে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রতিমা ভৌমিকের পদত্যাগের পর এই আসনে উপনির্বাচন হয়।
[আরও পড়ুন: ‘একদম ঠিক কাজ করেছে ভারত’, প্রথমবার মোদি সরকারের নীতিকে সমর্থন মনোমোহনের]
যদিও উপনির্বাচনে ব্যাপক রিগিং ও কারচুপির অভিযোগে গণনা বয়কট করেছে সিপিএম। সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক জীতেন চৌধুরী অভিযোগ করেছেন, নির্বাচনের দিন ব্যাপক ছাপ্পা হয়েছে। ভোট বাতিলেরও দাবি করেছে বামেরা। যদিও বিজেপির রাজ্য সভাপতি রাজীব ভট্টাচার্য বলেছেন, সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হয়েছে। হারের অজুহাত খুঁজছে বামেরা। কমিশনও ভোট শান্তিপূর্ণ হয়েছে বলেই দাবি করেছে।
[আরও পড়ুন: ফুচকা থেকে রসগোল্লা, জি-২০ অতিথিদের মধ্যাহ্নভোজের মেনুতে আর কী?]
এ তো গেল ত্রিপুরা। অন্যান্য রাজ্যের উপনির্বাচনের মধ্যে উত্তরপ্রদেশের ঘোসি (Ghosi) বিধানসভা কেন্দ্রটিতে ভালমতো ধাক্কা খেয়েছে গেরুয়া শিবির। ওই কেন্দ্রটিতে বিজেপির থেকে ভাল ব্যবধানে এগিয়ে ইন্ডিয়া জোটের সঙ্গী অখিলেশ যাদব। তবে, নিজেদের দখলে থাকা উত্তরাখণ্ডের বাগেশ্বর আসনটিতে সামান্য ব্যবধানে এগিয়েই আছে বিজেপি (BJP)। ঝাড়খণ্ডের ডুমরিতেও এগিয়ে বিজেপির জোটসঙ্গী আজসু পার্টি। কেরলের পুথুপল্লিতে এগিয়ে কংগ্রেসের চাণ্ডি ওমেন (Chandi Omen)। এরাজ্যে ধূপগুড়িতে এগিয়ে তৃণমূল।
সর্বশেষ খবর
-
বন্যায় কাঁদছে অসম! এখনও ক্ষতিগ্রস্ত লক্ষাধিক মানুষ, ১১ হাজার হেক্টর কৃষিজমি জলমগ্ন, মৃত ১০০
-
পরমাণু চুক্তি নিয়ে সুর নরম, ইরান হরমুজে খুলে দিলেই নিষ্ফলা যুদ্ধে ইতি টানবেন ট্রাম্প!
-
মোটা মাইনের চাকরির টোপ দিয়ে কলকাতার যুবকদের উজবেকিস্তানে ‘পাচার’, তারপর…
-
রাজারহাটের অভিজাত আবাসনে পানীয় জলদূষণ! অসুস্থ বহু বাসিন্দা, তুমুল উত্তেজনা এলাকায়
-
অটো চালিয়ে অসুস্থকে বিনামূল্যে পৌঁছে দেন হাসপাতালে, ভাইরাল গভীর রাতের ‘শেরনি’