একসঙ্গে পাঁচ রাজ্যের নির্বাচন হলেও কার্যত গোটা দেশের নজরে ছিল পশ্চিমবঙ্গ। গত দেড় দশকের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতেই বিরোধীদের অভিযোগ ছিল, তৃণমূল জমানায় বাংলায় শান্তিপূর্ণ ভোটের নামে রীতিমতো দাদাগিরি চালাত শাসকদল। অতীতের ভোটে রাজ্যজুড়ে বোমা-বারুদের দাপট দেখত মানুষ। এই কারণেই বিধানসভা নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গে নির্বিঘ্নে ভোট পরিচালনা করা কার্যত চ্যালেঞ্জ ছিল জ্ঞানেশ কুমারের কাছে। এমনটাই খবর কমিশন সূত্রে।
প্রসঙ্গত, ছাব্বিশের নির্বাচনের আগে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে রাজ্যের তৃণমূল সরকারের নজিরবিহীন সংঘাত ছিল। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে বারবার আক্রমণ শানিয়েছিলেন তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে চিঠির পর চিঠি গিয়েছিল নির্বাচন কমিশনের দপ্তরে। বাংলার ভোট মিটিছে প্রায় আড়াই মাস। রাজ্যে নতুন সরকার গঠন হওয়ার পর এবার এবার মুখ খুললেন জ্ঞানেশ কুমার।
ঘনিষ্ঠ মহল সূত্রে খবর, ২৯ এপ্রিল বাংলার দ্বিতীয় দফা এবং শেষ ভোটের দিন সন্ধেয় রক্তপাত শূন্য নির্বাচন আর ৯৩ শতাংশের বেশি ভোটের খবর পেয়ে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছিল কমিশন। সংবাদমাধ্যমে শান্তিপূর্ণ ভোট দেখে সেদিন জ্ঞানেশ কুমারের চোখে জল এসে গিয়েছিল।
সম্প্রতি দিল্লির একটি সাংবাদিক বৈঠকে এ বিষয়ে তিনি সরাসরি কিছু না বললেও, তাঁর ঘনিষ্ঠ মহল সূত্রে খবর, ২৯ এপ্রিল বাংলার দ্বিতীয় দফা এবং শেষ ভোটের দিন সন্ধেয় রক্তপাত শূন্য নির্বাচন আর ৯৩ শতাংশের বেশি ভোটের খবর পেয়ে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছিল কমিশন। সংবাদমাধ্যমে শান্তিপূর্ণ ভোট দেখে সেদিন জ্ঞানেশ কুমারের চোখে জল এসে গিয়েছিল।
সর্বশেষ খবর
-
জোড়াফুল প্রতীক কার হাতে? চলতি সপ্তাহেই ভবিষ্যৎ নির্ধারণ মমতা-ঋতব্রতর
-
বিশ্বকাপে ফের দেখা যাবে আফগান রূপকথা, দক্ষিণ আফ্রিকার টিকিট পেলেন রশিদ খানরা
-
দার্জিলিংয়ে জোরবাংলো ট্রাফিক পয়েন্টের কাছে ধসে উধাও অর্ধেক রাস্তা! বিপর্যস্ত জনজীবন
-
ডাক্তারিতে ভর্তি করানোর নামে প্রতারণা, ২৫ লক্ষ টাকা হাতাল কাউন্সিলিং সংস্থা!
-
সরকারি হাসপাতালে থ্রেট কালচারের মাথা! চিকিৎসক অভীক দে-র বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন