LPG Crisis

মিলছে না গ্যাস, দেশজুড়ে বন্ধ হাজার হাজার হোটেল! মোদির জবাব চেয়ে সরব রেস্তরাঁ মালিকরা

মঙ্গলবার থেকে মুম্বইয়ের অন্তত ২০ শতাংশ হোটেল বন্ধ হয়ে যাবে। যুদ্ধের আবহে বাণিজ্যিক গ্যাস পেতে প্রবল সমস্যা হচ্ছে বলেই জানাচ্ছেন হোটেল মালিকরা। একই ছবি চেন্নাই, বেঙ্গালুরুর মতো শহরগুলিতেও।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১০, ২০২৬, ১৭:২৫

options
link
মিলছে না গ্যাস, দেশজুড়ে বন্ধ হাজার হাজার হোটেল! মোদির জবাব চেয়ে সরব রেস্তরাঁ মালিকরা
প্রতীকী ছবি।

ইরান-আমেরিকা যুদ্ধের জেরে এবার বড়সড় ক্ষতির মুখে ভারতের হোটেল ব্যবসা। জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার থেকে মুম্বইয়ের অন্তত ২০ শতাংশ হোটেল বন্ধ হয়ে যাবে। যুদ্ধের আবহে বাণিজ্যিক গ্যাস পেতে প্রবল সমস্যা হচ্ছে বলেই জানাচ্ছেন হোটেল মালিকরা। একই ছবি চেন্নাই, বেঙ্গালুরুর মতো শহরগুলিতেও। গ্যাসের সমস্যা (LPG Crisis) মেটাতে কেন্দ্রের পদক্ষেপ দাবি করেছেন তাঁরা। সূত্রের খবর, এলপিজি উৎপাদন বাড়াতে শোধনাগারগুলিকে নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্র।

Advertisement

ভয়ংকর যুদ্ধের সরাসরি প্রভাব পড়তে শুরু করেছে ভারতের সাধারণ নাগরিকদের উপর। একধাক্কায় ৬০ টাকা বেড়েছে রান্নার গ্যাসের দাম। বাণিজ্যিক গ্যাসের দাম সিলিন্ডারপিছু ১১৫ টাকা বেড়েছে। রিপোর্ট বলছে যুদ্ধের জেরে জ্বালানি গ্যাসের সরবরাহ ব্যাপকভাবে প্রভাবিত হয়েছে। সেকারণেই ভারতের বাজারে গ্যাসের সংকট বাড়ছে বলেই অনুমান। বেঙ্গালুরুর হোটেল অ্যাসোসিয়েশন জানিয়ে দিয়েছে, গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে হোটেল ব্যবসায় বড়সড় ক্ষতি হবে। মঙ্গলবার থেকে একাধিক হোটেল বন্ধ করে দেওয়া হবে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

হোটেল-রেস্তরাঁর উপর অনেকখানি নির্ভর করে দেশের অর্থনীতি। পাইস হোটেল হোক বা পাঁচতারা রেস্তরাঁ-দেশবাসীর মুখে খাবার তুলে দেয় প্রতিদিন। কিন্তু যুদ্ধের আবহে হোটেল শিল্পের অবস্থা সঙ্গীন হয়ে উঠছে।

মুম্বই এবং চেন্নাইয়ের হোটেল মালিকরাও একই কথা বলেছেন। চেন্নাইয়ের অ্যাসোসিয়েশন চিঠি লিখেছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে। সেখানে বলা হয়েছে, বাণিজ্যিক গ্যাসের অভাবে বহু বুকিং বাতিল করতে হতে পারে। ফলে হোটেলগুলি বড়সড় লোকসানের মুখে পড়বে। গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক করতে মোদি পদক্ষেপ করুন, আর্জি হোটেল মালিকদের। মুম্বইয়ের ২০ শতাংশ হোটেল মঙ্গলবার থেকেই পরিষেবা বন্ধ করতে চলেছে। বেশ কিছু খাবার, যা বানাতে বেশি গ্যাস লাগে সেগুলি বানানোও বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। হোটেলগুলি তাড়াতাড়ি বন্ধও করে দেওয়া হচ্ছে মুম্বইয়ে।

Advertisement

হোটেল মালিকদের জাতীয় অ্যাসোসিয়েশনের মতে, “রেস্তরাঁর জন্য সিলিন্ডার সরবরাহে নিষেধাজ্ঞা বসায়নি সরকার। কিন্তু বাস্তবটা অন্য কথা বলছে। এই নিয়ে সরকারকে দ্রুত পদক্ষেপ করতে হবে। গোটা পরিস্থিতি নিয়ে জবাব দিতে হবে।” কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়, বাণিজ্যিক গ্যাস সরবরাহের ক্ষেত্রে হাসপাতাল এবং স্কুলগুলিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। অন্যান্য বাণিজ্যিক ক্ষেত্রে গ্যাস সরবরাহের ক্ষেত্রে কমিটি গঠন করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, হোটেল-রেস্তরাঁর উপর অনেকখানি নির্ভর করে দেশের অর্থনীতি। পাইস হোটেল হোক বা পাঁচতারা রেস্তরাঁ-দেশবাসীর মুখে খাবার তুলে দেয় প্রতিদিন। কিন্তু যুদ্ধের আবহে হোটেল শিল্পের অবস্থা সঙ্গীন হয়ে উঠছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন