Anil Abmbani

প্রভিডেন্ট ফান্ডে প্রায় ১৮১৬ কোটির জালিয়াতি! অনিল আম্বানির বিরুদ্ধে মামলা সিবিআইয়ের

অভিযোগ, ২০১৩-১৪ সালে রিলায়েন্স ক্যাপিটালের ‘সিকিয়োর্ড নন-কনভার্টিবল ডিবেঞ্চার’-এ ২,৫০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছিল ইপিএফও। কিন্তু নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও সেই টাকা ফেরত দেয়নি সংস্থা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২, ২০২৬, ১৭:১৭

options
link
প্রভিডেন্ট ফান্ডে প্রায় ১৮১৬ কোটির জালিয়াতি! অনিল আম্বানির বিরুদ্ধে মামলা সিবিআইয়ের
অনিল আম্বানি। ফাইল ছবি

প্রভিডেন্ট ফান্ডের (EPFO) বিপুল টাকা জালিয়াতির অভিযোগে শিল্পপতি অনিল আম্বানির বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করল সিবিআই। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তরফে দাবি করা হয়েছে, ইপিএফওতে ১৮১২.২২ কোটি টাকা প্রতারণা, অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের অভিযোগে কেন্দ্রীয় শ্রম মন্ত্রক ২১ জুলাই অনিলের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছিল। তার প্রেক্ষিতেই এই পদক্ষেপ। যদিও এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অনিলের মুখপাত্র।

Advertisement

সিবিআইয়ের তরফে দায়ের করা অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০১৩-১৪ সালে রিলায়েন্স ক্যাপিটালের ‘সিকিয়োর্ড নন-কনভার্টিবল ডিবেঞ্চার’-এ ২,৫০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছিল ইপিএফও। কিন্তু নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও সেই টাকা ফেরত দেয়নি সংস্থা। পরে ন্যাশনাল কোম্পানি ল ট্রাইব্যুনাল (এনসিএলটি)-এর অনুমোদনক্রমে ২০২৪ সালে ইপিএফওকে ১৪৯২ কোটি টাকা ফেরত দেওয়া হয়। তারপরও ১০০৭ কোটি টাকা ও সুদ বাবদ আরও ৮০৯ কোটি টাকা অর্থাৎ ১৮১৬ কোটি টাকা বকেয়া থেকে যায়। বিপুল পরিমাণ এই টাকা বকেয়া থাকায় আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ে ইপিএফও। যার জেরে দায়ের হয় অভিযোগ।

Advertisement

ইপিএফওতে ১৮১২.২২ কোটি টাকা প্রতারণা, অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের অভিযোগে কেন্দ্রীয় শ্রম মন্ত্রক ২১ জুলাই অনিলের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছিল।

ইতিমধ্যেই এই মামলার তদন্ত শুরু করেছে ইডি। এই মামলার তদন্তে এখনও পর্যন্ত ইডি যে নথি পেয়েছে তাতে দেখা যাচ্ছে, ২০১৯ সালের ৭ ডিসেম্বর থেকে ২০২১ সালের ৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত রিল ক্যাপ ও সংস্থা পরিচালনার দায়িত্বে থাক ব্যক্তিরা প্রতারণামূলক লেনদেন করেছেন। তবে এফআইদার দায়ের হলেও যাবতীয় অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন অনিলের মুখপাত্র। তিনি বলেন, সিবিআই যে অভিযোগ দায়ের করেছে সেটি মূলত রিলায়েন্স ক্যাপিটাল লিমিটেডের বিরুদ্ধে। অনিল আম্বানি ২০০৫ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত এই সংস্থার নন-এগজিকিউটিভ ডিরেক্টর ছিলেন। ২০২১ সালে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক এই বোর্ড বাতিল করে সেখানে প্রশাসন নিয়োগ করে। অনিলের বিরুদ্ধে ওঠা খারিজ করে আইনি পদক্ষেপের বার্তা দেওয়া হয়েছে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.