ইটালিয় পর্যটক

করোনা মুক্ত হয়েও দেশে ফেরা হল না, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু ইটালির পর্যটকের

পর্যটকের মৃত্যু নিয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে বিস্তারিত রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১১, ২০২০, ২১:২৩

options
link
করোনা মুক্ত হয়েও দেশে ফেরা হল না, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু ইটালির পর্যটকের
ছবি: প্রতীকী

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: করোনা ভাইরাসের প্রকোপ থেকে বেঁচে ফিরেও শেষরক্ষা হল না। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হল ইটালির এক মহিলা পর্যটকের। শুক্রবার হরিয়ানার গুরুগ্রামের একটি বেসরকারি হাসপাতালে মৃত্যু হয় তাঁর। মার্চ মাসে আরও ১৩ জন ইতালীয় পর্যটকের সঙ্গে এই মহিলার শরীরেও করোনা ভাইরাসের সন্ধান মেলে। এক মাস হাসপাতালেই ছিলেন তিনি। সম্প্রতি সুস্থ হয়ে উঠেছিলেন। কিন্তু তারপরও নিজের দেশে ফেরা হল না তাঁর।

Advertisement

হরিয়ানা স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, ওই মহিলার বয়স ৭৮ বছর। বেশ কিছুদিন ধরে করোনায় আক্রান্ত ছিলেন তিনি। তবে সম্প্রতি সোয়াব পরীক্ষায় তাঁর রিপোর্ট নেগেটিভ আসে। এর কয়েকদিন পর তিনি হার্ট অ্যাটাকের কারণে মারা যান। গুরুগ্রামের চিফ মেডিক্যাল অফিসার জেএস পুনিয়া সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ওই মহিলা যে হৃদরোগের কারণে মারা গিয়েছেন, হাসপাতাল থেকে প্রাপ্ত প্রাথমিক তথ্যে সেকথা বলা হয়েছে। তবে ইটালির ওই পর্যটকদের মৃত্যুর বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য এখনও এসে পৌঁছয়নি।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[ আরও পড়ুন: মানবিকতার নজির, ১৫০ কিমি বাইক চালিয়ে ক্যানসার আক্রান্ত শিশুকে ওষুধ পৌঁছে দিলেন যুবক ]

গতমাসে ইটালির পর্যটকদের ১৪ জনের একটি দলের প্রত্যেকের করোনা পরীক্ষা করা হয়। মহিলাও ওই দলের সদস্য ছিলেন। প্রত্যেককেই ভরতি করা হয়েছিল একটি বেসরকারি হাসপাতালে। সেখানেই তাঁদের চিকিৎসা চলছিল। সম্প্রতি করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট নেগেটিভ আসায় তাঁদের হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

Advertisement

বৃহস্পতিবার গুরুগ্রাম জেলা প্রশাসন এলাকার ন’টি জায়গাকে ‘কনটেন্টমেন্ট জোন’ হিসাবে ঘোষণা করে। এই ন’টি ক্ষেত্রের মধ্যে রয়েছে সেক্টর ৯, সেক্টর ৫৪/নির্বানা কান্ট্রি, পলং বিহার, এমার পাম গার্ডেনস সেক্টর ৮৩, ল্যাবার্নাম সোসাইটি, সেক্টর ৩৯, ভিলেজ ফাজিলপুর ঝাড়সা, ওয়ার্ড নম্বর ১১ নম্বর পাটৌদি ও ভিলেজ রায়পুর সোহনা। এই ‘কনটেনমেন্ট জোন’ নিয়ে একটি সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, “কনটেন্টমেন্ট জোনের মধ্যে পড়া প্রতিটি ব্যক্তিটির ঘরে ঘরে স্ক্রিনিং করার জন্য একটি টিম গঠন করা হবে।” এছাড়াও প্রশাসন জানিয়েছে, কেউ বাড়ির বাইরে বের হলেই তাকে মাস্ক পরতে হবে। এই নির্দেশ না মানলে ভারতীয় দণ্ডবিধির ১৮৮ ধারায় তাদের বিরদ্ধে দায়ের হবে মামলা।

[ আরও পড়ুন: করোনা আক্রান্ত সন্দেহে মুখ ফেরাল ১০টি হাসপাতাল, ৯ দিনের সন্তানকে রেখে মৃত মা ]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.