বাংলা ও তামিলনাড়ুর ভোটগ্রহণের ঠিক আগে আগে জাতীয় রাজনীতিতে আলোড়ন। খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধে স্বাধিকার ভঙ্গের অভিযোগ আনল কংগ্রেস। লোকসভায় প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে স্বাধিকার ভঙ্গের নোটিস দিলেন সিনিয়র কংগ্রেস নেতা কে সি ভেনুগোপাল। তাঁর অভিযোগ, জাতির উদ্দেশে ভাষণে যেভাবে দলীয় রাজনীতির কথা বলেছেন, সেটা প্রধানমন্ত্রীর পদের গরিমা ক্ষুন্ন করছে।
আরও পড়ুন:
গত ১৮ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জাতির উদ্দেশে ভাষণ ঘিরে তীব্র বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। দেশের পাঁচ রাজ্যে নির্বাচনী আচরণবিধি লাগু থাকা সত্ত্বেও সরকারি সুযোগ সুবিধা ব্যবহার করে প্রধানমন্ত্রী যেভাবে বিরোধীদের সমালোচনা করেছেন, সেটা গণতান্ত্রিক রীতিনীতির সরাসরি অবমাননা বলেই দাবি কংগ্রেসের। ইতিমধ্যেই ৭০০-র বেশি বিশিষ্ট নাগরিক নির্বাচন কমিশনে মোদির বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করেছেন। তাঁদের দাবি, মোদি নির্বাচনী আচরণবিধি ভেঙেছেন। অভিযোগকারীদের বক্তব্য, নির্বাচন কমিশনের মডেল কোড অফ কন্ডাক্ট কার্যকর থাকা অবস্থায় প্রধানমন্ত্রী সরকারি সম্প্রচার মাধ্যম দূরদর্শন এবং অল ইন্ডিয়া রেডিও ব্যবহার করে কার্যত রাজনৈতিক প্রচার চালিয়েছেন। এতে শাসকদলের জন্য অযৌক্তিক সুবিধা তৈরি হয়েছে এবং এতে নির্বাচনের সমতা ও স্বচ্ছতা মারাত্মকভাবে প্রশ্নের মুখে পড়েছে।
My senior colleague in the Lok Sabha, KC Venugopal, has issued a notice of question of privilege against the Prime Minister for his so-called address to the nation following the defeat of his nefarious designs in the Lok Sabha by something he did not expect—absolute Opposition… pic.twitter.com/ZbGDaphZiQ
Advertisement— Jairam Ramesh (@Jairam_Ramesh) April 21, 2026
আসলে ১৮ এপ্রিল জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিতে এসে নাম করে করে বিরোধী দলগুলিকে আক্রমণ করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি! মোটে আধ ঘণ্টার ভাষণে ৫৯ বার কংগ্রেসের নাম নেন। সাফ বলে দেন, মহিলা সংরক্ষণ সংশোধনী আটকে দিয়ে ভ্রুণহত্যার সমান পাপ করেছে কংগ্রেস ও অন্যান্য বিরোধীরা। মোদির সেই ‘রাজনৈতিক’ ভাষণ নিয়ে ইতিমধ্যেই আপত্তি জানিয়েছে কংগ্রেস। এবার সরাসরি সংসদে এ নিয়ে সরব হাত শিবির।
কংগ্রেস নেতা জয়রাম রমেশ সোশাল মিডিয়ায় জানিয়েছেন, “প্রধানমন্ত্রীর তথাকতিত জাতির উদ্দেশে ভাষণ নিয়ে স্বাধিকার ভঙ্গের নোটিস দিয়েছেন আমার সিনিয়র সহকর্মী কে সি বেণুগোপাল। সাধারণ জাতির উদ্দেশে ভাষণ জাতীয় সংহতি এবং দেশবাসীর উদ্দেশে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেওয়ার জন্য ব্যবহার করা হয়। কিন্তু সেই মঞ্চকে নির্লজ্জভাবে রাজনীতির কাজে ব্যবহার করেছেন প্রধানমন্ত্রী। যেভাবে ওই ভাষণে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে ৫৯ বার তোপ দেগেছেন তিনি, সেটা তাঁর প্রধানমন্ত্রিত্বে আরও একটা স্থায়ী দাগ কাটবে।”
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
এবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হচ্ছেন রাঘব, ‘রাম’? লড়াইয়ে বাংলার লিয়েন্ডারও
-
রাতের অন্ধকারে সীমান্ত পেরিয়ে ঢোকার চেষ্টা! মুর্শিদাবাদে গ্রেপ্তার ৫ বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী
-
৭৭৪৪ কোটি টাকা! বেতনের নিরিখে এলন মাস্কের পরই নাম যাদবপুরের প্রাক্তনীর, কে এই শঙ্খ মিত্র?
-
৩৯-এও বিশ্বকাপে হ্যাটট্রিক মেসির, শরীরচর্চার সঙ্গে লুকিয়ে আর কোন রহস্য?
-
‘ওয়েলকাম’ ফ্র্যাঞ্চাইজের হাত ধরেই ভাগ্যবদল! বক্স অফিসে নিজের জোড়া ছবিকে টেক্কা অক্ষয়ের