Indian Army

চোখ রাঙাচ্ছে চিন! মাত দিতে ড্রাগনের অস্ত্রেই ভারতের পালটা, মাঠে নামছে সেনার নতুন বাহিনী

‘ইন্টিগ্রেটেড ব্যাটল গ্রুপ’ তৈরি করছে ভারতীয় সেনা। এই ইউনিটে থাকবে পদাতিক, ট্যাঙ্ক, গোলন্দাজ বাহিনী। সবমিলিয়ে একটি গ্রুপে ৫ হাজার সেনাকর্মী থাকবেন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৯, ২০২৬, ১১:৫০

options
link
চোখ রাঙাচ্ছে চিন! মাত দিতে ড্রাগনের অস্ত্রেই ভারতের পালটা, মাঠে নামছে সেনার নতুন বাহিনী
পানাগড়ের সপ্তদশ কোর থেকে তৈরি হবে প্রথম আইবিজি ইউনিট।

উত্তর-পূর্বে চোখ রাঙাচ্ছে চিন। সীমান্তে ড্রাগনের আগ্রাসনের নানা ঘটনা প্রকাশ্যে আসছে। এহেন পরিস্থিতিতে চিন-সহ অন্যান্য ‘শত্রু’দের পালটা দিয়ে নতুন পদক্ষেপ করছে ভারত। সূত্রের খবর, ‘ইন্টিগ্রেটেড ব্যাটল গ্রুপ’ তৈরি করছে ভারতীয় সেনা। এই ইউনিটে থাকবে পদাতিক, ট্যাঙ্ক, গোলন্দাজ বাহিনী। সবমিলিয়ে একটি গ্রুপে ৫ হাজার সেনাকর্মী থাকবেন বলে সূত্রের খবর। মূলত পার্বত্য এলাকার কথা মাথায় রেখে তৈরি হবে এই বাহিনী।

Advertisement

জানা গিয়েছে, পানাগড়ের সপ্তদশ কোর থেকে তৈরি হবে প্রথম আইবিজি ইউনিট। প্রথমে ঠিক ছিল চলতি বছরের সেপ্টেম্বর থেকে এই ইউনিট কাজ শুরু করবে। কিন্তু সেই সময়টা দু’মাস এগিয়ে আনা হয়েছে। ১ জুলাই থেকেই এই বাহিনী গঠনের কাজ শুরু হবে। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, ১২ বা ১৩টি ইউনিট থেকে বেছে নেওয়া হবে ৫ হাজার সেনাকর্মীকে। তাঁদের নিয়ে তৈরি হবে আইবিজি ইউনিট। এই ইউনিটের নেতৃত্বে থাকবেন মেজর জেনারেল পদমর্যাদার আধিকারিক। মনে করা হচ্ছে, এই ইউনিটগুলি একেবারে স্বয়ংসম্পূর্ণ।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

প্রয়াত সিডিএস বিপিন রাওয়াতের প্রস্তাব ছিল, ছোট অথচ স্বয়ংসম্পূর্ণ বাহিনী গড়ে তুলতে হবে। সেনার আধুনিকীকরণে এই পদক্ষেপ অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। জানা গিয়েছে, প্রায় সাত বছর ধরে এই প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এবার তৈরি হতে চলেছে বিশেষ ইউনিট। জানা গিয়েছে, ২০১৯ সালে এমন ইউনিটের পরীক্ষা করা হয়েছিল পাক সীমান্তে। আইবিজির বিশেষত্ব, পাহাড়ি এলাকায় দুর্গম এলাকায় খুব দ্রুত পৌঁছে যেতে পারে তারা। প্রয়োজন পড়লে সেনাবাহিনীর থেকেও দ্রুত গতিতে পৌঁছে যাবে এই গ্রুপ।

Advertisement

আক্রমণ শানানোর পাশাপাশি হামলা ঠেকাতেও সক্ষম এই ইন্টিগ্রেটেড ব্যাটল গ্রুপ। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, চিন সীমান্তে বিশেষভাবে কার্যকরী হতে পারে ভারতের এই গ্রুপ। দ্রুত চলাফেরা, দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণের মতো নানা বিষয়ের উপর ভিত্তি করে চিনকে মোকাবিলা করা সহজ হবে। উল্লেখ্য, গত কয়েক বছরে চিনও এইভাবে ছোট ছোট ইউনিট গঠন করেছে। সেনাকে দেশের নানা প্রান্তে আরও বেশি করে শক্তিশালী করেছে। এবার সেই পন্থা গ্রহণ করল ভারতও।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.