সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিহারের উপমুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু তাঁরও রয়েছে দু’টি ভোটার কার্ড! দুই কেন্দ্রের ভোটার তালিকায় রয়েছে তাঁর নাম। বিস্ফোরক অভিযোগের ভিত্তিতে বিহারের উপমুখ্যমন্ত্রী বিজয় কুমার সিনহাকে নোটিস পাঠাল নির্বাচন কমিশন। যদিও দু’টি ভোটার কার্ড রাখার অভিযোগ নস্যাৎ করে দিয়েছেন বিজয়।
বিহারে ভোটার তালিকায় নাম সংযোজন ও বিয়োজন নিয়ে কাটাছেঁড়া চলছে। এর মধ্যেই আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদব দাবি করেন, বিজয়ের নাম রয়েছে ভোটার তালিকায় দু’জায়গায়। পাটনার লখিসরাই এবং বাঁকিপুর, দুই কেন্দ্রেই তাঁর নাম পাওয়া যাচ্ছে বলে অভিযোগ আনেন তেজস্বী। রাজ্যের উপমুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়েরের দাবিও তোলেন তিনি। তেজস্বীর কথায়, বিজয়ের ইপিআইসি নম্বর দু’টি। সুতরাং হয় তিনি হয় তিনি এই দুটি ইপিআইসি নম্বর ইস্যু করার জন্য নথিতে স্বাক্ষর করেছেন, নয়তো পুরো বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়াটিই আসলে ধাপ্পাবাজি।”
তেজস্বীর এই অভিযোগ প্রকাশ্যে আসতেই অবশ্য সাফাই দিয়েছেন বিজয়। তাঁর যুক্তি, ”আমি ইতিমধ্যেই আমার নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার জন্য ফর্মও ফিলআপ করেছি। লখিসরাইয়ের ভোটার তালিকায় আমার নাম ছিল।” সেই সঙ্গেই বিজেপি নেতার দাবি, বাঁকিপুরের ভোটার তালিকা থেকে নিজের নাম বাদ দিতে চান তিনি। কেননা, দুই জায়গাতেই তাঁর নাম রয়েছে। বাঁকিপুর থেকে নাম বাদ দেওয়ার আবেদন করেছেন তার প্রমাণ রয়েছে বলেও জানিয়েছেন বিহারের উপমুখ্যমন্ত্রী।
তবে তেজস্বীর অভিযোগ মেনে নিয়েই রবিবার বিজয়কে নোটিস ধরিয়েছে নির্বাচন কমিশন। বিশেষ নিবিড় সংশোধনের পরেও কেন তাঁর কাছে দু’টি ভোটার কার্ড রয়েছে, সেই প্রশ্নের জবাব চেয়ে কমিশন নোটিস পাঠিয়েছে বলে জানান এক আধিকারিক। তবে প্রশ্ন উঠছে, ভুয়ো ভোটার বাদ দিতে যে রাজসূয় যজ্ঞ করেছিল কমিশন, তা কি আদৌ সঠিকভাবে করা হয়েছে? যদি যথাযথ প্রক্রিয়ায় সংশোধন করা হয়ে থাকে তাহলে এক ব্যক্তির নাম কী করে দুই জায়গায় থেকে গেল?
সর্বশেষ খবর
-
পুরসভার ডিলিমিটেশনে সংখ্যালঘুদের স্বার্থহানি? ফিরহাদ, জাভেদদের জবাব দিলেন মুখ্যমন্ত্রী
-
নেতাজির রাস্তা শ্যামাপ্রসাদের নামে! রামপুরহাটে শুরু জোর বিতর্ক
-
‘বাস্তবতা বদলানো যায় না’, এলএসি সংলগ্ন ২৭টি এলাকার নামবদলে চিনকে পালটা জবাব ভারতের
-
দলের স্ট্র্যাটেজিতে হাত নেই, কাজ শুধু টিকিট বুকিং! ফেডারেশনকে বিঁধে বাজাজ বললেন, ‘শেম অন ইউ’
-
নেতাজির নামে বিধায়ক সেবা কেন্দ্র, বির্তকের মাঝেই বড় ঘোষণায় ‘মাস্টারস্ট্রোক’ মুখ্যমন্ত্রীর