সোমনাথ রায়, নয়াদিল্লি: নাগরিক হওয়ার আগেই ভোটার তালিকায় নাম ছিল সোনিয়া গান্ধীর! বিস্ফোরক অভিযোগ এনেছিলেন বিজেপির আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য। এই মন্তব্যের প্রেক্ষিতে মামলা দায়ের হয় দিল্লির আদালতে। কিন্তু সেই মামলা বৃহস্পতিবার খারিজ করে দিয়েছে আদালত। তবে এখনও আদালতের পূর্ণ রায় জানা যায়নি।
মালব্য ছাড়াও বিজেপি নেতা অনুরাগ ঠাকুরের দাবি ছিল, ভারতের নাগরিকত্ব পাওয়ার আগেই ভোটার তালিকায় সোনিয়া গান্ধীর নাম ছিল। গেরুয়া শিবিরের দাবি, ১৯৮০ সালে ভোটার তালিকায় নাম তোলা হয়েছিল সোনিয়া গান্ধীর। যদিও তিনি আরও তিন বছর পরে ভারতের নাগরিকত্ব পেয়েছিলেন। এক্স হ্যান্ডেলে ১৯৮০ সালের দিল্লির একটি বুথের তালিকার ছবি পোস্ট করেছেন মালব্য। সেই তালিকায় দেখা গিয়েছে সোনিয়া গান্ধীর নাম। সেখানে ইন্দিরা গান্ধী, রাজীব গান্ধী, সঞ্জয় গান্ধী, এবং মানেকা গান্ধীর নামও রয়েছে।
মালব্য দাবি করেছেন, ১৯৮০ সালের ভোটার তালিকা সংশোধন করার সময় সোনিয়ার নাম যুক্ত করা হয়। জনগণের বিরোধিতার মুখে সেই নাম ১৯৮২ সালে বাদ দেওয়া হলেও ১৯৮৩ সালের জানুয়ারি মাসে তাঁকে ফের তালিকাভুক্ত করা হয়। যদিও ১৯৮৩ সালের এপ্রিল মাসে ভারতের নাগরিকত্ব পান সোনিয়া। মালব্যর কথায়, বেআইনি ভাবে সোনিয়ার নাম ভোটার লিস্টে তোলা হয়। তিনি আরও দাবি করেন, এই কারণেই রাহুল গান্ধী এসআইআর-এর বিরোধিতা করে অবৈধ ভোটারদের ভোটাধিকার দিতে চাইছেন।
বিজেপি নেতাদের এই মন্তব্যের ভিত্তিতে দিল্লির রাউস অ্যাভেনিউ কোর্টে মামলা দায়ের করেন বিকাশ ত্রিপাঠী। কিন্তু সেই আবেদন খারিজ করে দেন বিচারক বৈভব চৌরাসিয়া। বিকাশের দাবি ছিল, সোনিয়ার নাগরিকত্ব ইস্যুতে FIR দায়ের করার জন্য নির্দেশ দিক আদালত। কিন্তু আপাতত নিম্ন আদালতে সেই আর্জি খারিজ। SIR নিয়ে বিতর্কের আবহে আদালতের এই রায়ে সোনিয়া গান্ধী-সহ গোটা কংগ্রেস স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলবে, সেকথা বলাই বাহুল্য।
সর্বশেষ খবর
-
মোটা মাইনের চাকরির টোপ দিয়ে কলকাতার যুবকদের উজবেকিস্তানে ‘পাচার’, তারপর…
-
রাজারহাটের অভিজাত আবাসনে পানীয় জলদূষণ! অসুস্থ বহু বাসিন্দা, তুমুল উত্তেজনা এলাকায়
-
অটো চালিয়ে অসুস্থকে বিনামূল্যে পৌঁছে দেন হাসপাতালে, ভাইরাল গভীর রাতের ‘শেরনি’
-
তসরের পাঞ্জাবিতে ঠিক যেন বর! প্রাক্তন স্ত্রী সুস্মিতা মা হতেই এবার বিয়ের পিঁড়িতে সব্যসাচী?
-
হাতে ৩৫ লাখি ব্যাগ, ২১ লক্ষের ঘড়ি পরে সংসদে ‘ক্যুইন’, মহুয়ার পর চর্চায় কঙ্গনার ‘ব্যাগবতী’