দীর্ঘ টানাপোড়েনের পর এবার আলোচনার টেবিলে ককরোচ জনতা পার্টি এবং কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতিনিধিরা। দিল্লির ভিপি হাউসে প্রায় ঘণ্টা দুয়েকের বৈঠক। কিন্তু তারপরও অচলাবস্থা কাটার কোনও স্পষ্ট ইঙ্গিত মিলল না। শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা নিয়ে নিজেদের অবস্থানে অনড় ‘ককরোচ’রা। ২ ঘণ্টার বৈঠকেও শিক্ষামন্ত্রীর ইস্তফা নিয়ে স্পষ্ট কোনও বার্তা দেয়নি সরকার পক্ষ। ককরোচ জনতা পার্টির মুখপাত্রদের দাবি, প্রধানের ইস্তফা নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য আরও একদিন সময় চেয়েছে কেন্দ্র।
আরও পড়ুন:
বৃহস্পতিবার পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ী ককরোচ জনতা পার্টির দুই প্রতিনিধি সৌরভ দাস এবং আশুতোষ রাঙ্কার সঙ্গে দিল্লির ভিপি হাউসে বৈঠকে বসেন দুই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং এবং জেপি নাড্ডা। প্রায় ঘণ্টা দুই দু’পক্ষের আলোচনা হয়। সূত্রের দাবি, কেন্দ্রের তরফে এ পর্যন্ত প্রশ্নফাঁস কাণ্ডে কী কী পদক্ষেপ করা হয়েছে এবং আগামী দিনে আর কী কী পদক্ষেপ করা হবে, সবটা ‘ককরোচ’দের দুই প্রতিনিধিকে জানানো হয়। সৌরভ দাসরাও নিজেদের দাবির কথা মন্ত্রীদের জানান। সূত্রের খবর, ককরোচদের অধিকাংশ দাবি মেনে নিলেও ধর্মেন্দ্রর ইস্তফার দাবি মানতে আরও খানিকটা সময় চেয়েছে সরকার পক্ষ।
Delhi: A meeting held between Union Ministers JP Nadda and Jitendra Singh, and Cockroach Janta Party’s Chief Spokesperson Saurav Das and its National Spokesperson Ashutosh Ranka. pic.twitter.com/fOOEHWM7HR
Advertisement— ANI (@ANI) July 24, 2026
সূত্র বলছে, নিটের প্রশ্নফাঁসের জেরে আত্মহত্যা করা পড়ুয়াদের পরিবারের পাশে দাঁড়ানো, বিক্ষোভরত পড়ুয়াদের বিরুদ্ধে করা মামলা প্রত্যাহারের মতো ইস্যুতে পদক্ষেপ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে কেন্দ্র। এমনকী, নিট প্রশ্নফাঁসে আত্মহত্যা করা পড়ুয়াদের পরিবারগুলিকে এক কোটি টাকা করে ক্ষতিপূরণ দিতে রাজি হয়েছে মোদি সরকার। কিন্তু জটিলতা ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফায়। ককরোচ জনতা পার্টির সাফ কথা, অন্য যে দাবিই মানা হোক, প্রধান ইস্তফা না দিলে বিক্ষোভ প্রত্যাহার করা হবে না। বরং আগামী দিনে আরও তীব্র হবে আন্দোলন।
বৈঠক শেষে ককরোচ জনতা পার্টির মুখপাত্র আশুতোষ রাঙ্কা দাবি করেন, “কেন্দ্র আমাদের দুই দাবির সঙ্গে নৈতিকভাবে সহমত হয়েছে। আমরা জানিয়ে দিয়েছি ধর্মেন্দ্র প্রধান ইস্তফা না দিলে আন্দোলনের তীব্রতা আরও বাড়বে। এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে কেন্দ্র আরও একদিন সময় চেয়েছে।” কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নাড্ডাও খানিকটা একই কথা জানিয়েছেন। যা পরিস্থিতি তাতে ধর্মেন্দ্র মন্ত্রিসভায় থাকবেন কিনা, সেটা ঠিক হবে শনিবার। তবে ‘ককরোচ’দের সাফ কথা, “আগামী দু-একদিনে ধর্মেন্দ্র প্রধান ইস্তফা না দিলে আরও বড় আন্দোলন (CJP Protest) হবে। এবার দেশজুড়ে সেটার প্রভাব পড়বে।”
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
মাথার দাম ১ কোটি, বঙ্গেই গা ঢাকা! মদনকে জেরায় মাওবাদী নেতা আকাশের তথ্য পেল পুলিশ
-
ভবানীপুরে বিজেপি কর্মীকে মারধর, মাকে শ্লীলতাহানি! পুলিশের জালে তৃণমূল নেতা
-
‘টোটো অবৈধ, এ বার ই-রিকশা’, ঘোষণা পরিবহণমন্ত্রী অর্জুন সিংয়ের
-
বিচ্যুতি দেখলেই ‘অ্যাকশন’, ‘তোলাবাজ’ ধরতে জেলা পর্যবেক্ষকদের গুরুদায়িত্ব শমীকের!
-
যশের দ্বৈত চরিত্রে ঘায়েল দর্শক, ‘টক্সিক’-এর ট্রেলারে উঠে এল নয়ের দশকের অন্ধকার জগৎ