ক্ষীরোদদীপ্তি ভট্টাচার্য: কানহাইয়া কুমার? না জিগনেশ মেওয়ানি? কে বেশি ক্রাউড পুলার? কার টিআরপি বেশি? বা কার কথায় বাম যুবরা ‘মুগ্ধ’। এমন চর্চা চলছে সিপিএমের ভিতরে। শুধু তরুণরাই বা কেন? সাধারন সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরি বা তাঁর বিপরীত মেরুতে অবস্থানকারী প্রকাশ কারাটও মজেছেন মেওয়ানিতে। কিন্তু কেন? সিপিএম প্রকাশ্যে বলতে নারাজ। তবে ঘটনা হল ঠিক এখন অনেকটাই এগিয়ে জিগনেশ। অন্তত দলের তরুণ তাত্ত্বিকদের অভিমত তেমনটাই। বিশেষত গুজরাট বিধানসভায় প্রবল বিজেপি হাওয়ার বিরুদ্ধে তাঁর জয়কে অন্যভাবেই দেখছে সিপিএম। তাই এপ্রিলে হায়দরাবাদের পার্টি কংগ্রেসে সিপিএমের তরুণ ব্রিগেডকে আরও খানিকটা মুখরিত করতে হাজির হতে পারেন গুজরাটের ভদগামের এই বিধায়ক। ১৮-২২এপ্রিল সিপিএমের পার্টি কংগ্রেস। একে গোপালন ভবন সূত্রে খবর, অন্তত ৯০০ প্রতিনিধি হাজির হতে পারেন। কোনও বিদেশি কমিউনিস্ট পার্টির প্রতিনিধিদের ডাকা হচ্ছে না এবারের পার্টি কংগ্রেসে। তবে আর সবাইকে ছাপিয়ে মুখ হয়ে উঠতে পারেন এই দলিত নেতা।
[যেন পাশের বাড়ির মেয়ে, শহরে এসে গড়গড়িয়ে বাংলা বললেন স্মৃতি ইরানি]
সিপিএমের সমস্যা একধাপ বাড়িয়ে দিয়েছে সিপিআইএমএল (লিবারেশন)। ২৩-২৫ পাঞ্জাবের মানসায় নকশাল পন্থীদের পার্টি কংগ্রেসের অন্যতম আমন্ত্রিত মুখ জিগনেশ। কিন্তু কেন? দলের সাধারণ সম্পাদক দীপঙ্কর ভট্টাচার্যর কথায়, “সংঘ পরিবারের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে গুজরাটের অন্যতম মুখ জিগনেশ। কাজেই কমিউনিস্ট না হলেও এই দলিত নেতার অবদান স্বীকার করতেই হবে। তাই তাঁকে ডাকা হয়েছে।” আর এই ঘটনা এখন ভাবাচ্ছে সিপিএমের পার্টি কংগ্রেসের জন্য গঠিত রিসার্চ সেল। সিপিএমের পলিটব্যুরো সদস্য মহম্মদ সেলিমের কথায়, “পার্টি কংগ্রেসে দেশের অন্য কমিউনিস্ট পার্টির সদস্যদের ডাকা হবে। তবে তাঁর বাইরে আর কারা থাকবেন আমন্ত্রিতের তালিকায় তা দেখছে রিসার্চ সেল।” তবে ঘটনা হল। গুজরাট বিধানসভার ভোটের পর এখন একধাক্কায় অনেকটাই এগিয়ে জিগনেশ মেওয়ানি। সিপিএমের কেন্দ্রীয় কমিটির এক সদস্যকে আক্ষেপ করে বলতে শোনা গেছে, “কী ঝকঝকে পলিটিক্যাল কেরিয়ার গ্রাফ দেখেছেন। ১৯৮২ সালে যার জন্ম। সেই এখন দেশের দলিতদের অন্যতম জনপ্রিয় চরিত্র। আরও বড় ঘটনা হল সৌরাষ্ট্র এলাকায় গো রক্ষক বিরোধী আন্দোলনকে গুজরাটে ছড়িয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা নিয়েছিলেন জিগনেশ মেওয়ানি। তাই আমন্ত্রিত হতেই পারেন জিগনেশ। অন্তত তেমনটাই বলছেন আলিমুদ্দিনের নেতারা। এবারে সিপিএমের পার্টি কংগ্রেস অনেকটাই অন্যরকম। পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির এক সদস্যের কথায়, ডেলিগেট হয়ে যাঁরা যাবেন তাঁদের মধ্যে অসুস্থ বা প্রবীণ সদস্য থাকবেন না বললেই চলে। অনন্ত তেমনই সিদ্ধান্ত হয়েছে। তুলনায় গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে নবীনদের। রহস্য করে এক নেতা বলেছেন, “নতুন রক্ত সঞ্চালন করাই এখন মূ্ল কাজ। এটা তার একটা ধাপ বলা যেতে পারে।”
[‘মুসলিমদের এক হাতে কোরান, অন্য হাতে কমপিউটর থাকা উচিত’]
সর্বশেষ খবর
-
ভারতের লড়াইকে ‘বাহবা’ দিলেন ব্রাজিল কোচ, হেরে খালিদ দুষলেন মনঃসংযোগের অভাবকে
-
‘গাজা যুদ্ধ শেষ হোক চাননি নেতানিয়াহু, বন্দি মুক্তিতেও আগ্রহ ছিল না’, বিস্ফোরক প্রাক্তন সেনাকর্তা
-
জলে গেল রাহুলের সেঞ্চুরি, ‘নিয়মরক্ষা’র ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে হার ভারতের
-
Exclusive: ভাঙা তো দূর, নন্দীগ্রামে সামান্য চোটও পাননি মমতা! প্রকাশ্যে ২১-এর রিপোর্ট
-
জাহ্নবীর সঙ্গে গানের দৃশ্য বিকৃত! আইনি পথে জুনিয়র এনটিআর, বিজয় বললেন, ‘ডিজিটালি যৌন নিগ্রহ’