ORS

ORS-এর লেবেল লাগিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি! বহু পানীয়র বিরুদ্ধে কড়া নির্দেশ কেন্দ্রের

WHO-র বেঁধে দেওয়া শর্ত না মানা পানীয়গুলিকে নজরে আনা হচ্ছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২০, ২০২৫, ২৩:৫০

options
link
ORS-এর লেবেল লাগিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি! বহু পানীয়র বিরুদ্ধে কড়া নির্দেশ কেন্দ্রের

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: যে সব ফলের রস, এনার্জি ড্রিঙ্ক, ইলেক্ট্রোলাইট ড্রিঙ্কস ইত্যাদি পণ্য তাদের ব্র্যান্ড-নাম বা পণ্যের নামে ‘ORS’ শব্দটি ব্যবহার করে সেগুলিকে অবিলম্বে বাজার থেকে সরিয়ে ফেলতে হবে! ভারতের খাদ্য সুরক্ষা ও মান দপ্তর FSSAI বুধবার সমস্ত রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের খাদ্য সুরক্ষা কমিশনমারদের এমনই নির্দেশ জারি করেছে। নির্দেশে বলা হয়েছে, ‘বিভ্রান্তি ছড়াতে এবং প্রতারণার উদ্দেশ্যে যে সব ইলেকট্রোলাইট পানীয় ও ‘ORS’ বাজারে লভ্য তা দ্রুত বিভিন্ন খুচরো বিক্রয় কেন্দ্র, ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম প্রভৃতি থেকে সরিয়ে দিতে হবে।’

Advertisement

প্রসঙ্গত, সম্প্রতি জানা গিয়েছে, ফলের রস জাতীয় পানীয়, পরিবেশনের জন্য প্রস্তুত পানীয়, ইলেক্ট্রোলাইট পানীয় ইত্যাদি এবং একই সঙ্গে ওআরএস-জাতীয় পণ্য বাজারজাত রয়েছে। অথচ সেগুলি আদৌ ‘ওআরএস’ নয়! কেননা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা তথা WHO-র বেঁধে দেওয়া যে শর্ত, তা মোটেই মানা হয় না এই সব পানীয়র ক্ষেত্রে। আর সেই কারণেই এই সব পণ্য যত দ্রুত সম্ভব বাজার থেকে সরিয়ে দিতে হবে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

আসলে ওআরএস মানে হল ‘ওরাল রিহাইড্রেশন সলিউশন’। সকলেরই জানা, এই ধরনের পানীয় পান করলে জল ও খনিজ লবণের ভারসাম্যের সমস্যা দূর হয়। শরীর জলশূন্য হয়ে পড়লে তবেই এগুলি পান করতে হয়। কিন্তু দেখা যাচ্ছে, বাজারজাত এই সব পানীয় আদৌ কোনও শর্ত মানছে না। ফলে তা পান করলে রক্তে শর্করা বাড়তে পারে কিংবা অন্য ধরনের গুরুতর শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে পারে।

Advertisement

এই সব পণ্যের বিক্রি রুখতে তিনটি পদক্ষেপ করা হয়েছে। এবং সমস্ত কমিশনারকে ওই নির্দেশ মেনেই পদক্ষেপ করতে বলা হয়েছে। এর মধ্যে প্রথমটি হল, সমস্ত সংশ্লিষ্ট আধিকারিককেই নিজেদের এলাকার ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম এবং খুচরো বিক্রয় কেন্দ্রগুলিতে দ্রুত তল্লাশি চালাতে পরিদর্শনে যেতে বলা। দ্বিতীয়, চিহ্নিত পণ্যগুলি বিক্রয়কেন্দ্র থেকে সরিয়ে দেওয়া। পণ্য বিক্রির সঙ্গে জড়িত ব্যবসায়িক কর্মীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা। তৃতীয়, সংশ্লিষ্ট অভিযানের পরে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব বিস্তারিত রিপোর্ট জমা দেওয়া।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.