সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সরাসরি লড়াইয়ে অক্ষম, তাই ছায়াযুদ্ধই ভরসা পাকিস্তানের। সন্ত্রাসবাদ থেকে শুরু থেকে মাদক পাচার। সমস্তই এখন পড়শি দেশের অস্ত্র। এবার তদন্তে সামনে এসেছে ভারতে নেশার জাল ছড়ানোর ভয়ানক চক্রান্ত। গতমাসে গুজরাট উপকূল থেকে প্রায় ১৫০০ কিলোগ্রামেরও বেশি হেরোইন ঠাসা জাহাজ আটক করে ভারতীয় উপকূলরক্ষী বাহিনী। যার বাজারদর আনুমানিক ৩৫০০ কোটি টাকা। দু’টি সন্দেহজনক জাহাজকে তাড়া করে এই বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধার হয়। এখনও পর্যন্ত দেশের বৃহত্তম ড্রাগ পাচার চক্রে নড়েচড়ে বসে নিরাপত্তামহল। শুরু হয় তদন্ত। আর সেই তদন্তেই এবার উঠে এল পাকিস্তানের নাম। শুধু তাই নয় ইরান ও আবুধাবি পর্যন্তও ছড়িয়ে যোগ।
[গিজা পিরামিডের মধ্যে গোপন কক্ষ, লুকিয়ে কোটি কোটি টাকার সম্পত্তি?]
গুজরাট মাদক পাচার চক্রে জড়িত থাকার অভিযোগে এখনও পর্যন্ত প্রায় ১১ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তদন্তের জাল ছড়িয়েছে মুম্বই ও কলকাতা পর্যন্ত। মাদক পাচারে মূল অভিযুক্ত ‘এম ভি হেনরি’ নামের জাহাজটির ক্যাপ্টেনের বাড়ি কলকাতায় বলে জানতে পারে তদন্তকারীরা। তারপরই কলকাতার এন্টালি থানা এলাকা থেকে এই ঘটনায় মূল অভিযুক্তর সুপ্রীত তিওয়ারির ভাই সুজিতকে আটক করে কলকাতা পুলিশের স্পেশ্যাল টাস্ক ফোর্স বা এসটিএফ। জানা গিয়েছে, জাহাজটির মালিক সইয়দ আলি মানরি। তার নির্দেশেই চলতি বছরের মে মাসে জাহাজটির ভার নেয় সুপ্রীত। তারপর ইরানের বন্দর আব্বাস বন্দর থেকে রওনা দেয় ‘এমভি হেনরি’। সেখান থেকে আবুধাবি পৌঁছায় জাহাজটি। তারপর সুপ্রীতের সঙ্গে যোগ দেয় খালিদ মহম্মদ নামের এক পাকিস্তানি ও মুস্তাফা নামের ইরানের এক পাচারকারী।
[লাগামছাড়া যৌনাচার-ব্ল্যাকমেল করে ধৃত ‘সুলতান অফ সেক্স’]
জানা গিয়েছে, সুপ্রীতকে পাকিস্তানের গদর বন্দর থেকে মাদক নিয়ে মিশরের উদ্দেশ্যে রওনা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল মানরি। এই কাজের জন্য ৫০ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছিল তাকে। তবে ওই টাকায় মন ভরেনি সুপ্রীতের। তাই মানরিকে শিক্ষা দেওয়ার জন্য মাদক বোঝাই জাহাজ নিয়ে ভারতের উদ্দেশ্যে রওনা দেয় সে। আর তারপরই ভারতীয় উপকূলরক্ষী বাহিনীর হাতে ধরা পড়ে ‘এম ভি হেনরি’। সূত্রের খবর, সুপ্রীতের উদ্দেশ্যে ছিল জাহাজটিকে গুজরাটের আলং শিপইয়ার্ডে নিয়ে আসা। সেখানে তার জন্য অপেক্ষা করছিল বিশাল ও বিজয় পান্ডিয়ান নামের দুই দুষ্কৃতী। শিপইয়ার্ডে এনে জাহাজটিকে ভেঙে ফেলে প্রমাণ লোপাটের পরিকল্পনা ছিল তাদের। তবে পুলিশের তৎপরতায় ধরা পড়ে বিশাল ও বিজয়। জানা গিয়েছে, প্রায় ৫০০ কোটি টাকায় মিশরের এক পাচারকারীর কাছে ওই মাদক বিক্রি করার কথা ছিল। ওই টাকা থেকে ৩৫০ কোটি পেত মানরি। বাকিদের ভাগে আসত ৫০ কোটি করে। তদন্তে পাক যোগে উদ্বিগ্ন ভারতীয় গোয়েন্দারা। শুধু মাদক নয় জলপথে ফের ২৬/১১-র মতো হামলার আশঙ্কা উড়িয়ে দিচ্ছেন না তাঁরা।
সর্বশেষ খবর
-
যুবতীর দেহ হাসপাতালে রেখেই পলাতক, খুনের অভিযোগে গ্রেপ্তার লিভ ইন পার্টনার-সহ ২
-
পুড়ল হেমন্ত-রাহুলের কুশপুতুল, পদত্যাগের দাবিতে মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবন ঘেরাওয়ের ডাক ঝাড়খণ্ডের ছাত্রবিক্ষোভে
-
ঢাকার পাক দূতাবাসের মদতে পাকিস্তানে ভারতীয় সিমকার্ড পাচার! কোচবিহার কাণ্ডে চাঞ্চল্যকর মোড়
-
পঞ্চভূতে বিলীন রাজা সেন, চোখের জলে বিদায় জাতীয় পুরস্কারজয়ী পরিচালককে
-
‘কী করছেন, সমস্ত রিপোর্ট আছে’, দলের বিধায়কদের চরম হুঁশিয়ারি শমীকের