গোধরা কাণ্ডে ১১ দোষীর মৃত্যুদণ্ড রদ গুজরাট হাই কোর্টে

খারিজ নিম্ন আদালতের রায়।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৯, ২০১৭, ০৬:৩৮

options
link
গোধরা কাণ্ডে ১১ দোষীর মৃত্যুদণ্ড রদ গুজরাট হাই কোর্টে

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: প্রায় দেড় দশক পর সোমবার গোধরায় সবরমতী এক্সপ্রেসে অগ্নিকাণ্ড মামলায় রায় ঘোষণা করল গুজরাট হাই কোর্ট। দোষীদের স্বস্তি দিয়ে ১১ জনের মৃত্যুদণ্ডের সাজা রদ করে যাবজ্জীবনের রায় ঘোষণা করল আদালত। বাকি  ২০ জন দোষীর সাজা বহাল রেখেছে আদালত। এছাড়াও নিহতদের পরিবারকে ১০ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণের নির্দেশও দেয় হাই কোর্ট। বিচারপতি এ এস দাভে ও বিচারপতি জি আর উধওয়ানির ডিভিশন বেঞ্চ এই রায় দেয়।

Advertisement


উল্লেখ্য, গোধরা মামলার শুনানি শেষ হয়েছিল দু’বছর আগেই। ২০০২ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি ওই ঘটনায় ৫৯ জন করসেবকের মৃত্যু হয়। ২০১১ সালে ওই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় অভি‌যুক্ত ৬৩ জনকে নির্দোষ ঘোষণা করে বিশেষ সিট আদালত। দোষী সাব্যস্ত করা হয় ৩১ জনকে। সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে ফের মামলা হয়। আজ সেই মামলারই রায় ঘোষণা করল গুজরাট হাই কোর্ট। সিট আদালতে ‌যাদের নিরাপরাধ বলে ঘোষণা করা হয়েছিল তাঁদের মধ্যে ছিলেন তৎকালীন গোধরা পুরসভার প্রেসিডেন্ট মওলানা উমরজি। এছাড়াও মহম্মদ হুসেন কালোটা, মহম্মদ আনসারি, নারুমিয়া চৌধুরী। দোষী সাব্যস্ত ৩১ জনের মধ্যে ১১ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। বাকিদের আজীবন কারাবাসের সাজা হয়। উল্লেখ্য, ২০০২ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি গুজরাটের গোধরা স্টেশনে সবরমতী এক্সপ্রেসের এস সিক্স কামরায় অগ্নিকাণ্ডে ৫৯ জনের মৃত্যু হয়। এদের অনেকেই ছিলেন কর সেবক। অযোধ্যা থেকে ফেরার পথে তারা ওই ঘটনার শিকার হন।

এদিন সবরমতী এক্সপ্রেসে অগ্নিকাণ্ড মামলায় তৎকালীন গুজরাট সরকার ও রেলকেও এক হাত নেয় হাই কোর্ট। রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে ব্যর্থ হয়েছে সরকার। পাশাপাশি যাত্রীদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয় ভারতীয় রেল। এমনটাই মন্তব্য করে আদালত।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

[‘ভিত্তিহীন কুৎসা’ রটানোর অভিযোগে মানহানির মামলা অমিত শাহর পুত্রের]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.