হিমালয়ের কোলের লাদাখ ছিল এককালে ভারতের দুর্গমতম অঞ্চল। অনেকটাই বদলে গিয়েছে সেই পরিস্থিতি। এবার সব ঋতুতে যাতে লাদাখে যাওয়া যায়, তার ব্যবস্থা করতে তৎপর হল কেন্দ্র। এর জন্য ফোটু লা পাসে নতুন একটি সুড়ঙ্গ তৈরির প্রকল্প গ্রহণ করেছে সড়ক পরিবহণ এবং জাতীয় সড়ক মন্ত্রক। ইতিমধ্যে টেন্ডারের জন্য় দর হাঁকা হয়েছে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রকের তরফে।
আরও পড়ুন:
সব ঠিক থাকলে আগামী সপ্তাহেই জোজিলা সুড়ঙ্গের নির্মাণ শেষ হতে চলেছে। সূত্রের খবর, ৯ জুন ওই সুড়ঙ্গের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণমন্ত্রী নিতীন গডকড়ি। যদিও ১১৩.১৫ কিলোমিটার এশিয়ার দীর্ঘতম সুড়ঙ্গটি ২০২৮ সালে যাতায়াতের জন্য খুলে দেওয়া হবে। উল্লেখ্য, ফোটু লা এবং জোজিলা সুড়ঙ্গ নির্মাণে খরচ পড়বে প্রায় ৭০০০ কোটি টাকা। এর নির্মাণ সম্পূর্ণ হলে সারা বছর কাশ্মীর থেকে লাদাখে যাতায়াত করা সম্ভব হবে। সাধারণত উচ্চতার কারণে তুষারপাতের সমস্যা দেখা দেয় লাদাখের রাস্তাগুলিতে। কিন্তু দীর্ঘ সুড়ঙ্গপথে শীতকালে তুষারপাতেও সম্ভব হবে না।
শ্রীনগর-কার্গিল-লেহ সড়কে সর্বোচ্চ ৪,১০৮ মিটার উচ্চতায় গড়ে উঠছে জোড়া সুড়ঙ্গ। শুধু ফোটু লা সুড়ঙ্গের জন্যই বরাদ্দ করা হয়েছে ৮২৪.১২ কোটি টাকা। খরচের বহরের পিছনে রয়েছে দুর্গম পাহাড়। শীতকালে সেখানে পাঁচ থেকে ১০ ফুট উচু বরফ পড়ে। অধিকাংশ রাস্তা অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে। বরফ সরিয়ে ফের গাড়ি চলাচল শুরু হয়। তাছাড়া গভীর খাদের পাশের রাস্তা হওয়ায় মাঝেমাঝেই দুর্ঘটনা ঘটে থাকে। সুড়ঙ্গ নির্মাণ সম্পূর্ণ হলে এই প্রতিকূলতা আর থাকবে না বলেই মনে করা হচ্ছে।
ফোটু লা এবং জোজিলা সুড়ঙ্গ নির্মাণ হলে লেহ্ থেকে কার্গিল যাওয়ার দূরত্বও অনেকটাই কমবে। তাছাড়া পূর্ব লাদাখে রয়েছে চিন সীমান্ত। জাতীয় নিরাপত্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল। এবার সুড়ঙ্গ পথে সেনা, সামরিক সরঞ্জাম, জ্বালানি সহজেই পৌঁছে যাবে সীমান্তে।
সর্বশেষ খবর
-
ভোটার তালিকায় নাম না থাকলে ভেন্ডিং লাইসেন্স নয়, ‘শ্রী’ ফেরাতে কলকাতায় শুরু হকার নিয়ন্ত্রণ
-
শুভেন্দুর হুঁশিয়ারির পরই সুর নরম ‘স্যাটাভাঙা’ হুমায়ুনের! ‘নব্য বিজেপিদের বলেছি’ বলে ঘোরালেন কথা
-
শৈত্য পেরিয়ে ছন্দে দিল্লি-ঢাকার কূটনীতি! ভিসার পর বাংলাদেশে রেল কোচ রপ্তানি ভারতের
-
পানিহাটির ৫১০ বছরের ঐতিহ্য এবার কলকাতায়, চিঁড়া-দধি মহোৎসবে মাতলেন শয়ে শয়ে ভক্ত
-
শুনতেই চান না! জয়প্রকাশের জামিন-মামলা থেকে সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ