Congress

SIR নিয়ে ৮৯ লক্ষ অভিযোগে পাত্তা দেয়নি কমিশন! পুরো প্রক্রিয়া পুনরায় করার দাবি কংগ্রেসের

কমিশনের প্রশ্ন, প্রকৃত ভোটারের নাম যদি বাদই গিয়ে থাকে, তাহলে তাঁরা ফের নাম তোলার জন্য আবেদন করছেন না কেন?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২, ২০২৫, ১৭:৩০

options
link
SIR নিয়ে ৮৯ লক্ষ অভিযোগে পাত্তা দেয়নি কমিশন! পুরো প্রক্রিয়া পুনরায় করার দাবি কংগ্রেসের
ফাইল ছবি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: নির্বাচন কমিশন বলছে, বিহারর বিশেষ নিবিড় সংশোধন নিয়ে শুধু হুল্লোড়ই সার। বাস্তবে একটি অভিযোগও জানাতে পারেনি রাজনৈতিক দলগুলি। এবার পালটা দিল কংগ্রেসও। একটি-দু’টি নয়, ৮৯ লক্ষ! বিহারের SIR নিয়ে এতগুলিই অভিযোগ দায়ের করতে চেয়েছিল হাত শিবির। অন্তত এমনটাই দাবি করা হল দলের তরফে।

Advertisement

সম্প্রতি কংগ্রেসের মুখপাত্র পবন খেরা দাবি করেছেন, দলের তরফে বিহারের খসড়া ভোটার তালিকায় ত্রুটি তুলে ধরে ৮৯ লক্ষ আবেদন করা হয়েছিল। সেগুলির একটিও গ্রহণ করেনি নির্বাচন কমিশন। কংগ্রেসের বিএলএ-দের জানানো হয়েছে, রাজনৈতিক দল এভাবে অভিযোগ দায়ের করতে পারে না। অভিযোগ করতে হবে ব্যক্তিগতভাবে। খেরার দাবি, গোটা SIR প্রক্রিয়ায় বড়সড় গলদ রয়েছে। দ্রুত সেই গলদ মেটাতে পুরো প্রক্রিয়া নতুন করে সম্পন্ন করা হোক।

Advertisement

বিরোধীদের দাবি ছিল, বিহারের এসআইআরে বাদ পড়েছে লক্ষ লক্ষ ভোটারের নাম। অথচ কার্যক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে এ পর্যন্ত বাদ পড়া ৬৫ লক্ষ ভোটারের মধ্যে নিজেদের বৈধ ভোটার বলে দাবি করে আবেদন করেছেন মোটে হাজার তিরিশেক নাগরিক। এর মধ্যে অধিকাংশ আবেদনই ব্যক্তিগত। অর্থাৎ ভোটাররা নিজেরা আবেদন করেছেন। রাজনৈতিক দলগুলির তরফে আবেদন জমা পড়েছে নামমাত্র। কংগ্রেসের তরফে কোনও আবেদন জমা পড়েনি।

Advertisement

কমিশনের প্রশ্ন, প্রকৃত ভোটারের নাম যদি বাদই গিয়ে থাকে, তাহলে তাঁরা ফের নাম তোলার জন্য আবেদন করছেন না কেন? বিহারে ভোটার ছিল ৭ কোটি ৮৯ লক্ষ। এর মধ্যে ৬৫ লক্ষ ভোটার বাদ পড়েছে। কমিশনের হিসেব, এর মধ্যে ২২ লক্ষ মৃত। ৩৬ লক্ষ স্থানাস্তরিত অথবা ঠিকানায় পাওয়া যায়নি। ৭ লক্ষের নাম একাধিক জায়গায় ছিল। তবে বিরোধীদের যুক্তি, অনেক বৈধ ভোটারই রয়েছেন যাঁদের কাছে হয়তো কমিশনের চাওয়া নথি নেই। বা অনেক ভোটারের কাছে পৌঁছনো যাচ্ছে না।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.