Swati Congress BJP

‘ভোটের আগে সহানুভূতি আদায়ের চেষ্টা’, স্বাতী মালিওয়ালের ‘হেনস্তা’ নিয়ে সরব কংগ্রেস- বিজেপি

হরিয়ানা নির্বাচনের আগে বাবার হাতে যৌন হেনস্তার কথা প্রকাশ্যে এনেছেন দিল্লি মহিলা কমিশনের প্রধান।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১২, ২০২৩, ১৮:১৯

options
link
‘ভোটের আগে সহানুভূতি আদায়ের চেষ্টা’, স্বাতী মালিওয়ালের ‘হেনস্তা’ নিয়ে সরব কংগ্রেস- বিজেপি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বাবার হাতেই যৌন নিগ্রহের শিকার হয়েছেন বলে দাবি করেছিলেন দিল্লির মহিলা কমিশনের প্রধান স্বাতী মালিওয়াল (Swati Maliwal)। সেই মন্তব্যের জেরে এবার রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হল দিল্লিতে (Delhi)। কংগ্রেস ও বিজেপি, দুই তরফেই স্বাতীর একটি পুরোন টুইট তুলে এনে তুমুল সমালোচনা শুরু হয়েছে। চলতি বছরেই হরিয়ানায় বিধানসভা নির্বাচন রয়েছে। সেই কথা মাথায় রেখেই সহানুভূতি কুড়াতে চাইছেন স্বাতী, এমনটাই দাবি দিল্লির বিরোধী শিবিরের।

Advertisement

২০১৬ সালে একটি টুইটে স্বাতী লিখেছিলেন, “আমি এক সেনার কন্যা, তাই দেশের জন্য প্রাণ দিতেও প্রস্তুত আছি। কোনও শক্তিই আমাকে ভয় দেখাতে পারবে না কারণ আমি সেনার কন্যা।” এই টুইট খুঁজে বের করেন কংগ্রেস (Congress) নেত্রী রাধিকা খেড়া। রিটুইট করে তিনি লেখেন, “বিশ্বাস করে কাদের হাতে দিল্লিকে তুলে দিয়েছেন, সেটা দেখে এবার দিল্লির মানুষ ভয় পাচ্ছেন। আসলে সামনেই হরিয়ানা নির্বাচন। সেই জন্যই কি প্রাক্তন সেনা কর্মী বাবার উপর দোষ চাপাচ্ছেন স্বাতী ও তাঁর স্বামী? আপের মুখোশটা খুলে ফেলার সময় এসেছে।”

Advertisement

[আরও পড়ুন: শুভেন্দুর সুপারিশে ১৫০ জনের চাকরি! ‘তদন্ত হোক’, গ্রুপ সি’র নথি দেখিয়ে দাবি কুণালের]

প্রসঙ্গত, স্বাতী মালিওয়ালের প্রাক্তন স্বামী নবীন জয়হিন্দ আপের (AAP) নেতা ছিলেন। যদিও এখন দলের সঙ্গে তাঁর যোগ নেই। স্বাতীর প্রসঙ্গ থেকেও তাঁকে দূরে রাখার জন্য মিডিয়ার কাছে আবেদনও জানিয়েছেন। কিন্তু বিজেপির (BJP) তরফেও স্বাতীকে আক্রমণ করেন প্রীতি গান্ধী। তিনি বলেন, “২০১৬ সালে স্বাতীর বাবা ছিলেন বীর সৈনিক। কিন্তু ২০২৩ সালে স্বাতীর প্রয়াত বাবা হয়ে গেলেন যৌন হেনস্তাকারী। কোনটা স্বাতীর আসল রুপ, তা নিয়ে সংশয় দেখা দিচ্ছে।” তবে এহেন আক্রমণের জবাব দেননি স্বাতী।

প্রসঙ্গত, মহিলা কমিশনের এক অনুষ্ঠানে স্বাতী বলেন, ”আমি আমার বাবার হাতে যৌন নিপীড়নের শিকার হয়েছি। বাবা আমাকে খুব মারতেন। তিনি বাড়ি এলেই আমি ভয়ে খাটের তলায় লুকোতাম। খুব ভয় পেতাম বাবাকে। আর সেই সময় ভাবতাম কীভাবে এই ধরনের নৃশংসতার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায় নারী হিসেবে। উনি আমার চুল ধরে টানতেন। আমার মাথা জোরে ঠুকে দিতেন দেওয়ালে।” তবে এতদিন প্রয়াত বাবার বিরুদ্ধে কেন চুপ করেছিলেন স্বাতী, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

[আরও পড়ুন: কলকাতা পুরসভার স্কুলে এবার ‘লাইব্রেরি ক্লাস’, খুদেদের জন্য থাকবে মুখ্যমন্ত্রীর লেখা ছড়ার বই]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.