পাঞ্জাব বিজেপিতে বড়সড় ভাঙন কি সময়ের অপেক্ষা? জল্পনা ক্যাপ্টেন অমরিন্দর সিংকে নিয়ে। পাঞ্জাবের রাজনীতির অন্যতম মহীরুহ বেশ কিছুদিন ধরেই বিজেপিতে কোণঠাসা। এবার প্রকাশ্যেই নিজের দল নিয়ে ক্ষোভপ্রকাশ করে পুরনো দল কংগ্রেসে ফেরার ইঙ্গিত দিলেন ক্যাপ্টেন। তিনি স্পষ্টই বলে দিচ্ছেন, বিজেপি তাঁর কাছে কোনওরকম মতামত নেওয়ার প্রয়োজন মনে করে না।
আরও পড়ুন:
অমরিন্দর সিং, পাঞ্জাবের একাধিকবারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। কংগ্রেসের সঙ্গে তাঁর পুরনো সম্পর্ক। গান্ধী পরিবারের সঙ্গেও তাঁর ব্যক্তিগত সখ্য রয়েছে। তিনি রাজীব গান্ধীর সহপাঠী ছিলেন। সেই সূত্রে সোনিয়া গান্ধী-রাহুল গান্ধীদের সঙ্গে ব্যক্তিগত সুসম্পর্ক রয়েছে তাঁর। ২০১৭ সালে দলের অভ্যন্তরীণ কোন্দলের জন্য কংগ্রেস ছাড়েন ক্যাপ্টেন। আলাদা করে পাঞ্জাব লোক কংগ্রেস নামের একটি দল গড়েন তিনি। কিন্তু সেই দল ২০১৭ বিধানসভা নির্বাচনে বিশেষ প্রভাব ফেলতে পারেনি। পরে নিজের গোটা দলকে বিজেপিতে মিলিয়ে দেন তিনি। তখনও তাঁর ঘনিষ্ঠ যেসব নেতারা কংগ্রেসে ছিলেন তাঁরাও বিজেপিতে যোগ দেন।
কিন্তু, ইদানিং সেভাবে গেরুয়া শিবিরেও কল্কে পাচ্ছেন না অমরিন্দর। দলে একপ্রকার কোণঠাঁসা তিনি। তাঁর ঘনিষ্ঠদেরও সেভাবে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে না। এই পরিস্থিতিতে দিন কতক আগে জেন জি পড়ুয়াদের সঙ্গে আলাপচারিতায় রাহুল গান্ধী ক্যাপ্টেনের প্রশংসা করেন। রাহুলকে প্রশ্ন করা হয়, বিজেপিতে আপনার প্রিয় নেতা কে? সে প্রশ্নের জবাবে বিরোধী দলনেতা সাফ বলে দেন, “ক্যাপ্টেন অমরিন্দর সিং। ওর সঙ্গে আমার খুব ভালো সম্পর্ক। ভারতীয় সেনার ইতিহাস সম্পর্কে তিনি অনেক কিছু জানেন।”
এবার অমরিন্দর নিজেই প্রকাশ্যে বিজেপি নিয়ে ক্ষোভপ্রকাশ করলেন। তিনি বলছেন, “আমি ৬০ বছর ধরে পঞ্জাবে রাজনীতি করছি। কিন্তু বিধানসভা ভোটের আগে বিজেপি নেতৃত্ব আমার কোনও মতামত নেওয়ারই প্রয়োজন মনে করেন না। আশা করি ওরা আমার অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগাতে চাইবে।” বিজেপি ছাড়ার সম্ভাবনা সম্পর্কে জানতে চাওয়া হলে প্রাক্তন সেনাকর্তার ইঙ্গিতপূর্ণ বক্তব্য, “রাজনৈতিক দলগুলিও পরিবর্তিত হয়। নেতাদের অবস্থানও বদলায়। তবে এখনই আমি বিজেপি ছাড়ার কথা ভাবছি না।”
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
‘শুধরে যাও, নাহলে…’, নাম না করে রাষ্ট্রসংঘে ফের ‘সন্ত্রাসী’ পাকিস্তানকে তুলোধোনা জয়শংকরের
-
পুরভোটের আগে ফের সাংগঠনিক রদবদল বঙ্গ বিজেপিতে, বড় দায়িত্বে সজল
-
ভিনিসিয়াস-নুনেজদের স্বাগত জানাতে সেজে উঠছে যুবভারতী
-
রাষ্ট্রসংঘে মহানাটক! ইরানের দূতকে রহস্যময় উপহার দিতে গেলেন ইজরায়েলের প্রতিনিধি, তারপর…
-
২৪ দিনে ৫৫ নবজাতকের মৃত্যু! বিতর্কে কী বলছে মালদহ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল?