পাথর ছুড়তে কাশ্মীরি যুবকদের প্ররোচনা ৩০০ হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে

গত তিন সপ্তাহে ওই হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপগুলির ৯০ শতাংশ বন্ধ হয়ে গিয়েছে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৪, ২০১৭, ০৫:২৫

options
link
পাথর ছুড়তে কাশ্মীরি যুবকদের প্ররোচনা ৩০০ হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: প্রায় ৩০০টি-রও বেশি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ। আর তাতে ২৫০ জন করে সদস্য। আর ওই গ্রুপগুলিকেই কিনা বিক্ষোভ দেখানোর জন্য কাশ্মীরি যুবকদের একত্রিত করতে ব্যবহার করা হত। রবিবার এমন তথ্যই দিয়েছেন জম্মু-কাশ্মীরের এক পুলিশ আধিকারিক।

Advertisement

শরিয়ত নিয়ে সংশয় কাটাতে মুসলিম বোর্ডের জোর সোশ্যাল মিডিয়ায় ]

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

জায়গায় জায়গায় সেনা বা নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে যখনই সংঘর্ষ ছড়িয়েছে, তখনই সাধারণ যুবকদের ওই গ্রুপগুলির সাহায্যে সেখানে জমায়েত এবং ইট-বৃষ্টির জন্য উসকানি দেওয়া হত। তুলে ধরা হত কীভাবে সাধারণ মানুষের ওপর সেনার অত্যাচারের চালায়, সেই সমস্ত তথ্য। আর তাতেই দূর থেকেই বিক্ষোভ দেখাতে ছুটে আসত অনেকেই। তবে ওই গ্রুপগুলি নিয়ে আর আশঙ্কার কোনও কারণ নেই বলেই জানিয়েছেন ওই পুলিশ আধিকারিক। তিনি বলেন, ‘আমরা সমস্ত গ্রুপগুলিকে চিহ্নিত করেছি। পাশাপাশি যারা ওই গ্রুপগুলি চালাত তাঁদের ডেকে বুঝিয়েছি। আর এর ফলও হাতেনাতে পেয়েছি।’ তিনি আরও বলেন, গত তিন সপ্তাহে ওই হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপগুলির ৯০ শতাংশ বন্ধ হয়ে গিয়েছে।

Advertisement

নতুন দেশ গড়তে মুসলিমদেরও ভূমিকা আছে, দিলীপকে জবাব আজম খানের ]

গত কয়েকদিনে বিশেষ করে শ্রীনগর উপনির্বাচনের সময় জায়গায় জায়গায় নিরাপত্তাবাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ায় সাধারণ মানুষ। দেখা যায়, বিপুল সংখ্যক কাশ্মীরি যুবকরা তাতে অংশ নিয়েছে। এদিকে, নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা জওয়ানদের গুলিতে অনেকেই প্রাণ হারায়। এরপরেই সরকারের পক্ষ থেকে ওই অঞ্চলে ইন্টারেনট সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়। ওই আধিকারিকের জানান, ‘ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ থাকায় বিক্ষোভকারীদের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য ভাবে কমে গিয়েছে। আগে দেখা যেত ১০ কিলোমিটার দূর থেকেও যুবকরা সেনা জওয়ানদের উদ্দেশে ইট ছুড়তে জড়ো হচ্ছে। এখন আর সেটা হচ্ছে না।’ উদাহরণ হিসেবে তিনি টেনে আনেন শনিবার বদগাঁও জেলায় বিক্ষোভের কথা। যেখানে সেনার গুলিতে দুই জঙ্গির মৃত্যুর পরেও খুব কম সংখ্যক কাশ্মীরি যুবকই বিক্ষোভ দেখিয়েছিলেন।

ওই আধিকারিক আরও বলেন, গত এক বছর ধরেই সেনা ও পুলিশের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখানোর জন্য সোশ্যাল সাইটগুলিকে ব্যবহার করা হচ্ছিল। কিন্তু ইন্টারনেট না থাকায় হোয়াটস অ্যাপ বা ফেসবুক ব্যবহার করা যাচ্ছে না। আর এর ফলেই কাশ্মীরি যুবকদের উসকানি দেওয়ার রাস্তাও অনেকটাই বন্ধ হয়ে গিয়েছে।

[ সোনুর বিরুদ্ধে ফতোয়া জারি করা মৌলবিকে মৃত্যুর হুমকি ]

যদিও ইন্টারনেট বন্ধ থাকায় সমস্যায় পড়েছেন অনেক ব্যবসায়ীরা। কারণ ব্যবসার জন্য তাঁদের অনলাইনের ওপরেই ভরসা করতে হয়। অনেকেই আবার আর্জি জানিয়েছেন যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এই সমস্যা যেন সরকার সমাধান করে।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.