Madras High Court

জাতীয় শিক্ষা নীতি কার্যকর না করায় তামিলনাড়ুর প্রাপ্য মেটাতে অনীহা! কেন্দ্রকে তিরস্কার মাদ্রাজ হাই কোর্টের

ফের ধাক্কা কেন্দ্রের।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১১, ২০২৫, ১৬:৫৮

options
link
জাতীয় শিক্ষা নীতি কার্যকর না করায় তামিলনাড়ুর প্রাপ্য মেটাতে অনীহা! কেন্দ্রকে তিরস্কার মাদ্রাজ হাই কোর্টের
ফাইল ছবি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: জাতীয় শিক্ষানীতির সঙ্গে সমগ্র শিক্ষা মিশনকে গুলিয়ে ফেলবেন না। তামিলনাড়ুর প্রাপ্য বকেয়া নিয়ে সুপ্রিম কোর্টকে নির্দেশ দিল মাদ্রাজ হাই কোর্ট। আদালতের বক্তব্য, “কেন্দ্রের উচিত অবিলম্বে তামিলানাড়ু সরকারের প্রাপ্য টাকা মিটিয়ে দেওয়া হয়।”

Advertisement

কেন্দ্র সমগ্র শিক্ষা মিশনের টাকা না ছাড়ায় তামিলনাড়ুর পড়ুয়াদের সমস্যার মধ্যে পড়তে হচ্ছে। এই অভিযোগে মাদ্রাজ হাই কোর্টে একটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়। ওই মামলার শুনানিতে তামিলনাড়ু সরকার দাবি করেছে, সমগ্র শিক্ষা মিশনের ১৮৮ কোটি টাকা রাজ্য সরকার নিজেদের তরফ থেকে খরচ করেছে। ওই একই পরিমাণ টাকা কেন্দ্রের দেওয়ার কথা। কিন্তু তামিলানাড়ু জাতীয় শিক্ষা নীতি চালু না করায় ওই টাকা কেন্দ্র ছাড়েনি। যদিও কেন্দ্র দাবি করে, ওই টাকা না দেওয়ার সঙ্গে জাতীয় শিক্ষা নীতির কোনও সম্পর্ক নেই।

Advertisement

বস্তুত, ২০২০ সালে নতুন জাতীয় শিক্ষানীতির প্রস্তাব দেয় কেন্দ্র। দেশের সব রাজ্যকে অনুরোধ করা হয় ওই শিক্ষানীতি কার্যকর করার জন্য। কেন্দ্রের অনুরোধে বেশ কিছু বিজেপি শাসিত রাজ্য ওই শিক্ষানীতি কার্যকরও করেছে। কিন্তু তামিলনাড়ু, বাংলা, কেরল-সহ কয়েকটি রাজ্য কেন্দ্রের ওই নীতির প্রবল বিরোধিতা করছে। কোনওভাবেই ওই নীতি কার্যকর করা হবে না বলে একপ্রকার কেন্দ্রের সঙ্গে সরাসরি সংঘাতে তামিলনাড়ুর স্ট্যালিন সরকার। যার জেরে নাকি দক্ষিণের রাজ্যটির শিক্ষাখাতে প্রাপ্য টাকা মেটায়নি কেন্দ্র। সুপ্রিম কোর্টে তামিলনাড়ু সরকার নালিশ করেছে, হিন্দি আগ্রাসনের বিরোধিতা করায় শিক্ষাবিস্তারে তামিলনাড়ুকে আর্থিক অনুদান বন্ধ করে দিয়েছে কেন্দ্র। বিভিন্ন শিক্ষা প্রকল্পের প্রায় ২,১৫১ কোটি টাকা আটকে দিয়েছে মোদি সরকার। এর ফল ভুগতে হচ্ছে ছাত্রঠছাত্রীদের।

Advertisement

এদিন মাদ্রাজ হাই কোর্টের বিচারপতি জি আর স্বামীনাথন এবং ভি লক্ষ্মীর ডিভিশন বেঞ্চ বলে দিল, জাতীয় শিক্ষানীতির সঙ্গে সমগ্রে শিক্ষা মিশনকে গুলিয়ে ফেলা উচিত নয়। তবে মামলাটি যেহেতু সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন, তাই নির্দিষ্ট কোনও নির্দেশ দেওয়া উচিত নয়।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.