সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: জ্বরে পুড়ে যাচ্ছে সন্তানের শরীর৷ ডাক্তারদের কাছে সাহায্য চেয়ে করুণ মিনতি করেছিলেন বাবা৷ কিন্তু মেলেনি৷ স্পষ্ট নির্দেশ ছিল শিশু হাসপাতালে নিয়ে যেতে৷ তাই করতে রাজি ছিলেন৷ প্রায় ২৫০ মিটার পথ যাওয়ার জন্য চেয়েছিলেন একটি স্ট্রেচার৷ মেলেনি তাও৷ শেষমেশ কাঁধে করে নিয়ে যাওয়ার সময়ই পথেই মৃত্যু হল ১২ বছরের বালকের৷
ওড়িশার কালাহান্ডিতে মৃত স্ত্রী’র দেহ বয়ে নিয়ে যাওয়ার ঘটনা যখন অমানবিকতার বিজ্ঞাপন হয়ে উঠেছে, তখন এ ঘটনা কানপুরের৷ প্রচণ্ড জ্বর দেখে সন্তানের চিকিৎসার জন্য প্রায় ডাক্তারদের দরজায় দরজায় ঘুরতে হয়েছে সুনীল কুমার নামে ওই ব্যক্তিকে৷ শেষমেশ তিনি পৌঁছন লালা লাজপত রায় হাসপাতালে৷ সেখানে জরুরি বিভাগে সন্তানকে ভর্তি করানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন৷ প্রায় তিরিশ মিনিট অপেক্ষা করার পর তাঁকে জানানো হয় এখানে বাচ্চাটির চিকিৎসা হবে না৷ স্ট্রেচার দিতেও অস্বীকার করা হয়৷ সেখান থেকে শিশুদের হাসপাতালে নিয়ে যেতে যেতেই মৃত্যু হয় বারো বছরের অংশের৷
সুনীল কুমারের অভিযোগ, চিকিৎসকরা একটু সহৃদয় হলে তাঁর সন্তান বেঁচে যেত৷ ছেলে প্রচণ্ড অসুস্থ হওয়ায় প্রায় কাকুতি মিনতি করেছিলেন তিনি৷ কিন্তু কিছু জুনিয়র ডাক্তার ছাড়া কেউই কোনও মনোযোগ দেননি৷ ফলত প্রায় বিনা চিকিৎসায় শিশুটি মারা গিয়েছে বলেই অভিযোগ৷ সরকারি হাসপাতালের দুরবস্থার ছবিই স্পষ্ট হয়েছে এই ঘটনায়৷
সর্বশেষ খবর
-
এবার পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানি, তোলাবাজির অভিযোগ, পুলিশের দ্বারস্থ বধূ
-
‘খুব বাঁচা বেঁচেছি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ধন্যবাদ’, রচনার সুরবদলের পরই কেন একথা বললেন মনোরঞ্জন?
-
আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধেও চুনকাম! ১০৫০ দিন পর সিরিজ হার ভারতের, কেন খেলানো হল না বৈভবকে?
-
‘তোলাবাজি’র অর্থে মেয়ে-স্বামীর নামে সম্পত্তি, নির্বাচনী হলফনামায় তথ্য গোপন! তৃণমূল বিধায়কের বিরুদ্ধে পুলিশে অভিযোগ
-
অস্ট্রেলিয়ার কাছে হেরে গ্রুপ থেকে বিদায়, বিশ্বকাপে স্বপ্নভঙ্গ ভারতের মেয়েদের