জরুরি ভিত্তিতে ভারত-পাক বৈঠক, নয়াদিল্লির বিরুদ্ধে গুলি চালানোর অভিযোগ

পাক সেনা জঙ্গিদের মদত বন্ধ না করলে গুলি চলবে, ইঙ্গিত ভারতীয় সেনার।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৩০, ২০১৭, ১৩:০৯

options
link
জরুরি ভিত্তিতে ভারত-পাক বৈঠক, নয়াদিল্লির বিরুদ্ধে গুলি চালানোর অভিযোগ

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আগাম কোনও খবর বা ইঙ্গিত ছিল না। সোমবার খানিকটা নাটকীয় ভঙ্গিতেই শুরু হল ভারত-পাক ‘ডিজিএমও’ স্তরের বৈঠক। ডিজিএমও বা ডিরেক্টর জেনারেল অফ মিলিটারি অপারেশন নিয়ন্ত্রণরেখার দুই দিকে দুই দেশের মধ্যে সামরিক স্থিতাবস্থা বজায় রাখতে কাজ করে।

Advertisement

[আফগানিস্তানে গম পাঠাতে এই প্রথম চাবাহার বন্দর ব্যবহার করল ভারত]

এদিনের বৈঠকে পাক ডিজিএমও অভিযোগ করেন, বিনা প্ররোচনায় নিয়ন্ত্রণরেখায় গুলি চালাচ্ছে ভারতীয় সেনা। ভারত যদিও যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করেছে। এদিনের বৈঠক পূর্ব নির্ধারিত ছিল না। সূত্রের খবর, পাকিস্তানের তরফেই বৈঠকে বসতে আবেদন জানানো হয়। পাকিস্তানের দাবি মেনে ডিজিএমও-র সঙ্গে বৈঠকে বসতে রাজি হন ভারতের লেফটেন্যান্ট জেনারেল এ কে ভাট। দুপুর ২টোয় শুরু হয় বৈঠক।

Advertisement

পাকিস্তান অভিযোগ তুলতেই ভারত স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, ভারত কখনই প্রথমে গুলি চালায় না। পাক সেনাই জঙ্গিদের কভার ফায়ার দিয়ে অনুপ্রবেশে মদত দেয়। দেশের নিরাপত্তার স্বার্থে তখন ভারতীয় সেনা গুলি চালাতে বাধ্য হয়। পাক রেঞ্জার্স যদি জঙ্গিদের মদত দেওয়া বন্ধ না করে, তাহলে নিজেদের সুরক্ষার স্বার্থে ভারতীয় সেনাকে গুলি চালাতেই হবে। এই বছর কাশ্মীরে অন্তত ৫০০ বার যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করেছে ইসলামাবাদ।

শুধু আগস্ট ও সেপ্টেম্বরই ২০০ বার বিনা প্ররোচনায় গোলাগুলি ছুড়েছে পাক সেনা। পাক সেনার হামলায় ১৪ জন ভারতীয় জওয়ান শহিদ হয়েছেন। ভারত স্পষ্ট করেছে, তাদের সেনা একদিকে যেমন চূড়ান্ত পেশাদার ও মানবিক। তাঁরা কখনই কোনও নিরীহ নাগরিককে আঘাত করে না। কিন্তু সীমান্ত অঞ্চলে শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ভারত বদ্ধপরিকর।

[‘রেস্তরাঁর বাইরে দাঁড়াতে পারলে জাতীয় সংগীত শুনে কেন পারবেন না?’]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.