বলা হয়, বাবা-মায়ের ঋণ কখনও শোধ করা যায় না। কিন্তু আদতে কি সন্তানরা তা মনে করেন? হয়তো না! এমনটাই চোখে আঙুল দিয়ে প্রমাণ করে দিলেন মধ্যপ্রদেশের ভোপালের এক বৃদ্ধের চার সন্তান। বাবার মৃত্যু সংবাদ পেয়ে শেষবারের মতো তাঁকে দেখতে আসার প্রয়োজনও মনে করলেন না সন্তানরা। তাঁদের দাবি স্রেফ ডেথ সার্টিফিকেট।
আরও পড়ুন:
ব্যাপারটা ঠিক কী? ইন্দোরের বাসিন্দা ঘনশ্যাম। টায়ার-টিউবের দোকান ছিল তাঁর। ছোটো মেয়ের ২ বছর বয়সে মৃত্যু হয় ঘনশ্যামের স্ত্রীর। চাইলে তখন তিনি বিয়ে করতেই পারতেন। কিন্তু সন্তানদের কথা ভেবে তিনি তা করেননি। বরং একা হাতেই মানুষ করেছেন চার সন্তানকে। পরবর্তীকালে বাড়ি বিক্রি করে সন্তানদের মধ্যে ভাগ করে দেন টাকা। এরপর থেকেই বাবা বোঝা হয়ে দাঁড়ায় চারজনের কাছেই। যত্ন তো দূর-অস্ত, বাবার খোঁজও নেন না কেউ। বছর চারেক আগে পক্ষাঘাতগ্রস্ত অবস্থায় ঘনশ্যামকে উদ্ধার করেন সমাজ কর্মীরা। এরপর বৃদ্ধার ঠাঁই হয় বৃদ্ধাশ্রমে।
সেই বৃদ্ধাশ্রম সূত্রে জানা গিয়েছে, একাধিকবার ঘনশ্যামের সন্তানদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও কেউ সেভাবে সাড়া দেননি। গত ৪ আগস্ট মৃত্যু হয় বৃদ্ধের। স্বাভাবিকভাবেই বৃদ্ধাশ্রমের তরফে জানানো হয় ঘনশ্যামের সন্তানদের। আশা ছিল, কেউ অন্তত আসবে। কিন্তু ভাবনা আর বাস্তবের যে মিল নেই! ২ দিন অপেক্ষা করলেও কেউ আসেননি। বরং তাঁরা প্রশ্ন করেন, “বাবা আজ পর্যন্ত আমাদের জন্য কী এমন করেছেন যে আমাদের যেতে হবে?” তবে বাবার ডেথ সার্টিফিকেট হাতে চান সকলেই। যদিও বৃদ্ধাশ্রমের তরফে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এই নথি মৃতের সন্তানদের দেওয়া হবে না। তাঁদের স্পষ্ট যুক্তি, “মৃত্যুর পর সন্তানদের কাছে মূল্য পেলেন না, ওনার সার্টিফিকেটের সুযোগ সুবিধা আমরা কাউকে নিতে দেব না।”
সর্বশেষ খবর
-
ব্যাঙ্কের বাইরে এবার নিয়মিত টহল দেবে পুলিশ! নয়া নির্দেশিকা জারি লালবাজারের
-
যাত্রী সেজে গাড়িতে, ক্যাব চালকের মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে ফিল্মি কায়দায় ডাকাতি খাস কলকাতায়!
-
ইকবালের মতোই জলে ডুবে থাকে তার দিদি-বোনেরাও! ‘বাপমরা মেয়েগুলো’র চিন্তায় চোখে জল মায়ের
-
একজনের নামে ক’টা সিম কার্ড? আগস্টেই চালু হচ্ছে নয়া নিয়ম
-
রাতবিরেতে আচমকা পূর্ব বর্ধমানের স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হানা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর! ঘেঁটে দেখলেন ওষুধের স্টক