Gurugram

ভোট দিতে বাংলায় এসেছেন কাজের লোক, হাহাকার গুরুগ্রামের ফ্ল্যাটগুলিতে

মিলেনিয়াম সিটির উচ্চবিত্ত মহলের ঘর গেরস্থালি সামলানো কাজের লোকেরা ভোট দিতে 'দেশে' মানে পশ্চিমবঙ্গে বাড়ি গিয়েছেন।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৬, ২০২৬, ১৩:৪৯

options
link
ভোট দিতে বাংলায় এসেছেন কাজের লোক, হাহাকার গুরুগ্রামের ফ্ল্যাটগুলিতে
ফাইল ছবি।

বাংলার ভোটের জেরে প্রায় দেড় হাজার কিমি দূরে গুরুগ্রামের আবাসন পাড়ার একের পর এক ফ্ল্যাটবাড়িতে কাজের লোকের অভাবে সমস্যার পাহাড়। মিলেনিয়াম সিটির উচ্চবিত্ত মহলের ঘর গেরস্থালি সামলানো কাজের লোকেরা ভোট দিতে ‘দেশে’ মানে পশ্চিমবঙ্গে বাড়ি গিয়েছেন। রেসিডেন্সিয়াল কমপ্লেক্সগুলিতে সাময়িক কাজের লোকের চাহিদা তুঙ্গে। কিন্তু চাইলেই লোক মিলবে, এমন ভরসা নেই। অস্থায়ী ভিত্তিতে কাজের লোকের ব্যবস্থা না হওয়ায় আবাসিকরা নিজেরাই ঘরবাড়ি সাফ করছেন, ঝাঁট দিচ্ছেন, জামাকাপড় কাচাকাচি করছেন, খাওয়া বাসনপত্র মাজছেন। নিজেদের জামাকাপড় ইস্তিরি! তাও করতে হচ্ছে নিজে হাতেই। অফিস বেরনোর তোড়জোড়ের মধ্যেই ঘরের কাজ সেরে নিতে হচ্ছে স্বামী-স্ত্রীকে। তাও যাদের অফিস নেই, তাঁদের হাতে ঘরের কাজ সেরে ফেলার সময় থাকে। কিন্তু চরম সমস্যায় পড়েছেন কর্মরত দম্পতিরা।

Advertisement

সেক্টর ১৫-র হোম অ্যাপার্টমেন্টসের বাসিন্দারা জানাচ্ছেন, ঘর-বাহির সামাল দিতে দম ফুরিয়ে যাচ্ছে। চাইলেই বিকল্প কাজের লোকের সন্ধান মেলাও সহজ নয়। সেক্টর ৩৭ সি-র করোনা অ্যাপার্টমেন্টসের এক মহিলা আবাসিক জানিয়েছেন, তাঁর ঘর সামলানো কাজের লোক ভোট দিতে কলকাতায় গিয়েছেন, কবে ফিরবেন, জানা নেই। আরেকজন বলছেন, একজন কাজের লোক খুঁজছি, কিন্তু কাউকে পাইনি। ঘরের ভিতরে নোংরা, ময়লা জমছে। একই অভিজ্ঞতা শোনালেন সেক্টর ৬৩-র অনন্ত রাজ এস্টেটের বাসিন্দা বীনা গুপ্তা। তিনি জানান, “আমাদের কাজের মেয়েটিও বাংলায় গিয়েছে। বিকল্প ব্যবস্থাও করা যায়নি। আশা করছি, ভোট মিটে গেলেই ও চলে আসবে।”
আবার সেক্টর ৪০-এর এক বাসিন্দা জানালেন, তাঁর বাড়ির কাজের লোক দশদিন আগেই ভোটের জন্য চলে গিয়েছে। বাসনপত্র মাজা, ঘর পরিষ্কার করার কোনও লোক না পেয়ে তিনি অথৈ জলে পড়েছেন।
আপাতত সুনীতা পাঞ্চাল, বীনা গুপ্তদের মতো গুরুগ্রামের আবাসিক কমপ্লেক্সের বাসিন্দাদের চোখ ক্যালেন্ডারের পাতায়। ২৩ এপ্রিল পেরিয়ে গিয়েছে, ২৯ এপ্রিল দিনটার অপেক্ষায় রয়েছেন সকলেই। সেদিনই বাংলার শেষ দফার ভোট। পাঞ্চাল জানালেন, ফোনে কথা হয়েছে। কাজের লোকটি জানিয়েছেন, ভোট দিয়েই পরদিন ট্রেন ধরবে। বাকিরাও ফোনে কাজের লোকের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন, যত দ্রুত সম্ভব তাঁদের ফিরে আসার অপেক্ষায় দিন গুনছেন।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement
Advertisement
দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.