Bahraich

বাহরাইচে খাঁচাবন্দি পঞ্চম ‘নরখাদক’, দলের শেষ নেকড়ে সদস্যকে ধরতে মরিয়া প্রশাসন

পঞ্চম নেকড়ের ধরা পড়া কিছুটা স্বস্তির হলেও, শেষ সদস্য ধরা না পড়া পর্যন্ত আতঙ্ক কাটছে না।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৪, ১৩:২৮

options
link
বাহরাইচে খাঁচাবন্দি পঞ্চম ‘নরখাদক’, দলের শেষ নেকড়ে সদস্যকে ধরতে মরিয়া প্রশাসন

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বনদপ্তরের চেষ্টায় উত্তরপ্রদেশের বাহরাইচে খাঁচাবন্দি হল আরও এক মানুষখেকো নেকড়ে। সবমিলিয়ে ধরা পড়ল মোট ৫টি নেকড়ে। যা কিছুটা স্বস্তির খবর হলেও আতঙ্ক কাটছে না এখনই। কারণ, জেলাজুড়ে খোলা ঘুরে বেড়াচ্ছে ওই দলের আরও এক নেকড়ে সদস্য।

Advertisement

গত ২ মাস ধরে উত্তরপ্রদেশের বাহরাইচ জেলায় আতঙ্কের অপর নাম হয়ে উঠেছিল নেকড়ের দল। রাতের অন্ধকারে নরখাদকের হামলায় ইতিমধ্যেই প্রাণ গিয়েছে ৯ জনের। যার মধ্যে ৮ জনই শিশু। পাশাপাশি আহত হয়েছেন আরও ২৪ জন। এই পরিস্থিতিতে দলের ৬ সদস্যের মধ্যে খাঁচা পেতে ৪টি নেকড়েকে ধরা হলেও বাকি দুই নেকড়ের হানায় প্রাণ ওষ্ঠাগত হয়েছিল এলাকাবাসীর। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে যায় যে সরকারের তরফে নেকড়ে দেখামাত্র গুলির নির্দেশ দেওয়া হয়। লাঠি হাতে পাহারায় নামেন এলাকাবাসী। তাতেও অবশ্য আক্রমণ থামানো যায়নি।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: স্ত্রীর নামে ব্যবসা, সন্দীপের মদতে আর জি করে ক্যাফে চালান তাঁরই দেহরক্ষী, তদন্তে দাবি সিবিআইয়ের]

অবশেষে মঙ্গলবার ভোরে বনদপ্তরের ফাঁদে ধরা পড়ে পঞ্চম নেকড়ে। তবে ওই দলের আরও এক সদস্য যতক্ষণ না ধরা পড়ছে, ততক্ষণ এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক বলা যায় না। এদিন বনদপ্তরের তরফে জানানো হয়েছে, মঙ্গলবার ঘাঘরা নদীর কাছে হরবক্ষ পুরওয়া গ্রামে খাঁচা পেতেছিলের বনকর্মীরা। তাতেই আটকা পড়ে নেকড়েটি। তবে শেষ নেকড়েকে পাকড়াও না করা পর্যন্ত বাহরাইচে জারি থাকছে ‘অপারেশন ভেড়িয়া’। মানুষখেকো নেকড়ে ধরতে ২৫টি দল গঠন করার পাশাপাশি নিযুক্ত করা হয়েছে ১৮ জন শার্পশুটার। ফলে খাঁচা পাতার পাশাপাশি বন্দুক হাতে চলছে নেকড়ে ধরার অভিযান।

Advertisement

[আরও পড়ুন: রাজস্থানে রেল দুর্ঘটনার অপচেষ্টা! লাইনের উপরে একাধিক কংক্রিটের ব্লক, অল্পে রক্ষা মালগাড়ির]

এদিকে গত দুমাস ধরে বাহরাইচে নেকড়ের এহেন হামলা অত্যন্ত বিরল বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। নেকড়েগুলি যেভাবে দল বেঁধে মানুষকে আক্রমণ করছিল তা অত্যন্ত বেনজির ঘটনা। সাধারণত নেকড়েরা অত্যন্ত সতর্ক প্রাণী, এবং মানুষকে এড়িয়ে চলাই এদের স্বভাব। প্রাথমিকভাবে বিশেষজ্ঞদের তরফে অনুমান, সম্ভবত গ্রামবাসীরা নেকড়ের বাচ্চাকে হত্যা করেছিল। তারই প্রতিশোধ নিতে এভাবে মানুষকে আক্রমণ চালিয়ে গিয়েছে নেকড়ের দলগুলি।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন