PM Modi

‘যুদ্ধের প্রভাব থেকে নাগরিকদের সুরক্ষিত রাখতেই হবে’, পর্যালোচনা বৈঠকে একাধিক নির্দেশিকা মোদির

এক্স হ্যান্ডেলে বৈঠকের ছবি-সহ পোস্টে মোদি লিখেছেন, "পশ্চিম এশিয়ায় চলমান সংঘাতের পরিপ্রেক্ষিতে পর্যালোচনা করতে মন্ত্রিসভার বৈঠকে সভাপতিত্ব করেছি। আমরা স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদী পদক্ষেপ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছি।"

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২৩, ২০২৬, ১২:৩০

options
link
‘যুদ্ধের প্রভাব থেকে নাগরিকদের সুরক্ষিত রাখতেই হবে’, পর্যালোচনা বৈঠকে একাধিক নির্দেশিকা মোদির
বৈঠক শেষে এদিনের আলোচনা নিয়ে এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করেন মোদি। ছবি: সংগৃহীত।

“ইরান যুদ্ধের প্রভাব থেকে দেশের নাগরিকদের অবশ্যই সুরক্ষিত রাখতে হবে।” মন্ত্রীদের সঙ্গে পর্যালোচনা বৈঠকে বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। বৈঠক শেষে এদিনের আলোচনা নিয়ে এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্ট করেন তিনি। সেখানে জানান, পশ্চিম এশিয়ায় চলমান সংঘাতের পরিস্থিতিতে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদী পদক্ষেপ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। তিনি বলেন, “আমরা এই সংঘাতের প্রভাব থেকে আমাদের নাগরিকদের রক্ষা করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”

Advertisement

ইরান যুদ্ধের পর্যালোচনা বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর, অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ, পেট্রোলিয়ামমন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী, কৃষিমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান প্রমুখ। যুদ্ধের জেরে হরমুজ প্রণালী অবরুদ্ধ হওয়ায় দেশে জ্বালানি আমদানি স্বাভাবিক নেই। এই বিষয়ে মন্ত্রীদের সঙ্গে কথা বলেন মোদি। গ্যাস, অশোধিত তেল সরবরাহে কী প্রভাব পড়েছে, বিদ্যুৎ ও সার উৎপাদন কতটা ব্যাহত, যাবতীয় বিষয় খোঁজখবর করেন তিনি। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার বিষয়েও কথা হয়।

Advertisement

এক্স হ্যান্ডেলে বৈঠকের ছবি-সহ পোস্টে মোদি লিখেছেন, “পশ্চিম এশিয়ায় চলমান সংঘাতের পরিপ্রেক্ষিতে পর্যালোচনা করতে মন্ত্রিসভার বৈঠকে সভাপতিত্ব করেছি। আমরা স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদী পদক্ষেপ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছি। যার মধ্যে রয়েছে কৃষকদের জন্য সারের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করা, গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রগুলির (তেল, গ্যাস-সহ) আমদানির উৎস বাড়ানো, নতুন গন্তব্যে রপ্তানি বৃদ্ধি এবং আরও অনেক কিছু। আমরা এই সংঘাতের প্রভাব থেকে আমাদের নাগরিকদের রক্ষা করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”

উল্লেখ্য, রান্নার গ্যাস পরিষেবা স্বাভাবিক রাখতে ইতিমধ্যে একাধিক পদক্ষেপ করেছে কেন্দ্র। যেমন, এখন নলবাহিত গ্যাস থাকলে সিলিন্ডার গ্যাস মিলছে না। অন্যদিকে গ্যাস বুকিং ২৫ দিনের ব্যবধানে করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি এলপিজি নির্ভরতা কমিয়ে পিএনজি (নলবাহিত) গ্যাস ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। রবিবার কেন্দ্রের তরফে দাবি করা হয়েছে, গৃহস্থালিতে রান্নার গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে। বুকিং নিয়ে উদ্যেগও কমেছে। কিন্তু যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে কী হবে, তা এক বড়সড় প্রশ্ন।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.