মার্কিন-তালিবান চুক্তি নিয়ে উদ্বিগ্ন ভারত, ট্রাম্পের কাছে ‘জবাব’ চাইবে দিল্লি!

আফগানিস্তানে পাকিস্তানর ভূমিকা নিয়ে উদ্বিগ্ন সাউথ ব্লক।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২০, ১১:১৪

options
link
মার্কিন-তালিবান চুক্তি নিয়ে উদ্বিগ্ন ভারত, ট্রাম্পের কাছে ‘জবাব’ চাইবে দিল্লি!

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ভারত সফর ঘিরে তুঙ্গে জল্পনা। এই সফর শেষ করেই আফগানিস্তানে তালিবানের সঙ্গে শান্তি চুক্তি সই করার কথা রয়েছে তাঁর। ফলে নয়াদিল্লিতে মোদি-ট্রাম্প বৈঠকে কাবুল প্রসঙ্গ যথেষ্ঠ গুরুত্ব পাবে বলেই মত বিশ্লেষকদের। 

Advertisement

সূত্রের খবর, ট্রাম্প প্রশাসনের  কাছে আসন্ন মার্কিন-তালিবান শান্তি চুক্তির সমসত তথ্য জানতে চাইবে সাউথ ব্লক। তবে, এই আলোচনায় ভারতের কচে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হবে, ওই চুক্তিতে পাকিস্তানের ভূমিকা কী এবং কতটা? নয়াদিল্লির আশঙ্কা, এই শান্তি চুক্তির সুযোগ নিয়ে আফগানিস্তানে কৌশলগত আধিপত্য ফিরে পাওয়ার চেষ্টা চালাবে ইসলামাবাদ। হাক্কানি নেটওয়ার্ক ও তালিবানের সঙ্গে আইএসআইয়ের মধুর সম্পর্কের ফলে সেখানে ভারত-বিরোধী সন্ত্রাসের সম্ভাবনাও বাড়বে।               

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

উল্লেখ্য, গত শনিবার জার্মানির মিউনিখ শহরে ট্রাম্প সরকারের আফগানিস্তান বিষয়ক বিশেষ প্রতিনিধি জালমে খলিলজাদের সঙ্গে দেখা করেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনের ফাঁকে তালিবানের সঙ্গে আসন্ন শান্তি চুক্তি নিয়ে প্রাথমিক কথা হয় দু’জনের মধ্যে। নয়াদিল্লিকে জানানো হয়েছে, এই চুক্তি নিয়ে আমেরিকা এবং আফগানিস্তানের আশরফ ঘানি সরকার একমত হতে পেরেছে। চুক্তি সই হওয়ার পরে অস্ত্র ত্যাগ করবে তালিবান জঙ্গিরা এবং মার্কিন সেনা ধীরে ধীরে সে দেশ থেকে চলে যাবে। তার পরে আফগানিস্তানের বর্তমান নির্বাচিত সরকারের সঙ্গে তালিবানের আলোচনা শুরু হবে। সংশ্লিষ্ট সূত্রের মতে, ফেব্রুয়ারির ২২ থেকে ২৮-এর মধ্যে হিংসাত্মক কার্যকলাপ কমাতে থাকবে তালিবান জঙ্গিরা। যদি তা একবারেই কমিয়ে ফেলা যায়, তবে ট্রাম্প দিল্লি থেকে ফিরে যাওয়ার কয়েক দিনের মধ্যেই দু’তরফের মধ্যে লিখিত চুক্তি সই হতে পারে। 

Advertisement

নয়াদিল্লির আশঙ্কার মূল কারণ হচ্ছে মার্কিন সেনা সরে যাওয়ার পরে আফগানিস্তানে পাকিস্তানের ভূমিকা। পাকিস্তান বরাবরই বলে এসেছে, আফগানিস্তানে রাজনৈতিক ও প্রতিরক্ষা কর্মকাণ্ডে ভারতের কোনও ভূমিকা নেই, থাকতে পারে না। অন্য দিকে ভারতও কিন্তু আফগানিস্তানের পরিকাঠামো পুনর্গঠন ও মানবিক সাহায্যের দিকেই মূলত নজর দিয়ে এসেছে এত দিন। কিন্তু এখন ভারতকে সতর্ক থাকতে হবে যে, মার্কিন বাহিনী সরে যাওয়ার পরে ইসলামাবাদ যেন নয়াদিল্লিকে নতুন কোনও চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলতে না পারে।

[আরও পড়ুন: ট্রাম্পের সফরের জের, বসতিবাসী ৪৫টি পরিবারকে বাড়ি ছাড়ার নোটিস আমেদাবাদে]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.