সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দিনের পর দিন ছোট ছোট মেয়েদের যৌনচ্ছেদ করা হত। ডাক্তারি পেশার আড়ালেই রমরমিয়ে চলছিল এই ব্যবসা। এমনই ভয়ঙ্কর অভিযোগ উঠেছে ভারতীয় বংশোদ্ভূত ডাক্তারের বিরুদ্ধে। নাম জুমানা নাগারওয়ালা। আমেরিকায় মিশিগান থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে অভিযুক্ত চিকিৎসককে।
[তেরঙ্গার ‘অপব্যাখ্যা’ গম্ভীরের, উঠল দেশদ্রোহিতার অভিযোগ]
বিশ্বের বেশ কয়েকটি দেশে বিশেষ করে আফ্রিকা, এশিয়া ও মধ্য প্রাচ্যের বেশ কয়েকটি জায়গায় এই প্রথা রয়েছে। সাধারণত ধর্মীয় প্রথা হিসেবেই এটিকে মানা হয়। অনেকের মতে মহিলাদের অতিরিক্ত যৌন আকাঙ্খা ও লিঙ্গবৈষম্য দূর করতেই যন্ত্রণাদায়ক প্রক্রিয়া করা হয়। কিন্তু আমেরিকায় বহুদিন ধরেই নিষিদ্ধ এই প্রক্রিয়া। ১৯৯৬ সালে মার্কিন কংগ্রেসের এই মর্মে বিলও পাস হয়। যাতে বলা হয় ১৮ বছরের নিচে কোনও মেয়ের যৌনচ্ছেদ করা যাবে না। ৯৭ সালেই আইনটি প্রণয়ন করা হয়।
[বলিউডের হিরোদেরও টক্কর দিতে পারে ‘চ্যাম্প’ দেবের এই লুক]
অভিযোগ, এর পরও দীর্ঘদিন ধরে নাবালিকাদের নির্বিচারে যৌনচ্ছেদ চালিয়ে যাচ্ছিল ওই প্রবাসী চিকিৎসক। মিশিগানে নিজের ব্যক্তিগত চেম্বারে এই কাজ করত সে। বেশিরভাগ মেয়েদেরই বয়স ৬ থেকে ৮ বছরের মধ্যে হত। এর জন্য মোটা টাকা নিত সে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে দুই সাত বছরের নাবালিকার পরিবারের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে জুমানাকে।
[উত্তর কোরিয়া সীমান্তে দেড় লক্ষ সেনা পাঠিয়ে যুদ্ধের হুঙ্কার চিনের]
জানা গিয়েছে, গুজরাটি ও ইংরাজি ভাষায় দক্ষ জুমানার কাছেই বেশিরভাগ মেয়েদের নিয়ে আসা হত। তারপরই এই ভয়ঙ্কর কাজ করতেন তিনি। এছাড়া আর অন্য কোনও অপরাধের সঙ্গে অভিযুক্ত চিকিৎসক দায়ী কিনা তাও খতিয়ে দেখা হবে পুলিশ। খুব শিগগিরিই তাকে ডেট্রয়েটের ফেডারেল কোর্টে তোলা হবে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে পাঁচ বছর পর্যন্ত কারাবাস হতে পারে জুমানার।
[মার্কিন সেনাই সর্বশক্তিমান, আফগানিস্তানে ‘মাদার অফ অল বম্বস’ ফেলে হুঙ্কার ট্রাম্পের]
সর্বশেষ খবর
-
‘গলায় গেরুয়া গামছা দিলেই হিন্দুত্ববাদী হওয়া যায় না’, সতর্কবাণী ‘আদি’ বিজেপি নীলাদ্রিশেখরের
-
দেবদত্তের সেঞ্চুরি, কোহলিকে ছাপিয়ে নজির গিলের, শ্রীলঙ্কায় দ্বিতীয় টেস্টেও বড় রানের পথে ভারত
-
পাতে বিষ! এই খাবারগুলি মাইক্রোওয়েভে ভুলেও বারবার গরম করবেন না
-
অধিকৃত কাশ্মীরকে ‘নরক’ বানিয়েছে পাকিস্তান, রাষ্ট্রসংঘের হস্তক্ষেপ চেয়ে চিঠি ব্রিটেনের সাংসদদের
-
‘ওরা ভারতীয় সংস্কৃতি জানেই না’, বন্দে মাতরম বিতর্কে ফুঁসে উঠলেন রামদেব