নজরে ‘ড্রাগন’, প্রয়োজনে বগিবিল ব্রিজে নামবে যুদ্ধবিমান

অরুণাচলে সহজেই প্রবেশ করতে পারবে স্থলসেনার ঘাতক ট্যাঙ্কবাহিনী। 

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২৬, ২০১৮, ১০:৩২

options
link
নজরে ‘ড্রাগন’, প্রয়োজনে বগিবিল ব্রিজে নামবে যুদ্ধবিমান

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: শুধুমাত্র যোগাযোগ সাধন নয়, প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রেও বড় পদক্ষেপ বগিবিল ব্রিজ। চিন সীমান্তে সুরক্ষা আরও মজবুত করে প্রয়োজনে বায়ুসেনার অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান নামতে পারবে সেতুটিতে। এছাড়াও এই ব্রিজটি এতটাই শক্তপোক্ত যে এর উপর দিয়ে অরুণাচলে সহজেই প্রবেশ করতে পারবে স্থলসেনার ঘাতক ট্যাঙ্কবাহিনী। 

Advertisement

[রাস্তা ও পার্কে নিষিদ্ধ নমাজ, উত্তরপ্রদেশ পুলিশের নির্দেশে বিতর্ক]

Advertisement

ধোলা-শদিয়া সেতুর পর দেশের দীর্ঘতম ও এশিয়ার দ্বিতীয় দীর্ঘতম ব্রিজ বগিবিল। ৪.৯৪ কিলোমিটারের এই ব্রিজ নির্মাণে খরচ হয়েছে ৫,৯০০ কোটি টাকা। এর ফলে অসমের ডিব্রুগড় থেকে অরুণাচলের রাজধানী ইটানগরের মধ্যে দূরত্ব অনেকটাই কমবে। ফলে চিন সীমান্তে অনেক কম সময়য়েই অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন করতে পারবে ভারত। উল্লেখ্য, বহুদিন ধরেই অরুণাচলের উপর দাবি জানিয়ে এসেছে বেজিং। সম্প্রতি তিব্বতে প্রচুর সেনা, বোমারু বিমান ও ট্যাঙ্ক মোতায়েন করেছে লালফৌজ। তবে ১৯৬২-র যুদ্ধ থেকে শিক্ষা নিয়েছে ভারত। তাই অরুণাচলে সামরিক পরিকাঠামো মজবুত করতে মহাবাহু ব্রহ্মপুত্রের উপর পরপর দু’টি ব্রিজ তৈরি করে ফেলেছে দিল্লি। প্রসঙ্গত, ভারতীয় সেনার হাত রয়েছে রুশ নির্মিত টি-৭০, টি-৯০ ভীষ্ম ও অর্জুন ট্যাঙ্ক। এগুলির ওজন ৬০ টনের মধ্যেই। বগিবিল সেতুটি এই ধরনের ভারি সামরিক যানের কথা মাথায় রেখেই তৈরি করা হয়েছে। ফলে আদেশ পাওয়া মাত্র তিনসুকিয়া সেনাঘাঁটি থেকে লালফৌজের সঙ্গে টক্কর দিতে রওনা দেবে স্থলসেনার ঘাতক ট্যাঙ্কবাহিনী। একই সঙ্গে ওই সেতুটিতে নামতে পারবে বা উড়ান ভরতে পারবে বায়ুসেনার অত্যাধুনিক সুখোই, মিগ-২৯ ও জাগুয়ারের মতো যুদ্ধবিমানগুলি। 

Advertisement

প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, বগিবিল ব্রিজের নির্মাণে কিছুটা হলেও উদ্বিগ্ন লালচিন। এর আগে ২০১৭ সালে ধোলা-শদিয়া সেতুর উদ্বোধনে উষ্মা প্রকাশ করেছিল বেজিং। এক বিবৃতিতে চিনের বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছিল, অরুণাচল প্রদেশ-সহ ভারত-চিন সীমান্তে যেকোনও ধরনের পরিকাঠামোর নির্মাণ ‘ভেবেচিন্তে’ করুক ভারত। ‘বিতর্কিত’ এলাকায় নির্মাণের ক্ষেত্রে ভারতকে আরও ‘সাবধান’ হতে হবে। উল্লেখ্য, ১৯৮৫ সালে প্রথম এই ব্রিজ নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়। মূলত অরুণাচলের সঙ্গে যোগাযোগ প্রশস্ত করার জন্য এই ব্রিজের কথা ভাবা হয়। ১৯৯৭ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী দেবেগৌড়া এই প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। ২০০২ সালে অটলবিহারী বাজপেয়ীর আমলে এর কাজ শুরু হয়। বাজপেয়ীর জন্মদিনেই এই ব্রিজের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।         

 [গেরুয়া রথ রুখতে যোগীর রাজ্যে হাত মেলাতে পারে সপা-বসপা]                              

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.