Jewelry Brand

গয়নার প্রোমোশনে পাক ইনফ্লুয়েন্সার! বয়কটের মুখে বিখ্যাত এই ভারতীয় সংস্থা

ধনতেরসের আগে অস্বস্তিতে কেরলের সংস্থা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৬, ২০২৫, ২১:১৫

options
link
গয়নার প্রোমোশনে পাক ইনফ্লুয়েন্সার! বয়কটের মুখে বিখ্যাত এই ভারতীয় সংস্থা

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ধনতেরস সামনেই। তার আগে ব্যাপক অস্বস্তিতে পড়েছে এক বিখ্যাত ভারতীয় গয়না প্রস্তুতকারক সংস্থা। বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম গয়না বিক্রেতা সংস্থার বিরুদ্ধে অভিযোগ লন্ডনে নতুন শোরুমের উদ্বোধনে ব্র্যান্ড প্রোমোটার হিসেবে পাক ইনফ্লুয়েন্সারকে আমন্ত্রণ করা। আলিশবা খালিদ নাম্নী ওই পাক মডেল অপারেশন সিঁদুর নিয়ে কটাক্ষ করেছিলেন। কেন তাঁকেই আমন্ত্রণ জানানো হল, উঠছে প্রশ্ন।

Advertisement

জানা যাচ্ছে, ক্রমেই বিতর্ক বাড়ছে এই ঘটনা ঘিরে। ধনতেরসে প্রচুর মানুষ সোনা ও রুপো কেনেন। আর তার আগেই কেরলের এই গয়নার ব্র্যান্ডকে অনলাইন বয়কটের ডাক উঠছে। গত সেপ্টেম্বরে বিতর্কের সূত্রপাত। সেই সময়ই জানা গিয়েছিল, ওই সংস্থাক লন্ডন শোরুমের উদ্বোধনে ডাক পেয়েছেন আলিশবা। এরপরই ওই ব্র্যান্ডের বিরুদ্ধে জনসাধারণের ক্ষোভ বাড়তে থাকে। এরপরই ওই সংস্থা তাদের বিরুদ্ধে অনলাইন সমালোচনার বিরুদ্ধে বম্বে হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়। এরপরই উচ্চ আদালত মেটা, এক্স, গুগল ও অন্য প্ল্যাটফর্মগুলিকে এমন ধরনের কনটেন্ট সরানোর নির্দেশ দেয়। ওই ব্র্যান্ডের দাবি ছিল, এর ফলে তাদেল ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে। লোকসানের মুখে পড়তে হচ্ছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

আলিশবা অপারেশন সিঁদুরের সমালোচনা করে দাবি করেন, পাকিস্তান যে পহেলগাঁও হামলায় জড়িত তার কোনও প্রমাণ ভারত দেয়নি। এক্স হ্যান্ডলে এমন মন্তব্যের পরই বিপুল বিতর্কের মধ্যে পড়তে হয় তাঁকে। উল্লেখ্য, ২২ এপ্রিল পহেলগাঁওয়ে ২৬ নিরস্ত্রকে হত্যা করে লস্করের সঙ্গী সংগঠন টিআরএফের চার জঙ্গি। তাদের পথ দেখিয়ে নিয়ে যায় কাশ্মীরের স্থানীয় এক জঙ্গি। এই হামলার জবাবে ৭ মে ভোররাতে অপারেশন চালায় ভারত। গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় পাকিস্তান ও পিওকে-র নয়টি জঙ্গিঘাঁটি।

Advertisement

প্রসঙ্গত, এর আগেও বিতর্কের মুখে পড়তে হয়েছিল ওই সংস্থাকে। সেবার বিতর্কের কেন্দ্রে ছিলেন অভিনেত্রী করিনা কাপুর। অভিনেত্রীর কানে দুল ও গলায় হার থাকলেও কপালে টিপ ছিল না। এতেই ক্ষিপ্ত নেটিজেনদের একাংশ। সেবারও একের পর এক টুইট করা হয় ওই সংস্থাকে বয়কটের ডাক দিয়ে। নেটিজেনদের দাবি ছিল, সিঁদুরের টিপ শক্তির আরেক রূপ। কপালে সিঁদুরের টিপ লাগানো হিন্দু ধর্মের সংস্কৃতি, শুদ্ধতা এবং পবিত্রতার প্রতীক। এটি বিবাহিত স্ত্রীর পরিচয়ও বটে। বছর তিনেক পরে ফের বিতর্কের কেন্দ্রে কেরলের নামী এই সংস্থা।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.