Asaram Bapu

শিষ্যাকে ধর্ষণে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড স্বঘোষিত ধর্মগুরু আসারাম বাপুর, দিতে হবে জরিমানাও

অপরাধে অভ্যস্ত আসারাম, মন্তব্য আদালতের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৩১, ২০২৩, ১৬:৩৫

options
link
শিষ্যাকে ধর্ষণে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড স্বঘোষিত ধর্মগুরু আসারাম বাপুর, দিতে হবে জরিমানাও

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: শিষ্যাকে ধর্ষণের মামলায় সোমবার গুজরাটের (Gujarat) একটি আদালত দোষী সাব্যস্ত করেছিল স্বঘোষিত ধর্মগুরু আসারাম বাপুকে (Asaram Bapu)। মঙ্গলবার যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজা ঘোষণা করল ওই আদালত। এইসঙ্গে ৫০ হাজার টাকা জরিমানার সাজা দেন বিচারক। উল্লেখ্য, এক দশক আগের ধর্ষণের মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হল ‘গডম্যানে’র।

Advertisement

৮১ বছরের আসারামকে সাজা দেওয়ার আগে গান্ধীনগর আদালত (Gandhinagar Court) মন্তব্য করে, দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তি ‘অপরাধে অভ্যস্ত’। ফলে যাবজ্জীবন সাজাই তাঁর জন্য উপযুক্ত শাস্তি। পাশাপাশি মোটা অঙ্কের জরিমানাও করা হয় দোষীকে। ২০১৩ সালের ধর্ষণের অপরাধে আজীবন কারাবাসের সাজার পাশাপাশি ৫০ হাজার টাকা জরিমানা হয় গডম্যানের। দায়রা আদালতের বিচারক ডি কে সোনি এদিনের শুনানি শেষে বিকাল সাড়ে তিনটে নাগাদ কঠিন সাজার চূড়ান্ত আদেশ দেন।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: ফেব্রুয়ারি মাসে কোন কোন দিন বন্ধ থাকবে ব্যাংক? জেনে নিন তালিকা]

১০ বছর আগে সুরাটের (Surat) বাসিন্দা এক মহিলা অভিযোগ করেছিলেন, মোতেরার আশ্রমে তাঁকে ধর্ষণ করেন আসারাম। ওই মামলায় আসারামের পরিবারের সদস্য এবং কয়েকজন শিষ্যও অভিযুক্ত ছিলেন। তাঁরা স্ত্রী লক্ষ্মী, ছেলে নারায়ণ সাঁই, মেয়ে ভারতী। চার শিষ্যা ধ্রুববেন, নির্মলা, জাস্সি ও মীরা। মহিলার অভিযোগের ভিত্তিতে ৭৭ বছর বয়সী ধর্মগুরুকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তাঁর বিরুদ্ধে ভারতীয় ফৌজদারি দণ্ডবিধির ৩৪২, ৩৫৪এ, ৩৭০ (৪), ৩৭৬, ৫০৬ ও ১২০ বি ধারায় মামলা দায়ের হয়। সেই মামলাতেই গান্ধীনগর আদালত (Gandhinagar Court) সোমবার দোষী সাব্যস্ত করে স্বঘোষিত ধর্মগুরু আসারাম বাপুকে। মঙ্গলবার যার সাজা ঘোষণা হল। 

Advertisement

[আরও পড়ুন: শেয়ারে বিপুল ধসের ধাক্কা, বিশ্বের ধনীর তালিকায় প্রথম ১০ থেকে ছিটকে গেলেন গৌতম আদানি]

এছাড়াও ২০১৩ সালে যোধপুরের আশ্রমে ১৬ বছরের এক নাবালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছিল আসারামের বিরুদ্ধে। এর পর ২০১৩ সালের আগস্ট মাসে ইন্দোর থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। ওই মামলায় ২০১৮ সালে যোধপুরের একটি আদালত ধর্মগুরুকে দোষী সাব্যস্ত করে। তার পর থেকে যোধপুরেই জেলবন্দি রয়েছেন আসারাম। এবার আরও একটি ধর্ষণের অভিযোগে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হল তাঁর। উল্লেখ্য, পরিবারের সদস্য ও শিষ্যাদের বিরুদ্ধে ধর্ষণে সাহায্যের অভিযোগ থাকলেও গান্ধীনগর আদালত তাঁদের বেকসুর ঘোষণা করেছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.