multi-influence mine

সমুদ্রে লুকনো শত্রুও ধ্বংস হবে নিমেষে, ‘MIGM’ মারণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা নৌসেনার

নৌবাহিনীর তুরুপের তাস হয়ে উঠতে চলেছে অত্যাধুনিক এই অস্ত্র।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৬, ২০২৫, ১১:০৬

options
link
সমুদ্রে লুকনো শত্রুও ধ্বংস হবে নিমেষে, ‘MIGM’ মারণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা নৌসেনার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পগেলগাঁওয়ে পাক মদতপুষ্ট সন্ত্রাসকে কেন্দ্র করে বেজে উঠেছে যুদ্ধের দুন্দুভি। এই আবহেই সমুদ্রপথে শত্রুকে নিকেশ করতে নয়া মারণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা করল ভারতীয় নৌসেনা। সোমবার নৌসেনা ও ডিআরডিওর যৌথ উদ্যোগে মাল্টি ইনফ্লুয়েন্স গ্রাউন্ড মাইন বা এমআইজিএম-এর সম্পন্ন হল। সমুদ্র নিরাপত্তার দিক থেকে এই মাইন নৌবাহিনীর তুরুপের তাস হয়ে উঠতে চলেছে বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল।

Advertisement

জানা যাচ্ছে, জলের নিচে যে কোনওরকম যুদ্ধে ভারতীয় নৌসেনার শক্তি কয়েকগুণ বাড়িয়ে দেবে অত্যাধুনিক এই অস্ত্র। বহুস্তরীয় এই মাইন তার সেন্সরের মাধ্যমে জলের নিচে থাকা ডুবোজাহাজ ও শত্রুর ভেসেলকে চিহ্নিত করতে সক্ষম। এমনকী এর নাগালে এলে রেহাই পাবে না অত্যাধুনিক স্টিলথ প্রযুক্তিতে তৈরি জাহাজও। নিমেষের মধ্যে বিরাট বিস্ফোরণে মাধ্যমে ধ্বংস হবে শত্রুর জাহাজ। অত্যাধুনিক স্টিলথ প্রযুক্তির জাহাজ শত্রুর নজর এড়াতে বিশেষভাবে সক্ষম। তাকেও চিনে ফেলবে এই এমআইজিএম। জানা যাচ্ছে, শীঘ্রই নৌসেনার অন্তর্ভুক্ত হতে চলেছে এই মারণাস্ত্র।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

প্রসঙ্গত, ভারতীয় নৌসেনার অন্যতম অস্ত্র এই এমআইজিএম জাহাজ, সাবমেরিন, কো অপারেটিভ, আন্ডারসি অপারেটিং প্ল্যাটফর্ম থেকে মোতায়েন করা যায়। ফলে যে কোনও পরিস্থিতিতে নৌসেনার জন্য অপরিহার্য হয়ে উঠতে চলেছে এই অস্ত্র। বর্তমানে ভারত মহাসাগরে চিনা আগ্রাসন রুখতে এই অস্ত্র বিরাট কার্যকর হবে বলে মনে করা হচ্ছে। পহেলগাঁও সন্ত্রাসকে কেন্দ্র পাকিস্তানের সঙ্গে চলা যুদ্ধ পরিস্থিতিতে আরব সাগর থেকে কোনও রকম ঝুঁকি তৈরি হলে তা রুখে দেবে নৌসেনার মারণাস্ত্র এমআইজিএম।

Advertisement

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন