INDIA bloc

একাধিক লক্ষ্যে উপরাষ্ট্রপতি পদে লড়তে চলেছে ইন্ডিয়া জোট! প্রার্থী নিয়ে আলোচনা জারি

উপরাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী বাছাইয়ের ভার প্রধানমন্ত্রী মোদিকে দিয়েছে ইন্ডিয়া জোট।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৯, ২০২৫, ১৬:৫৯

options
link
একাধিক লক্ষ্যে উপরাষ্ট্রপতি পদে লড়তে চলেছে ইন্ডিয়া জোট! প্রার্থী নিয়ে আলোচনা জারি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কোনওভাবেই বিজেপিকে ফাঁকা মাঠে গোল করার সুযোগ দেওয়া যাবে না। পরাজয় কার্যত নিশ্চিত জেনেও জগদীপ ধনকড়ের ছেড়ে যাওয়া উপরাষ্ট্রপতি পদের নির্বাচনে প্রার্থী দিতে পারে বিরোধী শিবির। সম্প্রতি রাহুল গান্ধীর বাড়িতে নৈশভোজে আমন্ত্রিত ছিলেন ইন্ডিয়া জোটের নেতারা। সেখানে নৈশভোজের পর আলাদা করে বৈঠক হয় জোটের শীর্ষস্থানীয় নেতাদের। সেই বৈঠকেই উপরাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী দেওয়া নিয়ে আলোচনা হয়।

Advertisement

সূত্রের দাবি, ইন্ডিয়া জোটের নেতারা ঠিক করেছেন বিজেপি বা এনডিএ জোটের তরফে যাঁকেই দাঁড় করানো হোক পালটা প্রার্থী দেওয়া হবে। সেই প্রার্থীর নাম নিয়েও প্রাথমিকভাবে আলোচনা করা হয়েছে। প্রার্থীর নাম চুড়ান্ত না হলেও মোটামুটিভাবে প্রার্থী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে কোন কোন বিষয় নজর রাখা হবে, সেটা ঠিক করে ফেলা হয়েছে। সচরাচর উপরাষ্ট্রপতি বা রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে শাসক বিরোধী ঐক্যমত্যে পৌছনোর চেষ্টা করা হয়। সরকারের তরফেই সেটার উদ্যোগ নেওয়া হয়। তবে সরকার পক্ষ এখনও উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে বিরোধীদের সঙ্গে যোগাযোগ করেনি বলেই খবর।

Advertisement

সূত্রের খবর, এনডিএ জোটের তরফে সিদ্ধান্ত হয়েছে উপরাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী কে হবেন, সেটা ঠিক করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রাথমিকভাবে শোনা যাচ্ছিল, এবার উপরাষ্ট্রপতি পদে এনডিএ শরিক দলগুলির কোনও বর্ষীয়ান নেতাকে বসানো হতে পারে। কিন্তু বিজেপি সূত্র সে সম্ভাবনা খারিজ করে দিচ্ছে। সূত্রের দাবি, উপরাষ্ট্রপতি হিসাবে এমন কাউকে বাছা হবে যিনি বিজেপির মূল ভাবধারার সঙ্গে সম্পৃক্ত।

Advertisement

ইন্ডিয়া জোট সূত্রের খবর, কোনওভাবে প্রার্থীর নামে সরকারের সঙ্গে ঐক্যমতে পৌঁছনো না গেলে শেষ পর্যন্ত উপরাষ্ট্রপতি ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারে ইন্ডিয়া জোট। সেক্ষেত্রে দুটি বিষয় হতে পারে। এক, নিজেদের মধ্যেকার ঐক্য জনসমক্ষে তুলে ধরা। দুই, রাজনৈতিকভাবে বিজেপিকে এক ইঞ্চিও জমি না ছাড়ার বার্তা দেওয়া যাবে। তাছাড়া উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচনে দলিত, ওবিসি বা সংখ্যালঘু কাউকে প্রার্থী করা হলে সেই জনগোষ্ঠীকেও বার্তা দেওয়া যাবে। তাছাড়া রাজ্যসভা ও লোকসভা মিলিয়ে এই মুহূর্তে শাসক শিবিরের সংসদ সংখ্যা বিরোধীদের থেকে বিরাট কিছু বেশিও নয়। ফলে লড়াইটাও আগের মতো একপেশে হবে না।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.