যৌন হেনস্তার অভিযোগ, অপমানে আত্মঘাতী তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থার কর্তা

নিজেকে নির্দোষ বলে দাবি করেছেন সুইসাইড নোটে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২০, ২০১৮, ১৬:৫০

options
link
যৌন হেনস্তার অভিযোগ, অপমানে আত্মঘাতী তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থার কর্তা

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: যৌন হেনস্তার অভিযোগ উঠেছিল তাঁর বিরুদ্ধে৷ চাকরিও চলে গিয়েছিল তাঁর৷ তদন্ত চলছিল৷ কিন্তু এই অপমান সইতে পারেননি৷ তার তদন্ত শেষ হওয়ার আগেই নয়ডায় নিজের বাড়িতে আত্মঘাতী হলেন বহুজাতিক তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থা জেনপ্যাক্টের অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট। ৩৫ বছরের তরুণ স্বরূপ রাজ নিজেকে নির্দোষ বলে দাবি করেছেন সুইসাইড নোটে।

Advertisement

[মা-বাবাকে বিদায় জানাতে এসে ট্রেনে কাটা পড়লেন যুবক]

২০০৭ সালে একজন প্রসেস ডেভলপার হিসেবে জেনপ্যাক্টে যোগ দিয়েছিলেন স্বরূপ। মাত্র কয়েক বছরেই পদোন্নতি হয়েছিল তাঁর৷ ২০১৫ সালে হয়েছিলেন সিনিয়র ম্যানেজার। কিছুদিন আগে অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট হন ৩৫ বছরের তরুণ স্বরূপ রাজ। এরপরই তাঁর বিরুদ্ধে যৌন হেনস্তার অভিযোগ আনেন দুই মহিলা সহকর্মী। পুলিশ সূত্রে খবর, অভিযোগ সামনে আসার পরই স্বরূপকে পরিচয়পত্র জমা দিতে বলেছিল তাঁর সংস্থা। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাঁর ল্যাপটপও জমা নিয়ে নেয় জেনপ্যাক্ট। তাঁকে সাময়িকভাবে বরখাস্তও করা হয়েছিল।

Advertisement

[মুম্বইয়ের ট্রাইডেন্ট হোটেলে আগুন, ছড়াল চাঞ্চল্য]

বৃহস্পতিবার নিজের বাড়িতে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন স্বরূপ৷ অপমান সহ্য করতে না পেরেই নিজেকে শেষ করার সিদ্ধান্ত বলে সুইসাইড নোটে জানিয়েছেন এই তরুণ। স্ত্রী-র উদ্দেশ্যে লেখা শেষ চিঠিতে স্বরূপ লিখেছেন,‘‘ আমি তোমাকে জানাতে চাই আমি কতটা ভালবাসি তোমাকে। আমার বিরুদ্ধে দু’জন যৌন হেনস্তার অভিযোগ এনেছে। কিন্তু বিশ্বাস কর, আমি কিছুই করিনি। এই অভিযোগ পুরোপুরি ভিত্তিহীন। কিন্তু এই অভিযোগের কথা জেনপ্যাক্টের সবাই জেনে গিয়েছে। আমার সবাইকে মুখ দেখাতে লজ্জা লাগছে। তদন্তে আমি নির্দোষ প্রমাণিত হলেও সবাই আমাকে বাঁকা চোখেই দেখবে। আমি চাই, তুমি তোমার বাকি জীবনটা সম্মানের সঙ্গে কাটাও।’’ স্বরূপের মৃতদেহ ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে। যদিও স্বরূপের পরিবারের তরফে এখনও কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়নি।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.