Mallikarjun Kharge

‘কেন্দ্রের পুতুল, রিমোর্ট কন্ট্রোলে চলেন’, অবিজেপি রাজ্যের রাজ্যপালদের তুলোধোনা খাড়গের

কেন্দ্র ও রাজ্যপালকে একযোগে নিশানা করে মল্লিকার্জুন খাড়গে বলেন, "প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক সরাসরি নির্দেশ দিচ্ছে রাজ্যপালদের। সেই নির্দেশ মেনেই বিধানসভায় বক্তৃতা না পড়েই চলে যাচ্ছেন রাজ্যপাল।"

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৫, ২০২৬, ১৭:৫৯

options
link
‘কেন্দ্রের পুতুল, রিমোর্ট কন্ট্রোলে চলেন’, অবিজেপি রাজ্যের রাজ্যপালদের তুলোধোনা খাড়গের
ফাইল ছবি

অবিজেপি রাজ্যগুলিতে সরকার ও রাজ্যপালের দ্বন্দ্বের মাঝেই এবার সরব কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে (Mallikarjun Kharge)। রাজ্যপালদের কেন্দ্রের হাতের পুতুল, রিমোর্ট কন্ট্রোলে পরিচালিত বলে অভিযোগ তুলে খাড়গের দাবি, অবিজেপি রাজ্যগুলিতে সরকারকে বিরক্ত করাই এখন রাজ্যপালের প্রধান কাজ হয়ে উঠেছে। বিজেপিকে না সরাতে পারলে এরা দেশে নিরঙ্কুশ শাসন প্রতিষ্ঠা করতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।

Advertisement

সম্প্রতি কর্নাটকে এক সরকারি অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে কেন্দ্র ও রাজ্যপালকে একযোগে নিশানা করেন মল্লিকার্জুন খাড়গে। তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক সরাসরি নির্দেশ দিচ্ছে রাজ্যপালদের। সেই নির্দেশ মেনেই বিধানসভায় বক্তৃতা না পড়েই চলে যাচ্ছেন রাজ্যপাল। এই পরিস্থিতি শুধু কর্নাটকের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, তামিলনাড়ু, কেরালার মতো যেখানেই অবিজেপি সরকার রয়েছে সেখানেই এই ধরনের অশান্তি তৈরি করা হচ্ছে।”

Advertisement

খাড়গের আরও দাবি, “রাজ্যপালরা যে এই ধরনের কর্মকান্ড উপরমহলের নির্দেশ করে থাকেন সেকথা ব্যক্তিগত পরিসরে তাঁরা স্বীকারও করেন। এই বিজেপি সরকার রাজ্যপালদের পুতুলে পরিণত করেছে। রাজ্যপালরা সরকারের কোনও ভালো কাজ বা বিলে সই করতে অসম্মতি প্রকাশ করেন এবং ফেরত পাঠান। এভাবেই দ্বন্দ্ব বাড়িয়ে দেশকে ভুল পথে চালিত করছে কেন্দ্রের বিজেপি সরকার।”

Advertisement

উল্লেখ্য, সম্প্রতি কর্নাটকে রাজ্য সরকারের লিখে দেওয়া ভাষণ পাঠ না করে মাত্র ২টি বাক্যে ভাষণ শেষ করে বিধানসভা ছাড়েন রাজ্যপাল থাওয়ারচাঁদ গেহলট। এই ঘটনায় বিতর্ক চরম আকার নেয়। থাওয়ারচাঁদের এহেন কার্যকলাপকে ‘সংবিধান লঙ্ঘন’ বলে তোপ দাগেন কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া। জানা গিয়েছে, কংগ্রেস সরকারের লিখে দেওয়া ভাষণের ১১টি অনুচ্ছেদ নিয়ে আপত্তি জানান রাজ্যপাল। ওই অনুচ্ছেদগুলিতে বিকশিত ভারত-গ্যারান্টি ফর রোজগার অ্যান্ড আজীবিকা মিশন (গ্রামীণ)বা সংক্ষেপে জিরামজি আইন নিয়ে কেন্দ্রের সমালোচনা করা হয়েছিল। রাজ্যপালের মতে, ভাষণের এই অংশগুলি রাজনৈতিকভাবে পক্ষপাতদুষ্ট। এরপরই মাত্র দু’লাইনের ভাষণ দিয়ে বিধানসভা ছাড়েন তিনি। রাজ্যপাল হিন্দিতে বলেন, “আমার সরকার রাজ্যের অর্থনৈতিক এবং সামাজিক অগ্রগতির গতি দ্বিগুণ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। জয় হিন্দ, জয় কর্নাটক।” রাজ্যপালের এহেন আচরণের বিরোধিতায় এবার সরব হলেন কংগ্রেস সভাপতি খাড়গে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.