Kerala Govt

ডিএ কর্মীদের অধিকার নয়, সরকারি অনুগ্রহ! এবার আদালতে বলল কেরলের বাম সরকার

DA: কেরলের সরকারি কর্মীদের ৬ মাসের ডিএ মেটায়নি কেরলের বাম সরকার। মোট অঙ্কটা প্রায় ১৭ হাজার ৭০০ কোটি টাকা। রাজ্য সরকারি কর্মীরা দীর্ঘদিন ধরে দাবি জানিয়েও সুরাহা না পাওয়ায় আদালতের দ্বারস্থ হয়।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৭, ২০২৬, ১৭:৪৩

options
link
ডিএ কর্মীদের অধিকার নয়, সরকারি অনুগ্রহ! এবার আদালতে বলল কেরলের বাম সরকার

সরকারি কর্মীদের মহার্ঘভাতা তথা ডিএ কোনও অধিকার নয়। এটা দেওয়া না দেওয়া নির্ভর করে সরকারের নীতির উপর। ডিএ সংক্রান্ত মামলায় হাই কোর্টে জানাল বামপন্থী কেরল সরকারও। কেরল হাই কোর্টে এই সংক্রান্ত একটি মামলায় সিপিএম সরকারের দাবি, ডিএ কর্মীদের কোনও বাধ্যতামূলক সুবিধা নয়। এটি সরকারের নীতির বিষয়।

Advertisement

বাংলায় যেখানে বামপন্থী একাধিক সংগঠন ডিএ’র দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে। ডিএর দাবিতে রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ, ধরনা এমনকী নবান্ন অভিযান পর্যন্ত করেছে বামপন্থী সংগঠনগুলি। সেখানে তাদের নিজেদের দখলে থাকা একমাত্র রাজ্যের সরকার ডিএ দিতে নারাজ। স্বাভাবিকভাবেই বামেদের এই ‘দ্বিচারিতা’ নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

জানা গিয়েছে, কেরলের সরকারি কর্মীদের ৬ মাসের ডিএ মেটায়নি কেরলের বাম সরকার। মোট অঙ্কটা প্রায় ১৭ হাজার ৭০০ কোটি টাকা। রাজ্য সরকারি কর্মীরা দীর্ঘদিন ধরে দাবি জানিয়েও সুরাহা না পাওয়ায় আদালতের দ্বারস্থ হয়। মামলা গড়ায় কেরল হাই কোর্ট পর্যন্ত। হাই কোর্টেই কেরল সরকার জানিয়েছে, এই মুহূর্তে রাজ্য সরকারের পক্ষে ডিএ দেওয়া সম্ভব নয়। সেটা হলে রাজ্যের উপর এমন অর্থনৈতিক ধাক্কা আসবে যা সামলানো সম্ভব নয়। সরকারি কর্মীদের যুক্তি ছিল, রাজ্যের আর্থিক দশার দায় তো সরকারের। সেজন্য তাঁরা কেন প্রাপ্য থেকে বঞ্চিত হবেন? জবাবে কেরল সরকার বলে দেয়, “ডিএ সরকারি কর্মীদের বেতনের অংশ বা অধিকার নয়। এটা দেওয়াটা সরকারি নীতির উপর নির্ভর করে।”

Advertisement

মজার কথা হল, ডিএ ইস্যুতে এই একই অবস্থান এ রাজ্যের সরকার নিলে রাজ্যের বামপন্থী তথা সিপিএম কড়া ভাষায় সমালোচনা করে সরকারের। কিন্তু নিজেদের হাতে থাকা রাজ্যেও বাস্তব বুঝে ডিএ নিয়ে একই অবস্থান নেয় সিপিএম। স্বাভাবিকভাবেই এই দ্বিমুখী অবস্থান বাংলার ভোটের মুখে সিপিএমকে অস্বস্তিতে ফেলবে। আর কেরলেও সামনে ভোট। সেরাজ্যেও প্রতিষ্ঠান বিরোধিতা চরমে। সঙ্গে ডিএ-র চাপ। ফলে সেই কেরলেও এবার চরম চাপে গেরুয়া শিবির।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন