BRICS

ব্রিকসে তুমুল ঝগড়া ইরান-আমিরশাহীর! বিশ্বমঞ্চে হরমুজ নিয়ে কড়া বার্তা ভারতের

কোনও দেশের নাম না নিলেও জয়শংকর বলেন, সার্বভৌমত্ব ও ভূখণ্ডগত অখণ্ডতার প্রতি সম্মানই আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ভিত্তি হওয়া উচিত। সংঘাত মেটানোর একমাত্র পথ হল সংলাপ ও কূটনীতি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৫, ২০২৬, ১৯:৫৮

options
link
ব্রিকসে তুমুল ঝগড়া ইরান-আমিরশাহীর! বিশ্বমঞ্চে হরমুজ নিয়ে কড়া বার্তা ভারতের
ব্রিকস মঞ্চে হরমুজ নিয়ে কড়া বার্তা ভারতের।

ভারতে আয়োজিত ব্রিকস সম্মেলনে তুমুল ঝগড়ায় জড়াল ইরান ও সংযুক্ত আরব আমিরশাহী। ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘাচি ও আমিরশাহীর বিদেশমন্ত্রী খলিফা শহিন আল মারার মধ্যে বাকবিতণ্ডার জেরে রীতিমতো অস্বস্তিতে পড়তে হল নয়াদিল্লিকে। শেষপর্যন্ত পরিস্থিতি সামাল দিতে মাঠে নামেন রাশিয়ার বিদেশমন্ত্রী। পাশাপাশি এই সম্মেলনে হরমুজের নিরাপত্তা নিয়ে কড়া বার্তা দেওয়া হয়েছে বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকরের তরফে।

Advertisement

২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে আমেরিকা ও ইজরায়েলর যৌথ হামলার পর গোটা মধ্যপ্রাচ্যে হামলা শুরু করে ইরান। রেহাই পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরশাহীও। পরে জানা যায়, সেই হামলার পালটা ইরানের দ্বীপে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছিল আমিরশাহীও। ফলে বলার অপেক্ষা রাখে না, যুদ্ধ পরিস্থিতিতে দুই দেশের মধ্যেকার সম্পর্ক খুব একটা ভালো নয়। এই অবস্থায় আলোচনা চলাকালীন আমিরশাহীর জ্বালানি পরিকাঠামোয় ইরানের হামলার প্রসঙ্গ ওঠে। যার জেরে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয় দুই বিদেশমন্ত্রীর মধ্যে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এস জয়শংকর বলেন, ‘হরমুজ প্রণালী এবং লোহিত সাগর-সহ সমস্ত আন্তর্জাতিক জলপথগুলিতে নিরাপদ ও বাধাহীন পরিবহণ বিশ্ব অর্থনীতির জন্য অপরিহার্য।’

পাশাপাশি আলোচনায় উঠে আসে হরমুজ প্রসঙ্গ। বিশ্বের সামনে ভারত নিজের অবস্থান তুলে ধরে জানায়, আন্তর্জাতিক আইন মেনে সমুদ্রপথ খোলা রাখা উচিত। কোনও দেশের একতরফা পদক্ষেপ বা নিষেধাজ্ঞা উন্নয়নশীল দেশগুলির উপর চাপ তৈরি করছে। বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর বলেন, ‘হরমুজ প্রণালী এবং লোহিত সাগর-সহ সমস্ত আন্তর্জাতিক জলপথগুলিতে নিরাপদ ও বাধাহীন পরিবহণ বিশ্ব অর্থনীতির জন্য অপরিহার্য।’ কোনও দেশের নাম না নিলেও জয়শংকর বলেন, সার্বভৌমত্ব ও ভূখণ্ডগত অখণ্ডতার প্রতি সম্মানই আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ভিত্তি হওয়া উচিত। সংঘাত মেটানোর একমাত্র পথ হল সংলাপ ও কূটনীতি।

Advertisement

উল্লেখ্য, ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চিন এবং দক্ষিণ আফ্রিকাকে নিয়ে গঠিত হয়েছিল ব্রিকস। এই সংগঠনের সম্প্রসারণ ঘটিয়ে ২০২৪ সালে এতে যুক্ত হয় মিশর, ইথিওপিয়া, ইরান এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহী। ২০২৫ সালে ব্রিকসে যোগ দেয় ইন্দোনেশিয়া।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন