সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ঐতিহাসিক শহর এই লখনউ৷ এখানে প্রতিটি বাড়ির দেওয়ালে লুকিয়ে রয়েছে বহু ইতিহাস৷ বহু অজানা তথ্য৷ রয়েছে এমন অজানা গল্প, যেই গল্পের আপাতভাবে নেই কোনও যুক্তি৷ সেই গল্প শুধু ভীতির সঞ্চার করতে পারে মানুষের মনে৷ মানুষকে পৌঁছে দিতে পারে মরণের সীমানায়৷
লখনউয়ের এমনই এক জায়গা হল নিরালা নগর৷ জায়গাটির নামেই রয়েছে অলৌকিক আবেশ৷ নামটিই বুঝিয়ে দিচ্ছে এই জায়গা পরিত্যক্ত এবং নির্জন৷ এখানে যাতায়ত করেন না কেউ৷ কিন্তু সাধারণ মানুষের বিশেষ যাতায়াত না থাকলেও এই নিরালা নগর কিন্তু একেবারেই নিরালা এমনটা নয়৷ এই বিশেষ নগরে বাস তেনাদের৷
শোনা যায়, লখনউয়ের একেবারে কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত এই নিরালা নগর নাকি এতটাই ভয়াবহ যে স্থানীয় বাসিন্দারা এই অঞ্চলকে ভৌতিক বলে চিহ্নিত করেছেন৷ শুধু তাই নয়, শোনা যায় ১৯৬০ সালে এই নগরের জমি লখনউ উন্নয়ন দফতরের হাতে চলে গেলেও, এই জায়গার বেশি কোনও উন্নতি সাধন করতে পারেনি প্রশাসন৷
শোনা যায়, বহু আগে নাকি দুটি গোরস্থান ছিল এই নিরালা নগরে৷ মৃত্যুর পরে বহু মানুষের ঠিকানা হত এই নিরালা নগর৷ হিন্দু শশ্মান থেকে শুরু করে মুসলমানদের গোরস্থান, সবই ছিল এই নিরালা নগরে৷
শোনা যায়, আজও পথ চলতি মানুষেরা এই জায়গা দিয়ে যাতায়াত করতে চান না৷ কারণ আজও এই পথে যাওয়ার সময় বহু ভৌতিক ঘটনার সম্মূখীন হন সাধারণ মানুষ৷ এই পথ দিয়ে যাতায়াতের সময় বহু অবয়ব নাকি দেখতে পাওয়া যায় এই রাস্তায়৷ পাশাপাশি, রাস্তার ধারে গাছে ঝুলতে দেখা যায় কোনও মহিলার দেহ৷ সেই সঙ্গে, সাদা পোশাক পরা মহিলাও বহু পথ চলতি মানুষের জীবনে মূর্তিমান আতঙ্ক হয়ে দাঁড়ায়৷
শোনা যায়, অতৃপ্ত আত্মারাই নাকি এই স্থানে ঘোরাফেরা করে এবং জীবনকে ভয়াবহ করে তোলে৷
সর্বশেষ খবর
-
৬৫ বছর পর সত্যজিৎ স্মৃতির নিমতিতা রাজবাড়িতে ছবির শুটিং, প্রকাশ্যে ‘দহন বেলার প্রেম’-এর ট্রেলার
-
পিতৃপক্ষ শুরু হওয়ার আগেই বাড়ি থেকে সরান এই ৫ জিনিস, অশুভ প্রভাব কাটবে
-
ট্রাম্প যা চান, জিনপিং কি তা দেবেন? ‘ড্রাগন-ঈগল নৃত্যে’ বিগড়াতে পারে দিল্লির ‘বহিখাতা’
-
রতনে রতন চেনে! ৫০ লাখের তোলাবাজিতে সুমিতের ‘সঙ্গী’ আইপ্যাকের প্রতীক জৈনের আপ্তসহায়ক?
-
শিল্ডেও ভরসা জুনিয়ররা, কাস্টমসের বিরুদ্ধে জিতে অভিযান শুরু ইস্টবেঙ্গলের