Bihar

নুনের বদলে সাবান গুঁড়ো! বিহারের স্কুলে মিড-ডে মিল খেয়ে অসুস্থ ৩৪ পড়ুয়া

Detergent in Mid-Day Meal: খাবার খাওয়ার পরই অস্বস্তি বোধ করেন পড়ুয়ারা। গলা জ্বালা, পেটে ব্যথার মতো সমস্যা শুরু হলে তড়িঘড়ি পড়ুয়াদের ভর্তি করা হয় হাসপাতালে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৯, ২০২৬, ১৯:৫০

options
link
নুনের বদলে সাবান গুঁড়ো! বিহারের স্কুলে মিড-ডে মিল খেয়ে অসুস্থ ৩৪ পড়ুয়া
ফাইল ছবি।

নুনের পরিবর্তে ভুলবশত রান্নায় সাবান গুঁড়ো মিশিয়ে দিয়েছিলেন রাঁধুনি। মিড-ডে মিলে সেই খাবার খেয়েই মর্মান্তিক পরিণতি। অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হতে হল অন্তত ৩৪ জন পড়ুয়াকে। মঙ্গলবার চাঞ্চল্যকর এই ঘটনা ঘটেছে বিহারের নালন্দা জেলার পারসা মিডল স্কুলে। একের পর এক পড়ুয়া অসুস্থ হয়ে পড়ায় তাদের ভর্তি করা হয়েছে বিহারশরিফ হাসপাতালে।

Advertisement

জানা গিয়েছে, অন্যান্য দিনের মতো মঙ্গলবারও স্কুলের মিড-ডে মিলে খাবার পরিবেশন করা হয়। তবে সেই খাবার খাওয়ার পরই অস্বস্তি বোধ করেন পড়ুয়ারা। গলা জ্বালা, পেটে ব্যথার মতো সমস্যা শুরু হলে তড়িঘড়ি পড়ুয়াদের ভর্তি করা হয় হাসপাতালে। নালন্দার সিভিল সার্জন জয়প্রকাশ সিং জানিয়েছেন, “খাবারে বিষক্রিয়ার জেরেই এই ঘটনা ঘটেছে। হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে পড়ুয়াদের। তাদের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল। শীঘ্রই তারা সুস্থ হয়ে উঠবে।” এদিকে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এক পড়ুয়া সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছে, মঙ্গলবার স্কুলে ভাতের সঙ্গে আলু-সোয়াবিনের তরকারি খেতে দেওয়া হয়েছিল। খাবার মুখে তোলার সময়েই সাবান গুঁড়োর গন্ধ নাকে আসে। ওই ছাত্রীর কথায়, ”তরকারিতে নুনের বদলে সাবান গুঁড়ো দেওয়া হয়েছিল বলে মনে হচ্ছিল। খাওয়ার পরই পেটে ব্যথা শুরু হয়। অনেকে অজ্ঞান হয়ে যায়।”

Advertisement

নালন্দার সিভিল সার্জন জয়প্রকাশ সিং জানিয়েছেন, ‘খাবারে বিষক্রিয়ার জেরেই এই ঘটনা ঘটেছে। হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে পড়ুয়াদের। তাদের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল।’

স্কুলের প্রধান শিক্ষক শৈলেন্দ্র কুমার সিং নুনের পরিবর্তে সাবান গুঁড়োর ঘটনার কথা স্বীকার করে নিয়েছেন। তিনি বলেন, ভুলবশত এই ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। তাঁর কথায়, “তিনজন মহিলা রান্নার দায়িত্বে ছিলেন। বাচ্চারা খাওয়ার সময় নুন চাইলে কর্মীরা ভুল করে নুনের পরিবর্তে সাবান গুঁড়ো দিয়ে দেন।” যদিও এই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন নালন্দার জেলা শিক্ষা আধিকারিক (DEO) হেমচন্দ্র। তিনি বলেন, তিনি এই অভিযোগ এখনই মেনে নিচ্ছেন না। কীভাবে এই ঘটনা ঘটল তার তদন্ত শুরু হয়েছে। হাসপাতালের চিকিৎসকদের তরফে রিপোর্ট সামনে আসার পর অসুস্থতার প্রকৃত কারণ জানা যাবে। যারা দোষী তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করা হবে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.